পৃষ্ঠাসমূহ

শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৬

মানবদেহ-রক্ত সংবহন তন্ত

প্রারম্ভিক আলোচনা: অধ্যায়টা সবচেয়ে
বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেক কিছুই ভালোমত বুঝে
মনে রাখতে হবে। অধ্যায়টি উপভোগ্যও বটে।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. রক্ত আন্তঃকোষীয় তরল যোজক কলা।
(অন্তঃকোষীয় বলতে বোঝায় একটা কোষের
মধ্যেই, আর আন্তঃকোষীয় বলতে একাধিক
কোষের মধ্যে সম্পর্ক) (রক্তে ক্ষেত্রে যোজক
কলা কথাটা একটু কনফিউজিং লাগতে পারে,
কিন্তু বিভিন্ন কোষের মধ্যে খাদ্য,
অক্সিজেন, হরমোন, ইত্যাদির আদান প্রদানের
মাধ্যম হল রক্ত, তাই রক্ত এক ধরনের যোজক
কলা)
২. রক্ত সামান্য ক্ষারীয়, এর pH গড়ে ৭.২-৭.৪ ।
( pH বেশি হওয়ার মানে H + কম হওয়া)
৩. আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০৬৫, পানির চেয়ে
সামান্য বেশি। (যেহেতু রক্তে পানি বা তরল
ছাড়াও বেশ কিছু কোষ থাকে)
৪. সুস্থ মানুষের দেহে রক্ত থাকে প্রায় ৫-৬
লিটার।
৫. রক্তের হালকা হলুদ বর্ণের তরল অংশকে
প্লাজমা বলে। (রক্ত দেখতে লাল, কারণ
লোহিত কণিকার উপস্থিতির জন্য একে লাল
দেখায়, কিন্তু কোন ভাবে লোহিত কণিকা
সরানো হলে বাকি যে তরল অংশ পাওয়া যায়,
তা দেখতে হলুদ)
৬. রক্তের প্লাজমায় পানির পরিমাণ ৯০-৯২%,
এবং দ্রবীভূত কঠিন পদার্থের পরিমাণ ৮-১০%।
এর মধ্যে ৭.১-৮.১% জৈব এবং অজৈব উপাদান
প্রায় ০.৯%।
৭. রক্তরসের বিভিন্ন কাজ:
খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড,
লিপিড, লবণ, ভিটামিন) বিভিন্ন কোষে
বয়ে নিয়ে যাওয়া।
কলা থেকে বর্জ্য পদার্থ রেচনের জন্য
বৃক্কে নিয়ে যাওয়া।
অধিকাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড রক্তরসে
বাইকার্বনেট রূপে দ্রবীভূত থাকে। (লক্ষ
করা প্রয়োজন, রক্তরসের কাজ অক্সিজেন
পরিবহন নয়, যা লোহিত কণিকার কাজ)
হরমোন, এনজাইম পরিবহন।
রক্তের অম্ল ক্ষারকের ভারসাম্য রক্ষা
করে, pH যাতে একই থাকে।
৮. তিন রকমের রক্ত কণিকা আছে:
এরিথ্রোসাইট বা লোহিতকণিকা (এরিথ্রো
মানে লাল)
লিউকোসাইট বা শ্বেতরক্তকণিকা
(লিউকোপ্লাস্ট-এর মত বর্ণহীন বোঝাতে)
থ্রম্বোসাইট বা অণুচক্রিকা (থ্রম্বোসিস বা
রক্ত তঞ্চন করে)
৯. লোহিত রক্ত কণিকা দ্বিঅবতল এবং
নিউক্লিয়াসবিহীন। (একটা ফুটবলের সাথে
তুলনা করা যেতে পারে, ফুটবলের পাম্প
বেরিয়ে গেলে যেমন চুপসে যায়, দুই দিকের
তলই নিচে নেমে যায়, লোহিত কণিকা তেমনি
প্রথমে গোল থাকলেও নিউক্লিয়াস না থাকার
ফলে চুপসে দ্বিঅবতল অবস্থায় চলে যায়)
১০. লোহিত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক
রঞ্চক কণিকা থাকে, যার ফলে কোষটিকে
লাল দেখায়। হিমোগ্লোবিন ক্ষুদ্রতর তরঙ্গ
দৈর্ঘ্যের আলোকরশ্মি (যেমন বেগুনি, নীল)
শোষণ করে, কিন্তু দীর্ঘতর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের
লাল আলো শোষণ করে না প্রতিফলিত করে,
তাই একে লাল দেখায়।
১১. ভ্রূণদেহে প্রতি ঘনমিমি তে লোহিত
রক্তকণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি থাকে
(৮০-৯০ লক্ষ) এবং পূর্ণবয়ষ্ক নারী দেহে
সবচেয়ে কম থাকে (৪৫ লক্ষ)।
১২. প্রতি ঘন মিমি রক্তে লোহিত কণিকার
সংখ্যা প্রায় ৩৭.৫ লক্ষের চেয়ে কমে গেলে
ওই অবস্থাকে রক্তস্বল্পতা (এনেমিয়া=এন
+এমিয়া) বলে। আর ৬৫ লক্ষের চেয়েও বেড়ে
গেলে এ অবস্থাকে বলে পলিসাইথেমিয়া।
(পলি বলতেই বেশি কিছু বোঝায়)
১৩. ভ্রূণে লোহিত কণিকা যকৃত, প্লীহা (Spleen,
পাকস্থলীর পিছনে থাকা একটি অঙ্গ) ও
থাইমাস (গলার কাছের একটি গ্রন্থি) থেকে
সৃষ্টি হয়। জন্মের পর ২০ বছর পর্যন্ত মানবদেহে
পায়ের লম্বা অস্থি ফিমারের অস্থিমজ্জা
থেকে এবং জীবনের বাকি সময় অন্যান্য
অস্থিমজ্জা থেকেও উৎপন্ন হতে থাকে।
১৪. লোহিত কণিকার গড় আয়ু ৪ মাস বা প্রায়
১২০ দিন। (এজন্যই চার মাস পরপর রক্ত দেওয়ার
কথা বলা হয়)
১৫. লোহিত কণিকা শরীরের সবখানে
অক্সিজেন পরিবহন করে।
১৬. শ্বেতরক্তকণিকা নিউক্লিয়াসযুক্ত,
আকারে বড়, আকৃতি পরিবর্তনশীল।
১৭. প্রতি ঘনমিমি রক্তে ৫-৮ হাজার শ্বেত
রক্তকণিকা থাকে। লোহিত রক্তকণিকা ও
শ্বেত রক্তকণিকার অনুপাত ৭০০:১
১৮. শ্বেতরক্তকণিকাকে দু’ভাগে ভাগ করা
যায়:
গ্র্যানিউলোসাইট (গ্র্যানিউল বিশিষ্ট বা
দানাদার কোষ)
অ্যাগ্র্যানিউলোসাইট (গ্র্যানিউলহীন বা
দানাহীন কোষ)
১৯. গ্র্যানিউলোসাইট তিন প্রকার। যথা:
নিউট্রোফিল (বর্ণ নিউট্রাল বা নিরপেক্ষ,
এসিডিক/অম্লীয় বা বেসিক/ক্ষারকীয় না)
ইওসিনোফিল (ইওসিন রঞ্জকে লাল রং
ধারণ করে, একে এসিডোফিলিকও বলা
চলে)
বেসোফিল (বেস বা ক্ষারকে নীল বর্ণ ধারণ
করে)
২০. গ্র্যানিউলোসাইটের কাজ:
নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস
প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণু ভক্ষণ করে
ইওসিনোফিল ও বেসোফিল নিঃসৃত
হিস্টামিন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়ায়
বেসোফিল নিঃসৃত হেপারিন ধমনী বা
শিরায় রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়
২১. অ্যাগ্র্যানিউলোসাইট দু’প্রকার। যথা:
লিম্ফোসাইট
মনোসাইট
২২. অ্যাগ্র্যানিউলোসাইটের কাজ:
লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং
ফাইব্রোব্লাস্ট সৃষ্টি করে কলা বা টিস্যুর
ক্ষয়পূরণ করে
মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়
রোগ জীবণূ ধ্বংস করে (নিউট্রোফিলের মত
কাজ, তবে ভিন্ন ভাবে)
উভয়ের প্লাজমা প্রোটিন থেকে ট্রিফোন
নামক কলাকোষের পুষ্টিকারক পদার্থ
উৎপন্ন হয়।
২৩. থ্রম্বোসাইট বা অণুচক্রিকা ক্ষুদ্রতম
রক্তকণিকা, নিউক্লিয়াসবিহীন।
২৪. প্রতি ঘনমিমি রক্তে থ্রম্বোসাইটের
সংখ্যঅ আড়াই লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ। অসুস্থ
দেহে আরও বেড়ে যায়।
২৫. থ্রম্বোসাইটের গড় আয়ু প্রায় ৫-১০ দিন।
২৬. থ্রম্বোসাইটের কাজ:
রক্ত তঞ্চন বা জমাট বাঁধায় অংশ নেয়
রক্তজালিকার ক্ষতিগ্রস্ত এপিথেলিয়াল
আবরণ পুর্নগঠন অংশ নেয়
রক্তবাহিকার সংকোচন ঘটিয়ে রক্তপাত
বন্ধে সাহায্য করে..
২৮. রক্তের কাজ:
অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড পরিবহন
খাদ্যসার, হরমোন, সঞ্চিত খাদ্য পরিবহন
জীবাণু প্রতিরোধ
রক্তপাত প্রতিরোধ
দেহের উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ
ক্ষত নিরাময়
২৯. রক্ত তঞ্চন পদ্ধতিতে ১৩ টি ফ্যাক্টর কাজ
করে।
৩০. থ্রম্বোপ্লাস্টিন ক্যালসিয়াম আয়নের
উপস্থিতিতে প্রো-থ্রম্বিন কে সক্রিয় থ্রম্বিন-
এ পরিণত করে। এবং থ্রম্বিন ফাইব্রোজেন হতে
ফাইব্রিন তৈরি করে। ফাইব্রিন জালকে রক্ত
কোষ আটকে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
ক্রম: থ্রম্বোপ্লাস্টিন > ক্যালসিয়াম আয়ন +
নিষ্ক্রিয় প্রো-থ্রম্বিন > থ্রম্বিন +
ফাইব্রিনোজেন > ফাইব্রিন জালক > রক্ত
তঞ্চন
৩১. শিরার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ১৫%
এবং ধমনীর রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ ২০%

৩২. কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যাপন প্রক্রিয়ায়
পরিবাহিত হয়।
৩৩. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার রক্তকণিকায় কিছু
অ্যান্টিজেন (A, B এবং O)-এর উপস্থিতি ও
অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে
শ্রেণীবিন্যাস করেন, তা ABO ব্লাড গ্রুপ বলা
হয়।
৩৪. অ্যান্টিবডি জেনারেটর থেকে
“অ্যান্টিজেন” শব্দের উৎপত্তি। অ্যান্টিবডি
হল বাহির থেকে আসা অচেনা পদার্থের
(অ্যান্টিজেনের) প্রতি সাড়া দিয়ে প্লাজমা
B কোষ হতে উৎপন্ন প্রোটিনধর্মী পদার্থ, যা
অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে একে
নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৩৫. যে অ্যান্টিবডির সঙ্গে অ্যান্টিজেনের
বিক্রিয়ায় রক্তকণিকা জমাট বেঁধে যায়,
তাকে অ্যাগ্লুটিনিন বলে।
৩৬. মানুষের রক্তে A ও B – এই দু’রকম
অ্যান্টিজেন হতে পারে। কারো রক্তে A
অ্যান্টিজেন থাকে কিন্তু B অ্যান্টিজেন
থাকে না। তাই B অ্যান্টিজেন দেখলে বাইরের
কোন প্রোটিন ভেবে এর বিরূদ্ধে অ্যান্টিবডি
β (Anti-B) তৈরি করে। আবার কারও রক্তে B
অ্যান্টিজেন থাকে, কিন্তু A অ্যান্টিজেন
থাকে না। সেভাবে α (Anti-A) তৈরি করে।
৩৭. কারও রক্তে উভয় অ্যান্টিজেন থাকে,
তাদের ব্লাড গ্রুপ AB, তাদের কোন
অ্যান্টিবডি থাকে না, তাই A বা B গ্রুপের
রক্ত এরা গ্রহণ করতে পারে, তাই এদের বলে
সার্বজনীন গ্রহীতা।
৩৮. কারও কোনও অ্যান্টিজেন-ই থাকে না,
তাদের ব্লাড গ্রুপ O, তারা A ও B উভয়
অ্যান্টিজেনের প্রতিই অ্যান্টিবডি তৈরি
করে। তবে O গ্রুপের রক্ত যে কাউকেই দেওয়া
যায়, যেহেতু তাদের রক্তে A বা B কোন
অ্যান্টিজেনই উপস্থিত থাকে না। তাই এদের
সার্বজনীন দাতা বলে।
৩৯. রক্ত সঞ্চারণের সময় ব্লাড গ্রুপ ভালো
করে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিৎ। আপদকালীন
সঞ্চারণকালে O গ্রুপের এবং Rh নেগেটিভ
রক্ত সঞ্চারণ করা নিরাপদ।
৪০. ১৯৪০ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার এবং
উইনার মানুষের লোহিত কণিকার ঝিল্লীতে
Rh ফ্যাক্টর আবিষ্কার করেন। কারও কারও
রক্তে এই Rh ফ্যাক্টর থাকে না, এবং বাইরে
থাকা আসা রক্তে Rh ফ্যাক্টর থাকলে এর
বিরূদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় ও রক্ত জমাট
বেঁধে যায়।
৪১. ইংল্যান্ড, আমেরিকার প্রভৃতি দেশের
মানুষদের মধ্যে ৮৫% মানুষের Rh ফ্যাক্টর
থাকে, এবং এশিয়া ও আফ্রিকায় ৯৫% মানুষের
দেহে এই ফ্যাক্টর থাকে।
৪২. Rh ফ্যাক্টর ৬টি সাধারণ অ্যান্টিজেনের
সমষ্টিবিশেষ, এদের ৩ জোড়ায় ভাগ করা যায়:
যথা: C,c এবং D,d এবং E,e । মানুষের দেহে এই
৩ জোড়ার প্রত্যেকটির একটি করে থাকে। যে
রক্তে C,D,E (মেন্ডেলিয় প্রকট অ্যান্টিজেন)
থাকে, সে রক্তকে Rh+ রক্ত বলে। প্রত্যেক Rh+
রক্তে D থাকতে বাধ্য। আর যে রক্তে c,d,e
(মেন্ডেলিয় প্রচ্ছন্ন অ্যান্টিজেন) থাকে।
৪৩. একজন Rh নেগেটিভ মহিলার সঙ্গে Rh
পজিটিভ পুরুষের বিয়ে হলে তাদের সন্তান
হবে Rh পজিটিভ, কারণ Rh একটি প্রকট
বৈশিষ্ট্য। শিশু যখন মায়ের দেহে থাকবে,
তখনই শিশুর দেহে সৃষ্ট Rh ফ্যাক্টরের বিরূদ্ধে
মায়ের দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয়। প্রথম
সন্তান জীবিত থাকলেও দেহে প্রচণ্ড
রক্তস্বল্পতা ও জন্মের পর জন্ডিস দেখা যায়।
এ অবস্থাকে এরিথ্রো-ব্লাস্টোসিস ফিটালিস
(এরিথ্রো=লোহিত কণিকা,
ব্লাস্টোসিস=যেহেতু Rh ফ্যাক্টরের
অ্যান্টিবডি রক্তকে জমাট বেঁধে দেয়,
ফিটালিস=ফিটাস অবস্থার কথা বোঝানো হয়)
বলে।
৪৪. Rh নেগেটিভ রক্ত দুর্লভ। উত্তর আমেরিকা
ও ইউরোপে ১৫% মানুষের এমন রক্ত রয়েছে।
স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যবর্তী পাহাড় অঞ্চল
পাইরেনীজ-এর বাস্ক-এ সবচেয়ে বেশি এমন
রক্ত পাওয়া যায়, ২৫-৩৫%। এছাড়াও আফ্রিকার
বার্বার ও সাইনাই উপদ্বীপের বেদুঈন-এও এমন
রক্ত বেশি পাওয়া যায়, ১৮-৩০%। এশিয়াতে
অনেক কম, প্রায় ৫%।
৪৫. মানুষের রক্ত সংবহন তন্ত্র পাঁচটি অংশ
নিয়ে গঠিত, যথা:
রক্ত
হৃদপিণ্ড
ধমনী
শিরা
কৈশিক জালিকা
৪৬. হৃদপিণ্ড রক্ত পরিশুদ্ধ করে না, এটি একটি
পাম্প যন্ত্র যা অক্সিজেন কম থাকা রক্তকে
অক্সিজেন গ্রহণের জন্য ফুসফুসে প্রেরণ করে
এবং অক্সিজেন যুক্ত রক্ত ফুসফুস থেকে
হৃদপিণ্ডে আসার পর সারা দেহে ছড়িয়ে
দেবার জন্য পাম্প করে।
৪৭. একজন সুস্থ মানুষের হৃদপিণ্ড গড়ে ২৬০০
মিলিয়ন বার স্পন্দিত হয়, প্রতিটি নিলয় হতে
১৫৫ লিটার রক্ত বের করে দেয়।
৪৮. পূর্ণবয়ষ্ক পুরুষের হৃদপিণ্ডের ওজন প্রায় ৩০০
গ্রাম এবং মহিলার হৃদপিণ্ডের ওজন প্রায় ২০০
গ্রাম।
৪৯. হৃদপিণ্ড দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক
পাতলা ঝিল্লী দ্বারা আবৃত। এর বাইরের স্তর
“প্যারাইটাল পেরিকার্ডিয়াম” (যার অর্থ
দেয়াল, করোটির একটি অস্থির নাম) এবং
ভেতরের স্তর “ভিসেরাল পেরিকার্ডিয়াম”।
৫০. হৃদপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত, ডান
দিকে উপরে ডান অলিন্দ, নিচে ডান নিলয়,
বাম দিকে উপরে বাম অলিন্দ এবং নিচে বাম
নিলয়। (বই-এর চিত্র কনফিউজিং লাগতে
পারে, কিন্তু সবসময় মনে রাখা উচিৎ, যে
মানুষটির হৃদপিণ্ড দেখছি, ঐ মানুষটির ডান
দিক আমাদের দিক থেকে বাম দিক এবং ঐ
মানুষটির বাম দিক আমাদের জন্য ডান দিক,
এজন্য আমাদের জন্য যে দিক বাম দিক,
সেদিকে ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় থাকে, যা
ঐ ব্যক্তির সাপেক্ষে ডান দিক, এবং অনুরূপ
ভাবে আমাদের জন্য ডান দিকে বাম অলিন্দ ও
বাম নিলয় থাকে, যা ঐ মানুষটির সাপেক্ষে
বাম দিক)
৫১. ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে
ট্রাইকাসপিড কপাটিকা থাকে এবং বাম
অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে বাইকাসপিড
কপাটিকা থাকে। (বাম=ব=বাইকাসিপিড,
এভাবে মনে রাখা যেতে পারে)
৫২. ডান নিলয় থেকে পালমোনারী বা
ফুসফুসীয় ধমনীর ছিদ্রপথে এবং বাম নিলয়
থেকে সৃষ্ট অ্যাওর্টা বা মহাধমনীর মুখের
কপাটিকা দু’টি অর্ধ চন্দ্রাকার বা
সেমিলুনার।
৫৩. হৃদপিণ্ড প্রাচীর তিনটি পৃথক স্তরে গঠিত;
যথা:
এপিকার্ডিয়াম (বাইরের স্তর)
মায়োকার্ডিয়াম
এন্ডোকার্ডিয়াম (ভেতরের স্তর)
৫৪. মায়োকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডের সংকোচনে
সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
৫৫. হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো
এন্ডোকার্ডিয়ামে গঠিত (যেহেুতু ভেতরের
স্তর)
৫৬. হৃদপিণ্ড সাধারণ অবস্থায় মিনিটে ৭০-৮০
বার হৃদস্পন্দন দেয়। সংকোচন কে বলে
সিস্টোল ওবং প্রসারণকে বলে ডায়াস্টোল
(সংকোচন=স=সিস্টোল, এভাবে মনে রাখা
যেতে পারে)
৫৭. রক্তের গতিপথ:
প্রথমে সারা দেহ থেকে অক্সিজেন কম
থাকার রক্ত মহাধমনী দিয়ে ডান অলিন্দে
প্রবেশ করে, এরপর ডান নিলয়ে যায়, এরপর
পালমোনারী বা ফুসফুসীয় ধমনী দিয়ে
ফুসফুসে যায়, সেখানে রক্তে অক্সিজেন
যুক্ত হয়।
এরপর অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে
পালমোনারী বা ফুসফুসীয় শিরা দিয়ে বাম
অলিন্দে প্রবেশ করে, পরে বাম নিলয়ে
যায়, এরপর মহাধমনী দিয়ে সারা দেহে যায়
ও কৈশিক জালিকায় গিয়ে শেষ হয়।
(অলিন্দের সাথে যুক্ত রক্তনালিকা শিরা, আর
নিলয়ের সাথে সংযুক্ত রক্তনালিকা ধমনী)
৫৮. হৃদস্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার
বা গড়ে ৭৫ বার, এভাবে হিসেবে করলে
প্রতিটি হৃদস্পন্দনের স্থায়িত্ব ০.৮ সেকেন্ড।
৫৯. কার্ডিয়াক চক্র:
অলিন্দের ডায়াস্টোল = ০.৭ সেকেন্ড
অলিন্দের সিস্টোল = ০.১ সেকেন্ড
নিলয়ের সিস্টোল = ০.৩ সেকেন্ড
নিলয়ের ডায়াস্টোল = ০.৫ সেকেন্ড
৬০. ধমনী হচ্ছে নিলয় হতে সৃষ্ট এবং কৈশিক
জালিকায় গিয়ে শেষ হওয়া রক্ত নালিকা যা
অধিকাংশ সময় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত বহন করে,
(পালমোনারী ধমনী ব্যতিক্রম)। অন্য দিকে
শিরা কৈশিক জালিকা থেকে সৃষ্টি হয়ে
অলিন্দে এসে যুক্ত হয় যা বেশির ভাগ
অক্সিজেন কম থাকা রক্ত বহন করে,
(পালমোনারী শিরা ব্যতিক্রম)।
৬১. ধমনী প্রাচীর তিন স্তর বিশিষ্ট, যথা:
টিউনিকা এক্সটার্না – বাইরের স্তর –
যোজক কলায় গঠিত
টিউনিকা মিডিয়া – মাঝের স্তর –
পেশীতন্তু নির্মিত
টিউনিকা ইন্টিমা – ভেতরের স্তর –
এন্ডোথেলিয়ালে গঠিত
৬২. শিরার প্রাচীর সংখ্যাও ৩, কিন্তু তা
স্থিতিস্থাপক নয়।
৬৩. কৈশিক জালিকা : শুধুমাত্র একস্তর
বিশিষ্ট এন্ডোথেলিয়ালে গঠিত খুবই সূক্ষ্ম
রক্ত বাহিকা, যেখানে সহজে অক্সিজেন
কোষে প্রবেশ করতে পারে, ও কোষ থেকে
কার্বন ডাই অক্সাইড কৈশিক জালিকায়
প্রবেশ করতে পারে।
৬৫. মানবদেহে প্রধানত দু’ধরনের রক্তসংবহন
চক্র রয়েছে। যথা:
সিস্টেমিক সংবহন চক্র: দেহ থেকে
অক্সিজেন কম থাকা রক্ত হৃদপিণ্ডে আসে ও
অক্সিজেন সমৃদ্ধ হয়ে আবার দেহে রক্ত
পৌছায়।
পালমোনারী সংবহন চক্র: হৃদপিণ্ড থেকে
অক্সিজেন কম থাকা রক্ত ফুসফুসে নিয়ে
অক্সিজেন সমৃদ্ধ করে আবার হৃদপিণ্ডে
নিয়ে আসে (পরে তা হৃদপিণ্ড সিস্টেমিক
সংবহনের মাধ্যমে সারা দেহে পাঠায়)।
৬৬. পোর্টাল তন্ত্র: প্রধান দু’টো সংবহন চক্র
ছাড়ায় রক্ত কিছুটা পার্শ্বপথ অনুসরণ করে।
এক্ষেত্রে শিরা হৃদপিণ্ডে না গিয়ে মাধ্যমিক
অঙ্গে প্রবেশ করে সেখানে আবার কৈশিক
জালিকায় বিভক্ত হয়ে আবার শিরা গঠন করে।
এরপর রক্ত হৃদপিণ্ডে পৌছায়। প্রধানত দু’ধরনের
পোর্টাল তন্ত্র রয়েছে:
হেপাটিক: যকৃতে ঘটে
রেনাল: বৃক্কে ঘটে
৬৭. হৃদপিণ্ডের হৃদপেশীতে রক্ত সঞ্চালনকারী
সংবহনকে করোনারী রক্ত সংবহন বলে।
৬৮. রক্ত প্রবাহের সময় ধমনীর প্রাচীরে
প্রবাহের দিকের সাথে লম্বভাবে পার্শ্বচাপ
সৃষ্টি হয়, একে রক্ত চাপ বলে।
৬৯. সুস্থ প্রাপ্তবয়ষ্ক পুরুষে সিস্টোলিক চাপ
প্রায় ১২০ মিমি পারদ স্তম্ভের সমান।
ডায়াস্টোলিক চাপ প্রায় ৮০ মিমি পারদ
স্তম্ভ।
৭০. কোন ব্যক্তির রক্তচাপ সিস্টোলিক
অবস্থায় ১৬০ মিমি পারদস্তম্ভ বা এর চেয়ে
বেশি হয় এবং ডায়াস্টোলিক অবস্থায় ৯৫
মিমি পারদস্তম্ভের বা এর চেয়ে বেশি হয়,
তবে এই অবস্থাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে।
৭১. কৈশিক জালিকার প্রাচীর ভেদ করে
রক্তের কিছু উপাদান কোষের চারপাশে
অবস্থান করে যাদের “কলারস” বলা হয়।
কলারসে লোহিত কণিকা, অণুচক্রিকা,
প্লাজমা প্রোটিন থাকে, সাধারণত
শ্বেতকণিকা থাকে। এই কলারস কৈষিক
জালিকা ছাড়াও আর এক ধরনের বদ্ধ নালী
দ্বারা গৃহীত ও পরিবাহিত হয়ে পুনরায় রক্তে
ফিরে আসে। এই নালীগুলোকে লসিকা নালী
বলে এবং বহনকারী স্বচ্ছ কলারসকে লসিকা
বলে।
৭২. লসিকার আপেক্ষিক গুরুত্ব = ১.০১৫১ (রক্তের
ক্ষেত্রে ১.০৬৫)
৭৩. লসিকা নালীর ছাঁকনি হিসেবে কাজ করে
লসিকা গ্রন্থি যা বিভিন্ন জীবাণু ও ক্ষতিকর
কোষের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে।
৭৪. লসিকানালী হতে প্রতিদিন প্রায়
১২০০-২২৮০ মিমি লসিকা নির্গত হয়।

বাংলা সাহিত্যের সকল প্রথম

১) বাংলা গদ্যের জনক = ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ২) বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ =উইলিয়াম কেরি। ৩) বাংলা গদ্য রীতির প্রবর্তক =প্রমথ চৌধুরী। ৪) বাংলা গদ্য ছন্দের প্রবর্তক =রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৫) বাংলা সাহিত্যে মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক = রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৬) বাংলা ছোট গল্পের জনক = রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ৭) বাংলা মুদ্রন শিল্পের জনক = চার্লস উইলকিনস। ৮) সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন = চার্লস উইলকিনস। ৯) বাঙ্গালিদের মধ্যে সর্বপ্রথম বাংলা অক্ষর খোদাই করেন = পঞ্চানন কর্মকার। ১০) বাংলা বর্ণমালা স্থায়ী রূপ লাভ করে = ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বারা। ১১) সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলা পত্রিকার নাম = দিকদর্শন, ১৮১৮ সালের এপ্রিলে প্রথম প্রকাশিত। ১২) সর্বপ্রথম প্রকাশিত বাংলাদেশি পত্রিকার নাম = রংপুর বার্তাবহ; রংপুর থেকে প্রকাশিত। ১৩) উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা আমদানি করে = পর্তুগিজরা। ১৪) উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানায় মুদ্রিত বইয়ের নাম = কণুকসোজ (পর্তুগিজ ভাষায় রচিত)। ১৫) উপমহাদেশের প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় = ১৪৯৮ সালে। ১৬) ঢাকায় প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় = ১৮৬০ সালে। ১৭) ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ = নীলদর্পণ (১৮৬০)। ১৮) বাংলায় মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থের নাম = রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র। ১৯) মুসলমান সম্পাদিত প্রথম পত্রিকা = সমাচার সভারাজেন্দ্র। ২০) বাংলা দৈনিকের প্রথম মহিলা সাংবাদিক = লায়লা সামাদ। ২১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম বাংলা গদ্য লেখক = শামসুদ্দিন মুহম্মদ সিদ্দিকী। ২২) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম বাংলা গদ্য লেখিকা= বিবি তাহেরন নেছা। ২৩) বাইবেলের প্রথম অনুবাদক = উইলিয়াম কেরি। ২৪) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা = ম্যানওয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁও (পর্তুগিজ পাদ্রী)।

সাধারন জ্ঞান

★ অামিষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি—শুটকী মাছ। ★ হাড় ও দাতকে মজবুত করে — ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। ★ কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান —লৌহ উপাদানের জন্য। ★ সুষম খাদ্যের উপাদান – ৬ টি। ★ প্রোটিন বেশি থাকে — মসুর ডালে। ★ চা পাতায় থাকে — ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। ★ ম্যালিক এসিড — টমেটোতে পাওয়া যায়। ★ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে — ভিটামিন কে। ★ খিটামিন সি হলো — অ্যাসকরবিক এসিড। ★ তাপে নষ্ট হয় — ভিটামিন সি। ★ গলগল্ড রোগ হয় — অায়োডিনের অভাবে। ★ মানবদেহ গঠনে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি— অামিষের। ★ অায়োডিন বেশি থাকে — সমুদ্রের মাছে। ★ কচু খেলে গলা চুলকায়, কারণ কচুতে অাছে– ক্যালসিয়াম অক্সালেট। ★ রাতকানা রোগ হয় — ভিটামিন এ এর অভাবে। ★ মুখে ও জিহবায় ঘা হয় — ভিটামিন বি₂ এর অভাবে। ★ পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন –ভিটামিন বি ও সি। ★ শিশুদের রিকেটাস রোগ হয় — ভিটামিন ডি এর অভাবে। ★ মিষ্টি কুমড়া — ভিটামিন জাতীয়খাদ্য। ★ মিষ্টি অালু — শ্বেতস্বার জাতীয়খাদ্য। ★ শিমের বিচি — অামিষ জাতীয়খাদ্য। ★ দুধে থাকে — ল্যাকটিক এসিড। ★ অায়োডিনের অভাবে — গলগন্ড রোগ হয়। ★ লেবুতে বেশি থেকে — ভিটামিনসি। ★ অামলকী, লেবু, পেয়ারা ভিটামিনের উৎস– ভিটামিন সি। ★ সর্বাধিক স্নেহ জাতীয় পদার্থ বিদ্যমান– দুধে। ★ রক্তশূন্যতা দেখা দেয় — অায়রনের অভাবে। ★ দুধের রং সাদা হয় — প্রোটিনেরজন্য। ★ ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম – অ্যাসকরবিক এসিড। ★ প্রোটিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় – অ্যামাইনোএসিড। ★ কচুশাকে বেশি থাকে — লৌহ। ★ সুষমখাদ্যে শর্করা, অামিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত — ৪:১:১। ★ সবুজ তরিতরকারিতে সবচেয়ে বেশি থাকে– খনিজ পদার্থ ও ভিটামিন।

Part-2


প্রশ্ন: সবচেয়ে সরু দেশ কোনটি ?
চিলি (দৈর্ঘ্য ৬,১৫৫ কিমি ) ।
প্রশ্ন: পৃথিবীর সব সর্ব দক্ষিনের শহর
কোনটি ?
পুন্টা আরেনাস , চিলি ।
প্রশ্ন: সর্বাধিক দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশ
কোনটি ?
ইন্দনেশিয়া (১৩,৫০০ টি) ।
প্রশ্ন: ইন্দনেশিয়ার কতটি দ্বীপে মানব
বসতি আছে ?
প্রায় ৬,০০০ টি ।
প্রশ্ন: সবচেয়ে বেশি নিরপেক্ষ দেশ
কোনটি ?
সুইজারল্যান্ড ।
প্রশ্ন: কোন দেশ আন্তর্জাতিক ভাবে কোন
যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন নি ?
সুইজারল্যান্ড ।
প্রশ্ন: সুইজারল্যান্ড কবে জাতিসংঘের
সদস্য পদ গ্রহন করে ?
১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২ সালে ।
প্রশ্ন: বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ
কোনটি ?
চীন (পৃথিবের মোট জনসংখ্যার ২৩%) ।
প্রশ্ন: বিশ্বের ক্ষুদ্রতম প্রজাতন্ত্র কোনটি
নাউরু (আয়তন ২১ বর্গ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি ?
ভ্যটিকান সিটি (১০৮.৭ একর ) ।
প্রশ্ন: বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্ত কোন দুটি
দেশের ?
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা (৬,৪১৬ কি.মি. ,
আলাস্কার ২৫৪৭ কি.মি. ছাড়াই ) ।
প্রশ্ন: দ্বিতীয় দীর্ঘতম সীমান্ত কোন দুটি
দেশের ?
আর্জেন্টিনা ও চিলি (৫২৫৫ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: সর্বাধিক লোক অতিক্রমকারী
সীমান্ত কোনটি ?
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত (বছরে
প্রায় ৫০কোটি লোক অতিক্রম করে) ।
প্রশ্ন: সর্বাধিক সীমান্ত বেষ্ঠিত দেশ
কোনটি ?
চীন (১৫দেশের সাথে সীমান্ত)।
প্রশ্ন: পৃথিবীর সংক্ষিপ্ত সীমান্ত
কোনটি ?
জিব্রাল্টার ও স্পেন (১.৫৩ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: দ্বিতীয় ক্ষুদ্র সীমান্ত কোনটি ?
ভ্যাটিকান সিটি ও রোম (৪.০৭ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ
কোনটি ?
রাশিয়া (পৃথিবীর মোট আয়তনের ১১.৫%) ।
প্রশ্ন: কোন দেশের রাজধানীকে বিভক্ত
রাজধানী বলে ?
নেদারল্যান্ড ।
প্রশ্ন: কোন দেশের তিনটি রাজধানী ?
দক্ষিণ আফ্রিকা ।
প্রশ্ন: দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী তিনটি
কি কি ?
প্রিটোরিয়া, কেপটাউন ও ব্লমফনটেন ।
প্রশ্ন: সৌর জগত সবৃ প্রথম কে আবিস্কার
করেন ?
কোপারনিকাস, ১৫৪০ সালে ।
প্রশ্ন: সর্ব প্রথম এভারেষ্ট কে জয় করেন ?
হিলারী তেনজিং, ১৯৫৩ সালে ।
প্রশ্ন: সর্ব প্রথম কোন মহিলা এভারেষ্ট জয়
করেন ?
জনাকো তাবেই, ১৯৭৫ সালে ।
প্রশ্ন: ভারতে গমনের সমুদ্র পথ কে
আবিস্কার করেন ?
ভাস্কো দা গামা ।
প্রশ্ন: প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণ করেন কে ?
ফ্র্রাঙ্ক বরম্যান ও অ্যান্ডারস, ১৬৬৮ সালে

প্রশ্ন: ট্যাঙ্গানিকা হ্রদ কে আবিস্কার
করেন ?
ক্যাপ্টেন জন স্পেক, ১৮৫৬ সালে ।
প্রশ্ন: উত্তর মেরু কে আবিস্কার করেন ?
রবার্ট পিয়েরে, ১৯০৯ সালে ।
প্রশ্ন: দক্ষিণ মেরু আবিস্কার করেন কে ?
ব্রমান্ড সেন, ১৯১২ সালে ।
প্রশ্ন: আমেরিকা আবিস্কার করেন কে ?
ইতালীর নাবিক কলম্বাস, ১৪৯৮ সালে ।
প্রশ্ন: পশ্বিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ কে
আবিস্কার করেন ?
কলম্বাস, ১৪৯২ সালে ।
প্রশ্ন: কে সর্বপ্রথম পালের নৌকায় বিশ্ব
ভ্রমণ করেন ?
ম্যাগিলান, ১৫১৯ সালে ।
প্রশ্ন: প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক
মহাসাগরে গমনের পথ কে আবিস্কার
করেন ?
ম্যাগিলান ।
প্রশ্ন: ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত কে
আবিস্কার করেন ?
ডেভিড লিভিংস্টোন ।
প্রশ্ন: গ্রীনল্যান্ড কে আবিস্কার করেন ?
এরিক দি রেড ভাইকিং, ৯৮২ সালে ।
প্রশ্ন: অস্ট্রেলিয়া কে আবিস্কার করেন ?
উইলিয়াম জ্যাকসন, ১৯০৬ সালে ।
প্রশ্ন: আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ
কোনটি ?
রাশিয়া ।
প্রশ্ন: হংকং বর্তমানে কোন দেশের সাথে
একভূত হয়েছে ?
চীন ।
প্রশ্ন: বিশ্বে সবচেয়ে বেশি লোক কথা
বলে কোন ভাষায় ?
চাইনিজ মান্দারিন ভাষায় ।
প্রশ্ন: বাংলাদেশ ছাড়া আর কোন দেশে
পয়সা ক্ষুদ্রতম মুদ্রা ?
মায়ানমার ।

Right Form of Verbs (Rules of using verbs)

ইংরেজি ভাষায় একটি Sentence এ ব্যবহূত প্রতিটি word-ই কোনো না কোনো কাজ করে থাকে। প্রতিটি word-এর মধ্যে Verb সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত যে word দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া, থাকা, বোঝায় তাকে verb বলে। Verb is the heart of Sentence. তাই Verb কে বাক্যের প্রাণ বলা হয়ে থাকে। Latin শব্দ verbal থেকে এই শব্দটির উৎপত্তি। বাক্য গঠনশৈলীতে Noun-এর পরই Verb এর স্থান। এই Verb, Noun, Pronoun এবং Object কে বিশেষভাবে গতিশীল করে রাখে। Verb ছাড়া কোনো Sentence তৈরি করা যায় না। Verbগুলো সাধারণত Voice, Tense, Mood, Narrarion and Sentence পরিবর্তনে সহায়তা করে থাকে। একটি Sentence এ দুই ধরনের Verb ব্যবহূত হতে পারে। যেমন, Principal verb and Auxiliary verb. Principal Verb: যে Verb-এর নিজস্ব অর্থ থাকে না, বিভিন্ন প্রকাশের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে Principal Verb বলে। Example : Rana writes an application. Auxiliary Verb : যে verb-এর নিজস্ব অর্থ থাকে না, বিভিন্ন প্রকার Sentence অথবা Tense, Voice বা Mood-এর রূপ গঠনের জন্য অন্য verb কে সাহায্য করে থাকে তাকে Auxiliary Verb বলে। Example : Rana is writing an application. মনে রাখতে হবে যে কোনো কোনো সময় একই verb, principle and Auxiliary দুভাবেই ব্যবহূত হতে পারে। যেমন, I am a student. এখানে ‘am’ Principle verb. আবার, I am writing a letter. এখানে ‘am’ Auxiliary verb. Principle Verb and Auxiliary Verb ছাড়াও Finite Verb, Non-Finite Verb, Transitive Verb and Intransitive Verb রয়েছে, এগুলো গঠনের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। Rule-1: Sentence যদি Present Indefinite tense হয় এবং Subject Third Person singular number হয়, তবে verb-এর সঙ্গে s/es যুক্ত হবে। She (write) a letter. Ans : She writes a letter. The baby (cry). Ans : The baby cries. The boy (go) — to school regularly. Ans: The boy goes to school regularly. The boy does not (go) — to school daily. Ans: The boy does not go to school daily. The boy generally (go) — to college at 8 a.m. Ans: The boy generally goes to college at 8 a.m. Try yourself : Mr. Khan (go) — abroad every month. His father (come) — home every week. Rule-2: Present indefinite tense-এ Subject third person singular number হওয়া সত্ত্বেও can, must, should-এর পরে verb-এর সঙ্গে s/es যোগ হবে না। The man can (do) — the work. Ans: The man can do the work. She must (come) — to her office in time. Ans: She must come to her office in time. The student should (learn) — his lessons regularly. Ans: The student should learn his lessons regularly. Try yourself : He can (walk) — five miles at a time. The girl must not (go) — to college on foot. Rule-3: Sentence যদি universal truth (চিরন্তন সত্য) , Habitual fact (অভ্যাসগত কর্ম) ইত্যাদি বোঝায় তাহলে sentenceটি Present Indefinite Tense হয়। যেমন, The earth (move) — round the sun. Ans: The earth moves round the sun. The sun (rise) — the east. Ans: The sun rises in the east. The sun (set) — the west. Ans: The sun sets in the west. Try yourself : We know that ice (float) — water. The teacher said that the earth (be) — round. Rule-4: কোনো Sentence-এ যদি sometimes, often, always, regularly, daily, everyday, usually, generally, normally, ordinarily, occasionally ইত্যাদি থাকে এবং নিদিষ্ট কোনো সময়ের উল্লেখ না খাকে, তবে Sentenceটি Present Indefinite হবে। Usually father (walk) in the morning. Ans : Usually father walks in the morning. He (get) up early in the morning everyday. Ans : He gets up early in the morning everyday. Anwar sometimes (work) in his flower garden. Ans : Anwar sometimes works in his flower garden. Sabiha (learn) — her lessons regularly. Ans: Sabiha learns her lessons regularly. He always (disturb) — the students. Ans: He always disturbs the students. A good student (learn) — his lessons regularly. Ans: A good student learns his lessons regularly. Try yourself : Rahman very often (come) — me. Does he (read) — the newspaper daily? Rule-5: বর্তমানে চলছে এমন কোনো কাজ বোঝালে present Continuous Tense হয়। (এসব ক্ষেত্রে সাধারণত Now, at present, at this moment ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়)। Now the students (sing) — the national anthem. Ans: Now the students are singing the national anthem. The boys (watch) — the television now. Ans: The boys are watching the television now. They (enjoy) — a song now. Ans: They are enjoying a song now. Try yourself : They (watch) — TV at this moment. The farmer (cultivate) — his land now. Rule-6: Sentence-এ have/has থাকলে Sentenceটি present perfect Tense হবে। যেমন, She has (write) — a letter to her mother. Ans: She has written a letter to her mother. I have (have) — my meal. Ans: I have had my meal. She had (have) — her letter. Ans: She had had her letter. Try yourself : Have you ever (be) — to the zoo? Colombus has (discover) — America. Rule-7: কোনো Sentence-এ যদি already, yet, ever, just, just now, recently, lately, recently, today, this week/year, in the mean time, never, ever ইত্যাদি যুক্ত থাকে, তাহলে Sentenceটি Present perfect tense হবে। Have you ever (be) to Cox-Bazar? Ans : Have you ever been to Cox-Bazar? I (receive) the letter just now. Ans : I have received the letter just now. He (join) there recently. Ans : He has joined there recently. I (not see) you this week. Ans : I have not seen you this week. Rabeya (take) — her dinner just now. Ans: Rabeya has taken her dinner just now. I (see) — him recently. Ans: I have seen him recently. He already (reach) — home. Ans: He has already reached home. Try yourself : Have you ever (be) — to the zoo? Have you not (receive) — my letter yet? Rule- 8: Sentence-এ each, every, everyone, anyone, any, many a, everybody, every thing, anybody, nobody, no one, nothing, anything, something, someone, one of, either, neither ইতাদি থাকলে verb-এর Singular Number হয়। যেমন, Every mother (love)__ her child. Ans: Every mother loves her child. One of the students (be)__ very brilliant. Ans: One of the students is/was very brilliant. Each of the boys (be)__present yesterday. Ans: Each of the boys was present yesterday. Try yourself : Many a boy (ruin)__his career through laziness. Neither of the two boys (be) ….. present today. Rule- 9: একই দৈর্ঘ্য পরিমাণ বা স্থান বোঝালে Subject দেখতে Plural হলেও verb-এর Singular Number হয়। Previously fifty miles (be) — a long way. Ans: Previously fifty miles was a long way. Twenty miles (be) — not a great distance now a days. Ans: Twenty miles is not a great distance now a days. Sixty cents (be) — was enough for him. Ans: Sixty cents is/was was enough for him. Try yourself: Twenty dollars (be) — not sufficient in time. Fifty cents (be) — enough at that time. Rule-10: Yesterday, ago, long since, long before, last night, last weak, last month, day before yesterday ইত্যাদি অতীত সূচক শব্দ বা Phrase sentence-এ থাকলে Past Indefinite tense অর্থাৎ Verb-এর Past form হয়। I (draw) a picture yesterday. Ans : 1 drew a picture yesterday. I (get) the parcel last month. Ans : I got the parcel last month. You (visit) there long before. Ans : You visited there long before. The boy (go) — home yesterday. Ans: The boy went home yesterday. She did not (go) — to college yesterday. Ans: She did not go to college yesterday. Did he (come) — home yesterday? Ans: Did he come home yesterday? Try yourself : The man (go) — London last week. He (leave) — home last night. Rule-11: সাধারণত tomorrow, the after tomorrow, next, in future, in the time to come ইত্যাদি ভবিষ্যৎ নির্দেশক বাক্য word/phrase থাকলে verb-এর future indefinite tense হয়। যেমন: We (not go) there in future. Ans : We shall not go there in future. Neela (come) from Dhaka the day after tomorrow. Ans : Neela will come from Dhaka the day after tomorrow. Rule-12: Before দ্বারা দুটি Past tense যুক্ত থাকলে before-এর আগের অংশে Past perfect tense-এর পরের অংশ Past Indefinite tense হয়। We (reach) our school before the bell rang. Ans : We had reached our school before the bell rang. The patient had died before the doctor (come). Ans : The patient had died before the doctor came. Rule-13: After দ্বারা দুটি Past tense যুক্ত থাকলে এর আগের অংশ Past Indefinite tense এবং পরের অংশ Past perfect tense হয়। They arrived the station after the train (leave). Ans : They arrived the station after the train had left. The patient (die) after the doctor had come. Ans : The patient died after the doctor had come. Rule-14: No sooner had — than, Scarcely had — when, Hardly had — when: প্রথম অংশ Past perfect tense অনুযায়ী হয় অর্থাৎ Verb-এর Past participle form হবে। দ্বিতীয় অংশ Past Indefinite tense অনুযায়ী হয় অর্থাৎ Verb-এর Past form হয়। No sooner had the bell (ring) than the teacher (enter) the classroom. Ans : No sooner had the bell rung than the teacher entered the classroom. Scarcely had he (arrive) at the bus stand when the bus (leave). Ans : Scarcely had he arrived at the bus stand when the bus left. Hardly had the snatcher (take) the chain when he (run) away. Ans : Hardly had the snatcher taken the chain when he ran away. Rule-15: সাধারণত Since দ্বারা দুটি Clause যুক্ত থাকলে এবং Since-এর আগের অংশ Present Indefinite/Present perfect tense হলে পরের অংশ Past Indefinite tense হয়। যেমন: It is many years since he (give) up smoking. Ans : It is many years since he gave up smoking. Five years have passed since he (leave) the house. Ans : Five years have passed since he left the house. Rule-16: আবার Since দ্বারা Clause যুক্ত থাকলে এবং Since-এর আগে Clause বা বাক্যের অংশ Past Indefinite tense হলে পরের অংশ Verb-এর Past perfect tense হয়। Many years passed since I (meet) him last. Ans : Many years passed since I had met him last. It was many years since I (visit) there. Ans : It was many years since I had visited there. Rule-17: Passive voice-এ সর্বদা Verb-এর Past participle form হয়। This work was (do) by him. Ans : This work was done by him. The problem has been (solve) by him. Ans : The problem has been solved by him. The school was (close) for sine die. Ans : The school was closed for sine die. Rule-18: Simple Sentence-এ দুটি Verb থাকলে দ্বিতীয় Verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয় অথবা দ্বিতীয় Verb টির আগে to বসে। He saw the boy (play) in the field. Ans : He saw the boy playing in the field. I heard him (speak). Ans : I heard him speaking. He helps me (make) the house. Ans : He helps me making the house. Note :দ্বিতীয় Verb টি যদি উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহূত হয়, তবে দ্বিতীয় Verb-এর আগে to বসে। I went to the library (read) newspaper. Ans : I went to the library to read newspaper. He repaired the boat (sell) it. Ans : He repaired the boat to sell it. Rule-19: Sentenceটি Active Voice হলে can, could, may, might, shall, should, will, would, must, need, dare, used to, ought to প্রভৃতি Modal Auxiliary Verb-এর পরে present form হয়। যেমন, He can (do) it easily. Ans : He can do it easily. Everybody should (respect) his parents. Ans : Everybody should respect his parents. It may (rain) today. Ans : It may rain today. The boy can (work out) — the sum. Ans: The boy can work out the sum. He could not (eat) — all the mangoes. Ans: He could not eat all the mangoes. You must (do) — your duty properly. Ans: You must do your duty properly. Try yourself : It may (rain) — today. One should (take) — care of one’s health. Rule-20: Sentenceটি Passive Voice হলে can, could, may, might, shall, should, will, would, must, need, dare, used to, ought to প্রভৃতি Modal Auxiliary Verb-এর পরে be+ Verb-এর past participle form হয়। যেমন, The work can (do) — immediately. Ans: The work can be done immediately. All the mangoes could (eat) — Ans: All the mangoes could be eaten. Your duty must (perform) — very soon. Ans: Your duty must be performed very soon. Try yourself : It can not (deny) — The English book will (buy) — tomorrow. Rule-21: সাধারণত Sentence-যদি ভবিষ্যৎ নির্দেশক শব্দ বা Phrase যেমন Tomorrow, the day after tomorrow, in future, next ইত্যাদি থাকলে Future Indefinite tense হবে এবং Verb-এর Present form বসে। I (go) to Dhaka tomorrow. Ans : I shall go to Dhaka tomorrow. He (join) there the next day. Ans : He will join there the next day. Rule-22: Sentence-এর Subject Singular Number হলে Verb Singular হয় এবং Subject Plural হলে Verb plural Number হয়। The flowers of the garden (to be) beautiful. Ans : The flowers of the garden are beautiful. These papers (to be) printed. Ans : These papers are printed. Rule-23: মূল Verb-এর আগে to be /having/got থাকলে Verb-এর Past participle form হয়। I do not mind (have) a cup of coffee. Ans : I do not mind having a cup of coffee. He went home (have) his salary. Ans : He went home having his salary. The thief ran away having (see) — the policeman. Ans: The thief ran away having seen the policeman. The Principal desired the notice to be (hang)—. Ans: The Principal desired the notice to be hung. The work is to be (do) — immediately. Ans: The work is to be done immediately. Try yourself : I got the letter (write) — by him. Having (do) — his duty he went out. Rule-24: সাধারণত It is time, It is high time, wish, fancy ইত্যাদির পরে Subject ও bracket এ মূল Verb থাকলে Verb-এর Past form হয়। It is time you (finish) a course on English language. Ans : It is time you finished a course on English language. I wish I (sing). Ans : I wish I sang. I wish I (win)__ the first prize in the lottery. Ans: I wish I won the first prize in the lottery. I fancy I (fly)__ among the stars. Ans: I fancy I flew among the stars. Try yourself : I wish I (be)__a rich man. It is time we (earn)__our livelihood. আবার, It is time, It is high time, এর পর যদি bracket এ মূল Verb থাকে, তবে ওই এর আগে to বসবে এবং ওই অপরিবর্তিত থাকবে। যেমন: It is time (play). Rule-25: ব্রাকেটে (be) থাকলে person, number এবং tense অনুযায়ী am/is/are/was/were/been হবে Allah (be) — everywhere. Ans: Allah is everywhere. It (be) — twenty years ago. Ans: It was twenty years ago. One of my friends (be) — a good student. Ans: One of my friends is/was a good student. Try yourself : The tickets of the journey (be) — very costly. The people of this village (be) — very poor ago. Rule-26: As if, as though, wish ইত্যাদি থাকলে Subject-এর পরে be verb-এর পরিবর্তে were বসে। He behaves as if he (be) a leader. Ans : He behaves as if he were a leader. I wish I (be) a millionaire. Ans : I wish I were a millionaire. He speaks as if he (be)__ the owner of the farm. Ans: He speaks as if he were the owner of the farm. The man speaks as though he (be)__a leader. Ans: The man speaks as though he were a leader. The man speaks as if he (be) __ a landlord. Ans: The man speaks as if he were a landlord. Try yourself: The man speaks as though he (be) __a rich man. He speaks as if he (be) __ the President of Bangladesh. Rule-27: As if, as though দ্বারা দুটি Clause যুক্ত থাকলে প্রথম Clauseটি Present tense হলে পরবর্তী Clauseটি Past Indefinite হয়। প্রথম Clauseটি Past tense হলে পরের Clauseটি Past perfect tense হয়। He behaves as if he (buy) the car. Ans : He behaves as if he bought the car. He spoke as though he (do) a great task. Ans : He spoke as though he had done a great task. Rule-28: While যুক্ত Sentence-এ While-এর পরে Verb থাকলে Verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয়। আবার While-এর পরে Subject থাকলে While-এর অংশটি Past continuous tense হয়। While (take) dinner, he received the phone. Ans : While taking dinner, he received the phone. While I (play) in the field, I saw him coming. Ans : While I was playing in the field, I saw him coming. While (walk) — in the garden, a snake bit him. Ans: While walking in the garden, a snake bit him. While he (walk) — in the garden, a snake bit him. Ans: While he was walking in the garden, a snake bit him. While it (rain) — , I was going to college. Ans: While it was raining, I was going to college. Try yourself: While (sleep) — in his room, he dreamt a nice dream. My uncle arrived while she (cook) — the dinner. Rule-29: Lest দ্বারা দুটি Clause যুক্ত থাকলে Lest-এর পরবর্তী Subject-এর সঙ্গে Auxiliary verb should/might বসে। Read attentively lest you (fail) in the examination. Ans : Read attentively lest you should fail in the examination. Walk fast lest you (be) late in your class. Ans : Walk fast lest you might be late in your class. Rule-30: Would that দ্বারা Sentence শুরু হলে Subject-এর পরে could বসে এবং মূল Verb-এর Present form হয়। Would that I (be) a bird! Ans : Would that I could be a bird! Would that I (visit) Cox’s Bazar Ans : Would that I could visit Cox’s Bazar! Would that I (go) — to the moon. Ans: Would that I could go to the moon. Would that I (be) — a poet like Nazrul. Ans: Would that I could be a poet like Nazrul. Would that I (enter) — into the class-room. Ans: Would that I could enter into the class-room. Try yourself : Would that I (buy) — a latest car. Would that I (see) — our great Prophet (SM). Rule-31: সাধারণত Each, one of, every, either, neither ইত্যাদি দ্বারা কোনো subject-গঠিত হলে সেটি 3rd person singular number হয়; তাই এদের পরের Verbটিও singular number হয়। যেমন, Each boy (come) here. Ans : Each boy comes here. One of them (to be) guilty. Ans : One of them is guilty. Everybody (wish) to be happy. Ans : Everybody wishes to be happy. Rule-32: Adjective-এর আগে the বসলে subjectটি Plural হয় এবং তদনুযায়ী Verb বসে। The virtuous (to be) blessed. Ans : The virtuous are blessed. The poor (live) from hand to mouth. Ans : The poor live from hand to mouth. Rule-33: Titles, Names, phrase of measurement দেখতে Plural হলে Singular verb হয়। Thirty miles (to be) a long way. Ans : Thirty miles is a long way. Star wars (to be) an excellent movie. Ans : Star wars is an excellent movie. Eight hours (to be) a long time to work. Ans : Eight hours is a long time to work. Rule-34: কোনো Sentence It দ্বারা শুরু হলে পরবর্তী Verb singular হয়। It (to be) difficult to do. Ans : It is difficult to do. It (to be) you .who have done this. Ans : It is you who have done this. Rule-35: কোনো Sentence যদি Introductory There’ দ্বারা শুরু হয় এবং তারপর Singular number থাকে, তবে there-এর Singular verb হয়। আর যদি there-এর পরে Plural Number থাকে, তবে Plural verb হয়। There (to be) a big river beside our village. Ans : There was a big river beside our village. There (to be) a lot of work left for us. Ans : There were a lot of work left for us. Rule-36: Let, had rather, had better, would better, do not, does not, need not, did not, did never ইত্যাদির পরে Verb-এর present form হয়। যেমন, I would rather die than (beg) . Ans : I would rather die than beg. Would you let me (go) there? Ans : Would you let me go there? I let the other boys (use) — my skates. Ans: I let the other boys use my skates. I had better (go) — home by this time. Ans: I had better go home by this time. I need not (do) — the work. Ans: I need not do the work. Try yourself : He did not (go) — to college yesterday. He does not (like) — student-politics. Rule-37: If যুক্ত Clause-এর প্রথম অংশ Present Indefinite tense হলে পরের অংশ Future Indefinite হয় অর্থাৎ Structureটি হয় অর্থাৎ [If +Present Indefinite +Future Indefinite]— If you work hard, you (prosper) In life. Ans : If you work hard, you will prosper In life. If he reads more he (pass) In the examination. Ans : If he reads more, he will pass in the examination. If you walk slowly, you (miss) — the train. Ans: If you walk slowly, you will miss the train. If you run in the rain, you (catch) — cold. Ans: If you run in the rain, you will catch cold. Try yourself : I will not go out, if it (rain) — If he (come) — here, I will go there with him. Rule-38: If যুক্ত Clause-এর প্রথম অংশ Indefinite tense হলে পরের অংশ Subject-এর পরে Would/ could/might বসে এবং Verb-এর Present form হয়। অর্থাৎ, Structureটি হয়— If + past indefinite + (subject + would/could/might +verb-এর Present form) If he agreed, I (give) the money. Ans : If he agreed, I would give the money. If you studied, you (get) a good result. Ans: If you studied, you would get a good result. Rule-39: If যুক্ত Clause-এর প্রথম অংশ Past perfect tense হলে পরের অংশ Subject-এর পরে Would have/could have/might have বসে এবং Verb-এর Past participle form হয়। If you had finished it sincerely, you (get) a profit. Ans : If you had finished it sincerely, you would have got a profit. If I had possessed vast wealth, I (help) the poor people. Ans : If I had possessed vast wealth, I would have helped the poor people. If he had met his teacher, he (solve) the problems. Ans : If he had met his teacher, he would have solved the problems. Rule-40: To-এর পরে Verb-এর present form হয়। যেমন, She went to New Market to (buy) — a dress. Ans: She went to New Market to buy a dress. We have come here to (see) — his ailing mother. Ans: We have come here to see his ailing mother. The man said to the porter to (carry) — the load. Ans: The man said to the porter to carry the load. Try yourself : You need to (go) — there. We have to (realize) — the importance of English. Rule-41:To ব্যতীত Preposition-এর পরের Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। He is now engaged in (read). Ans : He is now engaged in reading. One can gather knowledge by (travel). Ans : One can gather knowledge by traveling. Rule-42: Can not help, could not help, look forward to, with a view to, get used to, mind , would you mind, worth, past ইত্যাদির পরে Verb-এর সঙ্গে ing যুক্ত হয়। He came to Dhaka with a view to (find) a job. Ans : He came to Dhaka with a view to finding a job. I cannot help (laugh). Ans : I cannot help laughing. I went there with a view to (read) — there. Ans: I went there with a view to reading there. I am looking forward to (get) — your reply. Ans: I am looking forward to getting your reply. I looked forward to (stand) — first in the class. Ans: I looked forward to standing first in the class. Would you mind (give) — me a pen ? Ans: Would you mind giving me a pen ? I can not help (do) — the work. Ans: I can not help doing the work. He could not help (help) — the poor. Ans: He could not help helping the poor. Try yourself : They become addicted to (take) — drugs. We went to Cox’s Bazar with a view to (see) — the sea shore. She never mind (have) — ice cream. He could not help (sell) — his land. Rule-43: কোন Sentence-এর শুরুতে Subject-এর স্থানে Verb থাকলে Verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয়। (To swim) is a good exercise. Ans : Swimming is a good exercise. (To speak) is an art. Ans : Speaking is an art. Rule-44: By-এর পরে Verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয়। যেমন, He expressed his grief by (say) — that the thief had stolen his watch. Ans: He expressed his grief by saying that the thief had stolen his watch. Answer the questions by (write) — one point of information. Ans: Answer the questions by writing one point of information. By (dig) — a deeper hole, Jerry planted a tree. Ans: By digging a deeper hole, Jerry planted a tree. Try yourself : No student can pass the examination by (adopt) — unfair means in the examination. By (be) — conscious of a language one can develop his ‘explicit’ learning. Rule-45: lf/Had যুক্ত clauseটি Past Indefinite Tense হলে অপর clause-এর Subject-এর পরে would/ could/might বসে এবং Verb-এর Present Form বসে। যেমন, If he requested me, I (go) __there. Ans: If he requested me, I would go there. If I were a rich man, I (help)__the poor. Ans: If I were a rich man, I would help the poor. If I were the President, I (remove)__ the terrorism. Ans: If I were the President, I would remove the terrorism. Try yourself : Had I much money, I (establish)__a college. Had I the wings of a bird, I (fly)__ like a bird. Rule-46: Sentence-এ lf/Had যুক্ত clauseটি Past perfect Tense হলে অন্য অংশটিতে Subject-এর পরে অর্থভেদে would have/could have/might have বসে এবং verb-এর past participle হয়। If he had invited, I (go)__. Ans: If he had invited, I would have gone. If I had been a rich man, I (help)__the poor. Ans: If I had been a rich man, I would have helped the poor. Try yourself : We would have come, if he (invite)__. If you had stated earlier, you (catch)__the bus. Rule-47: If যুক্ত Clause-এর প্রথমটিতে Subject-এর পর were থাকলে দ্বিতীয় অংশে Subject-এর পরে Would/ could/ might বসে এবং Verb-এর Present From বসে। আবার, Would have/could have/would haveও বসতে পারে। সে ক্ষেত্রে Verb-এর Past participle form বসে। If I were an artist, I (draw) a nice picture. Ans : If I were a child, I would draw a nice picture. If I were a billionaire, I (establish) a hospital for the poor. Ans : If I were a billionaire, I would establish a hospital for the poor. Had-এর পরে Subject এবং Verb-এর Past participle থাকলে পরবর্তী Clause-এর Subject-এর পরে Would have/could have/might have + verb-এর Past participle form বসে। Had I been a teacher, I (talk) the real story to my students. Ans : Had I been a teacher, I would have talked the real story to my students. Rule-48: Verb ‘to be’ বিহীন Sentenceকে Negative বা Interrogative করতে হলে tense ও Subject-এর number ও person অনুসারে do, does, did ব্যবহার করতে হবে। We not (play) Ha-du-du. Ans : We do not play Ha-du-du. She not (play) football. Ans : She does not play football. He not (come) home yesterday. Ans : He did not come home yesterday. Rule-49: সাধারণত Preposition (on, in of, for, from, by, after at, beyond, upon, against, with, without, before ইত্যাদি) এর পরে verb-এর সঙ্গে ing যোগ হয়। যেমন: Rina is busy in (do) her home work. Ans : Rina is busy in doing her homework. Helen is neglected for (speak) foolishly. Ans : Helen is neglected for speaking foolishly. Keep on (try) hard. Ans : Keep on trying hard. I don’t believe in (overload) — my stomach. Ans: I don’t believe in overloading my stomach. I had never thought of (go) — there. Ans: I had never thought of going there. I could not live without (help) — the poor. Ans: I could not live without helping the poor. Try yourself : After (do) — the work I will go out. The porter came here for (do) — the work. Rule-50: Interrogative sentence যদি who, what, why, which, when, where, whose, how ইত্যাদি question word দিয়ে শুরু হয় তাহলে subject-এর আগে tense ও person অনুযায়ী auxiliary verb ব্যবহার করতে হবে। Why he (look) so happy? Ans : Why does he look so happy? When father (come)? Ans : When will father come? What you (say)? Ans : What do you say? Rule-51: সাধারণত নিচের verb-গুলোর পরে gerund বসে। যেমন: admit, enjoy, report, appreciate, finish, recent, avoid, mind, resist, miss, resume, consider, postpone, risk, delay, practise, suggest, escape, imagine, save, recall, prevent, propose, stop, deny, quit ইত্যাদি। We enjoy (watch) TV. Ans: We enjoy watching TV. I have finished (writing). Ans: I have finished writing. Students have finished (write) the exam. Ans: Students have finished writing the exam. Rule-52: ‘Since’ বা ‘for’-এর পরে সময় উল্লেখ থাকলে sentenceটি present perfect Continuous Tense হবে। যেমন, It (rain) — for two hours. Ans: It has been raining for two hours. It (rain) — since the morning. Ans: It has been raining since the morning. We (live) — in Dhaka since 1986. Ans: We have been living in Dhaka since 1986. Try yourself : They (live) — Dhaka for 20 years. She (wait) — you for two hours. Rule-53: Main Clause-এর Verbটি Past Tense-এর হলে এবং পরের অংশে next day, next week, next month, next year ইত্যাদি উল্লেখ থাকলে Subject-এর পরে would/should বসে এবং Verb-এর Present Form হয়। He said that he (go) — home the next day. Ans: He said that he would go home the next day. He told that he (come) — here the next year. Ans: He told that he would come here the next year. He said that he (buy) — a new TV the next day. Ans: He said that he would buy a new TV the next day. Try yourself : She said that she (sell) — her land the next month. The man said that he (go) — to London the next day. Rule-54: After-এর পরে এবং before-এর আগের clauseটি past perfect tense হয় এবং অন্য clauseটি past indefinite tense হয়। The doctor (come) — before the patient came. Ans: The doctor had come before the patient came. The doctor came after the patient (die)__. Ans: The doctor came after the patient had died. The train left — they had reached the station. Ans: The train left after they had reached the station. Try yourself : The patient had died — the doctor came. The train (start) — before they reached there. Rule-55: Sentenceটি Passive voice হলে Tense ও Person অনুযায়ী Auxiliary Verb ও Verb-এর Past participle বসাতে হবে এবং gap-এর পরে Subject থাকলে by বসাতে হবে। English (speak) — all over the world. Ans: English is spoken all over the world. English (speak) — the English. Ans: English is spoken by the English. He has (expell) — from the examination hall. Ans: He has been expelled from the examination hall. Try yourself : The boys (send) — to school yesterday. The bird (kill) — on the ship last week. Cricket (play) — all over the world. Practice: Using the right form of the verbs in the following sentences. (A) i) He usually (get) up early in the morning. ii) When father (come)? iii) Rina is busy in (do) her home work. iv) We not (play) Ha-du-du. v) He is now engaged in (read). (B) i) If they tried, they (succeed). ii) If you work hard, you (prosper) in life. iii) I (receive) the letter just now. iv) Neela (come) from Dhaka the day after tomorrow. v) I (get) the parcel last month. (C) i) They (work) in the garden at this moment. ii) Lila not (play) ludu. iii) The sun (rise) in the east. iv) He (die) last night. v) No sooner the thief (see) the police than (run) away. (D) i) Had I been a rich man. I (help) the poor. ii) I can (play) it. iii) The man is (go) mad. iv) It (rain) since morning. v) Walk fast lest you (miss) the train. (E) give — leave — try — swim — go — draw i) They arrived the station after the train—. ii) It is many years since he — up smoking. iii) If I were an artist, I — a nice picture. iv) Keep on — hard. v) — is a good exercise. (F) sit — take — see — go — live i) Once upon a time there — a king. ii) — on the chair. iii) I feel like — a cap of tea now. iv) Many years have passed since I — him. v) I cannot but — there. (G) i) reach be have live to be go ii) Bread and butter — my desired food. iii) Rana runs fast as it he — mad. iv) We — a nice breakfast yesterday. v) She will — home by 5 pm. vi) A day labour works hard for—from hand to mouth. (H) write — beg — start — call — rain — forget i) I have — your name. ii) Do you hear me — you? iii) I found him —. iv) I got the letter — by him. v) It is high time we — for the station. Answers: (A) i) gets ii) come iii) doing iv) do not play v) reading (B) i) succeed ii) will prosper iii) have received iv) will come v) got (C) i) are working ii) does not play iii) rises iv) died v) had seen, ran (D) i) would have helped ii) play iii) gone iv) has been raining v) should miss (E) i) had left ii) gave iii) would drawn iv) trying v) swimming (F) i) lived ii) Sit iii) taking iv) saw v) go (G) i) is ii) were iii) had iv) reach v) living (H) i) forgotten ii) calling iii) begging iv) written v) started

রাসায়নিক গণনা

যৌগের যে কোন মৌলের শতকরা পরিমাণ =
1 amn = 1.66056×10 -24 g
স্থূল সংকেত যৌগের অণুতে বিদ্যমান
বিভিন্ন মৌলের পরমাণু সংখ্যার ক্ষুদ্রতম
অনুপাত প্রকাশ করে
আণবিক সংকেত = n× স্থূল সংকেত
অ্যাভোগ্যাড্রোর সংখ্যা, N = 6.023×10 23
মোল ভগ্নাংশ : দ্রবণের কোন উপাদানের
মোল সংখ্যা ও দ্রবণে বিদ্যমান সব
উপাদানের মোল সংখ্যার যোগফলের
অনুপাতকে সে উপাদানের মোল ভগ্নাংশ
বলা হয়
স্থূল সংকেত : কোন যৌগের অণুতে কোন
কোন মৌল আছে এবং সে সব মৌলের
পরমাণুসমূহের সংখ্যা কি ক্ষুদ্রতম
পূর্ণসংখ্যার অনুপাতে আছে, তার
সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ যৌগের স্থূল
সংকেত বলে
আণবিক সংকেত : কোন যৌগের অণুতে কোন
কোন মৌল আছে এবং প্রতিটি মৌলের
পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা কত তার
সংক্ষিপ্ত প্রকাশকে ঐ যৌগের আণবিক
সংকেত বলে
মোল : কোন যৌগের আণবিক ভরকে গ্রামে
প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় সে
পরিমাণকে তার এক মোল বলে
গ্রাম পারমাণবিক ভর : কোন মৌলের
পারমাণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে
যে পরিমাণ পাওয়া যায়, সে পরিমাণকে
তার এক গ্রাম-পারমাণবিক ভর বলা হয়;
আধুনিক নিয়মে একেও এক মোল পরমাণু বলা
হয়
অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা : কোন বস্তুর এক
মোল পরিমাণে যত সংখ্যক অণু থাকে, সেই
সংখ্যাকে অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা বলে।
একে দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর মান হচ্ছে
6.023×10 23
মোলার দ্রবণ : কোন দ্রবণের প্রতি লিটারে
দ্রব দ্রবীভূত থাকলে তাকে মোলার দ্রবণ
বলে
মোলারিটি দ্রবণ : কোন দ্রবণের প্রতি
লিটারে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যাকে ঐ
দ্রবণের মোলারিটি বলে
মোলালিটি : প্রতি দ্রাবকে দ্রবীভূত দ্রবের
মোল সংখ্যাকে দ্রবণের মোলালিটি বলে
টাইট্রেশন বা অনুমাপন : উপযুক্ত
নির্দেশকের উপস্থিতিতে একটি নির্দিষ্ট
আয়তনের কোন পরীক্ষাধীন দ্রবণের সাথে
একটি প্রমাণ দ্রবণের মাত্রিক বিক্রিয়া
সংঘটিত করে প্রমাণ দ্রবণের তুল্য আয়তন
নির্ণয়ের মাধ্যমে পরীক্ষাধীন দ্রবণের
ঘনমাত্রা নির্ণয়ের পদ্ধতিকে টাইট্রেশন বা
অনুমাপন বলে
দ্রবণের মোলারিটি এবং নরমালিটি
তাপমাত্রা দ্বারা প্রভাবিত হয় কিন্তু
মোলারিটি ক্ষেত্রে তাপমাত্রার কোন
প্রভাব নেই
অম্ল ক্ষারক প্রশমন বিক্রিয়ায় সমান
আয়তনে এক ক্ষারকীয় অম্লের 1.0 মোলার ও
এক অম্লীয় ক্ষারকের 1.0 মোলার দ্রবণ
সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়
প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ :
১. বিশুদ্ধ অবস্থায় নির্দিষ্ট সংযুক্তিতে
পাওয়া যায়
২. নির্দিষ্ট পরিমাণ ওজন করে প্রমাণ দ্রবণ
প্রস্তুত করা যায়
৩. পানিত্যাগী, পানিগ্রাহী ও পানিগ্রাসী নয়
৪. দ্রবণের মাত্রা অনেকদিন পর্যন্ত
অপরিবর্তিত থাকে
৫. বায়ুর জলীয় বাষ্প ও জীবাণু দ্বারা
আক্রান্ত হয় না
উদাহরণ- অনার্দ্র সোডিয়াম কার্বনেট
(Na2 CO3), K2 Cr 2O 7 , আর্দ্র অক্সালিক এসিড
(H 7C 7O 4 .2H 2O), সোডিয়াম অক্সালেট,
সাকসিনিক এসিড
সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ :
১. এদের বিশুদ্ধ অবস্থায় ও নির্দিষ্ট
সংযুক্তিতে পাওয়া যায় না
২. কোনটি পানিগ্রাহী বা পানিত্যাগী
৩. গ্যাস শোষণ করে
৪. জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়
৫. রাসায়নিক নিক্তিতে সঠিক ওজন নিয়ে
প্রমাণ দ্রবণ প্রস্তুত করা সম্ভব নয়
৬. এদের দ্রবণের মাত্রা পরিবর্তিত হয়
উদাহরণ- H2SO4 , NaOH, KOH, Na2 S2O 3 , KMnO 4,
HCl
অ্যাভোগ্যাড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তনের
গুরুত্ব :
1 মোল অণু = 1 গ্রাম আণবিক ভর = 22.4 dm3
(N.T.P তে) = 6.023×10 23 টি অণু
1 টি অণুর ভর = gm
1 গ্রাম গ্যাসে অণুর সংখ্যা = টি
1 গ্রাম গ্যাসের N.T.Pতে আয়তন =
dm 3
1 টি অণুর N.T.Pতে আয়তন = dm 3
N.T.Pতে dm 3 গ্যাসের অণুর সংখ্যা =
টি
মৌলের একটি পরমাণুর ভর = gm
ঘনমাত্রার মান অনুসারে দ্রবণের বিভিন্ন নাম
হয়। যেমন-
1 dm3 দ্রবণে দ্রবীভূত
দ্রবের পরিমাণ (মোল)
দ্রবণের ঘনমাত্রা
দ্রবণের নাম
1.0
1.0M
মোলার দ্রবণ
0.5
0.5M বা M/2
সেমি মোলার দ্রবণ
0.1
0.1M বা M/10
ডেসি মোলার দ্রবণ
0.01
0.01 বা M/100
সেন্টি মোলার দ্রবণ
মোলারিটি নির্ণয়ের সূত্র :
aMB V B = bMA V A
V A = এসিডের আয়তন
M A = এসিডের মোলারিটি
V B = ক্ষারের আয়তন
M B = ক্ষারের মোলারিটি
b = ক্ষারের সহগ
a = এসিডের সহগ
যখন এসিড ও ক্ষার উল্লেখ থাকবে না বা যে
কোন একটি উল্লেখ থাকবে, তখন সূত্রটি হবে-
V 1S1 = V 2S 2
প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষারের সমতুল্য
পরিমাণে বিক্রিয়া করে
5% NaOH দ্রবণ একটি প্রমাণ দ্রবণ
শক্তিশালী এসিড ও শক্তিশালী ক্ষারের
টাইট্রেশন যে কোন নির্দেশক ব্যবহার করা
যায়
শক্তিশালী এসিড ও দুর্বল ক্ষারের
টাইট্রেশনে মিথাইল অরেঞ্জ উত্তম
নির্দেশক
দুর্বল এসিড ও শক্তিশালী ক্ষারের
টাইট্রেশনে উত্তম নির্দেশক
ফেনলফথ্যালিন
প্রমাণ দ্রবণকে যে অজ্ঞাত ঘনমাত্রার
দ্রবণের মধ্যে যোগ করা হয় তাকে
ট্রাইট্রেট বলে
রক্ত একটি বাফার দ্রবণ এবং এটিতে মূল
বাফার HCO 3 । এছাড়াও PO4 3- ব্যবহৃত হয়
কিছু মৌলের পারমাণবিক ভর : (গাণিতিক
সমস্যা সমাধানের জন্য পারমাণবিক ভর ।
অবশ্যই মুখস্ত রাখতে হবে ।)
মৌল
পারমাণবিক ভর
হাইড্রোজেন
1H
1
কার্বন
6C
12
নাইট্রোজেন
7N
14
অক্সিজেন
8O
16
ফ্লোরিন
9F
19
সোডিয়াম
11Na
23
ম্যাগনেসিয়াম
12Mg
24
অ্যালুমিনিয়াম
13Al
27
সিলিকন
14Si
28
ফসফরাস
15P
31
সালফার
16S
32
ক্লোরিন
17Cl
35.5
পটাশিয়াম
19K
39.1
ক্যালসিয়াম
20Ca
40
ক্রোমিয়াম
24Cr
52
ম্যাঙ্গানিজ
25Mn
55
আয়রন
26Fe
55.85
নিকেল
28Ni
58.69
কপার
29Cu
63.5
জিংক
30Zn
65.38
সিলভার
47Ag
107.88
মার্কারি
80Hg
200
গোল্ড
79Au
197
কিছু প্রয়োজনীয় সূত্র :
এসিডের তুল্য ভর =
ক্ষারের তুল্য ভর =
লবণের তুল্য ভর =
প্রতি লিটার দ্রবের গ্রাম হিসেবে ভর =
নরমালিটি × দ্রবের তুল্য ভর
1cm3 = 1ml = 1
1000cm 3 = 1dm 3 = 1L
1000dm 3 = 1m 3
সংখ্যা বিষয়ক কিছু তথ্য :
40cm 3 (M/2) H2SO4 ≡ 20cm3 1(M)H 2 SO4
35cm 3 2(M)H 2SO4 ≡ 70cm 3 1(M)H 2SO4
60cm 3 (M/10)NaOH ≡ 6cm3 1(M) NaOH
700ml 0.7(M)HCl ≡ 490ml 1(M) HCl
Note : এই অধ্যায় থেকে সাধারণত গাণিতিক
সমস্যা বেশি আসে, এই জন্য গাণিতিক
সমস্যাগুলোর সাথে সাথে সংখ্যা বিষয়ক
তথ্যগুলো বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে ।
এছাড়া প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী পদার্থের
বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ

বাহ্যিক বর্তনীর মধ্য দিয়ে ইলেক্ট্রন প্রবাহ
যে দিকে যাবে, তড়িৎপ্রবাহ তার বিপরীত
দিকে যাবে
গ্যালভানিক সেলে যে তড়িৎদ্বারে জারণ হয়,
তা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার এবং একে অ্যানোড
বলে
যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ হয় তা ধনাত্মক
তড়িৎদ্বার এবং একে ক্যাথোড বলে
প্রাথমিক কোষ ২ প্রকার-
১. এক তরল কোষ, যেমন- লেকল্যান্স কোষ
২. দুই তরল কোষ, যেমন- ডেনিয়েল কোষ
গ্যালভানিক সেলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ-
ডেনিয়েল সেল
কোষের প্রতিটি তড়িৎদ্বার ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য
যুগলকে অর্ধকোষ বলে
প্রমাণ তড়িৎদ্বার বিভবকে প্রমাণ তড়িৎদ্বার
বিজারণ বিভবও বলে
সামগ্রিক কোষের বিভব বা পটেনশিয়াল
ধনাত্মক হয়, তবে বিক্রিয়াটি স্বতঃস্ফূর্ত হবে
কোন দ্রবণের অম্লত্ব বা pH মাপার সহজতম
পদ্ধতি হচ্ছে pH মিটার ব্যবহার করা
শুষ্ক কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH 4Cl
এর পেস্ট এবং ছদন নিবারক হিসেবে কঠিন
MnO2 ব্যবহৃত হয়
তড়িৎদ্বারে বিভবের মান নির্ণয়ের সময়
কোষে ব্যবহৃত সকল তড়িৎদ্বারের শর্তসমূহ সমান
হতে হয়। যেমন-
১. রাসায়নিক কোষে 1 molar দ্রবণ নিতে হয়
২. তড়িৎদ্বারের সাতে যদি কোন গ্যাস
সংশ্লিষ্ট থাকে তবে গ্যাসের চাপ 1 atm হতে
হয়
৩. তাপমাত্রা 25ᵒC (298K) এ স্থির রাখতে হয়
৪. যে সব তড়িৎদ্বারে কোন ধাতব বস্তুর
সংযোগ থাকে না, সে সব ক্ষেত্রে প্লাটিনাম
ধাতু ব্যবহার করা হয়
উভমুখী কোষের শর্ত : একটি কোষকে উভমুখী
হতে হলে নিম্নোক্ত শর্তাদি অবশ্যই পালন
করতে হবে-
১. যদি কোষটির নিজস্ব তড়িচ্চালক বলের
সমান তড়িচ্চালক বল বিশিষ্ট একটি বাহ্যিক
উৎসের সাথে বিপরীত দিকে সংযুক্ত করা হয়,
কোষটির ভিতর কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া বা
অন্য কোন পরিবর্তন ঘটবে না; কোন দিকে
কোন বিদ্যুৎও প্রবাহিত হবে না
২. বাহ্যিক উৎসের তড়িচ্চালক বলের মান অতি
সামান্য কমানো হলে কোষ বাহ্যিক উৎসের
দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করবে
৩. বাহ্যিক উৎসের তড়িচ্চালক বলের মান অতি
সামান্য বাড়ালে উৎস থেকে কোষের দিকে
বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে
৪. শর্ত ২-র ক্ষেত্রে যে রাসায়নিক বিক্রিয়া
ঘটবে, শর্ত ৩-র ক্ষেত্রে তার বিপরীত
রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটবে
ECell = Eox(anode) – Eox(cathode)
ECell = কোষের তড়িচ্চালক বল
Eox(anode) = অ্যানোডের জারণ বিভব
Eox(cathode) = ক্যাথোডের জারণ বিভব
প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার বিভবের মান
শূণ্য
ধাতুর বা ধাতব আয়ন অথবা ইলেক্ট্রোড এবং
ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্যে অবস্থিত তড়িচ্চালক
বলকে উপস্থাপনের জন্য একটি তির্যক রেখা
ব্যবহার করা হয়। যেমন- Ag/Ag + বা Pt, H2(g)/H -
(aq)
Eᵒ কোষ = +, কোষ বিক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে
ঘটে
অর্ধকোষের শ্রেণীবিভাগ :
১. ধাতু-ধাতব আয়ন অর্ধকোষ
২. ধাতুর অ্যামালগাম-ধাতব আয়ন অর্ধকোষ
৩. ধাতু ও তার অদ্রবণীয় লবণ সম্বলিত অর্ধকোষ
৪. গ্যাস অর্ধকোষ
৫. জারণ-বিজারণ অর্ধকোষ
অ্যানোড অর্ধকোষ : যে অর্ধকোষে জারণ ঘটে
ক্যাথোড অর্ধকোষ : যে অর্ধকোষে বিজারণ
ঘটে
ক্ষয় বিক্রিয়া সাধারণত অ্যানোডে সংঘটিত
হয়
একটি পূর্ণাঙ্গ তড়িৎ কোষের অর্ধকোষ ২টির
মধ্যে সরাসরি সংযোগকে মধ্যবর্তীস্থানে
দুটি খাড়া লাইন দিয়ে উপস্থাপন করা হয়
Zn/ZnSO 4 ‖ CuSO4/Cu
লবণ সেতু ব্যবহার করলে ২টি অর্ধকোষের মধ্যে
পরোক্ষ সংযোগ স্থাপনের জন্য ২টি খাড়া
লাইন () ব্যবহার করা হয়
Zn/ZnSO 4 ‖ CuSO4/Cu
বিজ্ঞানী নার্নস্ট তড়িৎ রাসায়নিক কোষের
তড়িৎচালক বলের জন্য একটি সাধারণ সমীকরণ
প্রকাশ করেন-
ECell = EO Cell - In
এখানে,
ECell = সেল পটেনশিয়াল
T = পরম তাপমাত্রা
n = বিক্রিয়ায় স্থানান্তরিত ইলেক্ট্রনের
মৌল সংখ্যা
[ ] = ঘনমাত্রা
F = প্রবাহিত বিদ্যুৎ (ফ্যারাডে)
EO Cell = সেলের প্রমাণ পটেনশিয়াল
নার্নস্টের প্রস্তাবিত তত্ত্বানুসারে,
প্রত্যেকটি ধাতু এবং হাইড্রোজেনের ধনাত্মক
(+) আয়ন হিসেবে দ্রবণে যাওয়ার একটি
সহজাত প্রবণতা আছে। এ প্রবণতার কারণে
ধাতুকে তার আয়নের দ্রবণে স্থাপন করলে ধাতু
থেকে দ্রবণের দিকে একটি চাপের সৃষ্টি হয়।
এ চাপকে ধাতুর দ্রবণ চাপ বলে।
শুষ্ক কোষ
১. এক্ষেত্রে তরল দ্রবণের পরিবর্তে
ইলেক্ট্রোলাইটের পেস্ট ব্যবহার করা হয়
২. অ্যানোড হিসেবে একটি জিংকের পাত্র
এবং পাত্রের মাঝখানে অবস্থিত কার্বন
দণ্ডটি ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়
৩. কার্বন দণ্ডের চারদিকে MnO3, গ্রাফাইট
চূর্ণ, সামান্য ZnCl2 এবং অতিরিক্ত NH 4Cl এর
একটি পেস্ট দিয়ে জিংক পাত্র পূর্ণ করা হয়
৪. কার্বনদণ্ডের চারপাশে কার্বন এবং MnO2
এর গুঁড়া ব্যবহার করে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের
ক্ষেত্রফল বাড়ানো হয়
৫. MnO2 উৎপাদিত H2(g) কে জারিত করে
কোষকে পোলারণের ক্রিয়া থেকে মুক্ত রাখে
৬. লেকল্যান্স শুষ্ক কোষের তড়িচ্চালক বল 1.5
Volt
শুষ্ক কোষে সংঘটিত বিক্রিয়াসমূহ :
অ্যানোড বিক্রিয়া- Zn-2e - → Zn ++
ক্যাথোড বিক্রিয়া- 2NH +4+2MnO 2+4H 2O+2e -
→ 2NH 4OH+2Mn(OH) 3
কোষের তড়িচ্চালক বল (E.m.f)- 1.5 Volt
সঞ্চয়ী কোষ
১. ১৮৫৯ সালে বিজ্ঞানী প্ল্যান্ট লেড এসিড
সঞ্চয়ী কোষ আবিষ্কার করেন
২. এ কোষে পুরু কাঁচ পাতের মধ্যে 1.15
আপেক্ষিক গুরুত্বের H 2SO4 এর মধ্যে কয়েকটি
লেডের পাত সমান্তরালভাবে ডুবানো থাকে
৩. ধনাত্মক পাত্রের ঝাঁঝরার ফাঁকগুলো রেড
Pb 3O 4(PbO 2+PbO) ও H 2SO4 মিশ্রণে তৈরি
পেস্ট দ্বারা এবং ঋণাত্মক পাতের ঝাঁঝরার
ফাঁকগুলো লেড মনোক্সাইড PbO ও H2 SO4 এর
মিশ্রণে তৈরি পেস্ট দিয়ে বন্ধ থাকে
৪. কোষটি উভমুখী এবং যখন H 2SO4 এর
আপেক্ষিক গুরুত্ব 1.15 থাকে তখন এর E.m.f 2.03
Volt
৫. ব্যবহারের ফলে E.m.f এর মান 1.7 Volt এ
নেমে আসলে একে পুনরায় চার্জ করতে হয়
৬. মোটরগাড়িতে ব্যবহৃত 12 Volt এর
ব্যাটারিতে ৬টি কোষ সারিবদ্ধভাবে
সংযোজন করা হয়
৭. লেড সঞ্চয়ী কোষকে এসিড সঞ্চয়ী কোষও
বলে
৮. বিজ্ঞানী এডিসন নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী
কোষ আবিষ্কার করেন বলে একে এডিসন
সঞ্চয়ী কোষ বা ক্ষারীয় কোষ বলে
৯. এতে আয়রন অ্যানোড এবং নিকেল সেস্কুই
অক্সাইড (Ni 2O 3 ) গুড়ো যুক্ত নিকেল পাত
ক্যাথোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়
১০. এ কোষের E.m.f মান 1.35 Volt
25ᵒC তাপমাত্রায় প্রমাণ বিজারণ বিভব :
তড়িৎদ্বার
25ᵒC তাপমাত্রায় বিজারণ বিভব
সক্রিয়তার ক্রম (যেটি যত নিচে, সেটি তত
সক্রিয়)
Li +/Li
-3.05
K +/K
-2.93
Ca++ /Ca
-2.87
Na+/Na
-2.71
Mg 2+/Mg
-2.37
Al 3+/Al
-1.66
Mn++ /Mn
-1.18
Zn ++ /Zn
-0.76
Cr ++ /Cr
-0.74
Fe 2+ /Fe
-0.44
Cd ++/Cd
-0.40
Co ++/Co
-0.28
Ni++ /Ni
-0.25
Sn 2+ /Sn
-0.14
Pb 2+/Pb
-0.13
H+ /H2(g), Pt
0.00
Sn 4+ /Sn, Pt
+0.15
Cl - /AgCl(s), Ag
+0.22
Cl - /Hg 2Cl2 (s), Hg
+0.28
Cu2- /Cu
+0.34
I - /I 2, Pt
+0.54
Ag +/Ag
+0.80
Br - /Br 2, Pt
+1.08
Cl - /Cl 2, Pt
+1.36
Au3+ /Au
+1.36
Ce4+ , Ce3+ /Pt
+1.61
Co 3+, Co 2+ /Pt
+1.82
Pt/ F2(g), 2F-
+2.87
HF, F2(g)/ Pt
+3.06

পর্যায় সারণী মনে রাখার সহজ কৌশল

গ্রুপ 1A: H Li Na K Rb Cs Fr
হায়রে! লি না কে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে !
গ্রুপ 2A : Be Mg Ca Sr Ba Ra
বেগুনী, মোগলাই, কাবাব সরিয়ে বাটিতে রাখ ।
গ্রুপ 3A : B Al Ga In Tl
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ গেলো ইন্ডিয়ার তালে!
গ্রুপ 4A: C Si Ge Sn Pb
চলো, সিলেট গেলে সানগ্লাস পাব ।
গ্রুপ 5A: N P As Sb Bi
নদীতে পানি আসে সব বিকালে ।
গ্রুপ 6A : O S Se Te Po
ও এস এসসি তে পড়ে ।
গ্রুপ 7A : F Cl Br I At
First Class British Indian Architect.
ল্যান্থানাইডঃ Ce Pr Nd Pm Sm Eu Gd Tb Dy Ho Er Tm
Yb Lu
ছেলে , প্রীতি এন্ড পমসম । ইউরোপ গুড,
তবে ডাইরিয়া হয় । আর টমেটো ইয়লো ব্লু !
অ্যাক্টিনাইডঃ Th Pa U Np Pu Am Cm Bk Cf Es Fm Md
No Lr
থাকলে পাশে ইউ এনপি, পুঁথি আমার কমেনা।
বিকেলে ক্যাফেতে আইনস্টাইন FM, মুড নষ্টের
লহর ।
পর্যায়-১ : H He
Hi! He
পর্যায়-২ : Li Be B C N O F Ne
Lies Because Boron Can Not Oxide Florine and
Neon.
পর্যায়-৩ : Na Mg Al Si P S Cl Ar
Nations Might Also Sign Peace Security Clause
Argument.
পর্যায়-৪: Sc Ti V Cr Mn Fe Co Ni Cu Zn.
Scachin Tiendulkar Very (good) Cricketer Man (of
the match) Feor (the) Country Niot (for) CuZn
((cousin))
পর্যায়-৫: Y Zr Nb Mo Tc Ru Rh Pd Ag Cd
Y and Z – two friends – sing “Namba Teacher R-
square” (Our teacher R-square) from “Paddy Again”
to a Cd.



Or

আরো সহজ ভাষায় জানতে/মূখস্ত করতে 

Just call me or Message me: +8801799599642




দ্বাদশ শ্রেণী: জীববিজ্ঞান Zoology MCQ

১। একই প্রজাতির দুটি গাছের মধ্যে
ডাইহাইব্রিড ক্রস করা হলো, যাদের
পিত...উদ্ভিদটি কালো ফুল উৎপাদন করে এবং
মাত...উদ্ভিদটি সাদা ফুল উৎপাদন করে।
পিত...উদ্ভিদের কালো ফুলের জিনোটাইপে
সবুজ বর্ণের জিনটি হাইপোস্ট্যাটিক হিসেবে
বিদ্যমান ছিল। F1 জনুতে সব উদ্ভিদ কালো ফুল
উৎপাদন করলেও F2 জনুতে কালো, সবুজ ও সাদা
ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদগুলো বিভিন্ন
অনুপাতে পাওয়া যাবে।
ক. লিথাল জিন কি?
খ. সেক্সলিংকড ইনহেরিটেন্স বলতে কি
বোঝ?
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটি মেন্ডেলের দ্বিতীয়
সূত্র অনুসরণ না করার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের F2 জনুতে বিভিন্ন রঙের ফুল
উৎপাদনকারী উদ্ভিদগুলো যে অনুপাতে
পাওয়া যাবে, তা প্রতিপাদন কর।
২। ডায়াবেটিস একটি লিঙ্গসংশ্লিষ্ট জিনের
বংশগত রোগ। করিম সাহেব একজন স্বাভাবিক
পুরুষ, তার স্ত্রী জুলেখা একজন ডায়াবেটিসে
আক্রান্ত মহিলা। তাদের সন্তানরা কেউ
স্বাভাবিক ও কেউ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
হলো, তাদের কন্যাসন্তানের সঙ্গে একজন
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষের বিয়ে হলো।
ক. লোকাস কাকে বলে?
খ. মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯: ৩: ৩:
১ এর পরিবর্তে ৯: ৭ হয় কেন?
গ. করিম সাহেবের সন্তানদের ডায়াবেটিস
হওয়া এবং না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘করিম সাহেবের মেয়ের ঘরের নাতি-
নাতনিদের মধ্যে ডায়াবেটিস রোগটি ৫০%
হারে পাওয়া যাবে’ উক্তিটির যথার্থতা
আলোচনা কর।
বহু নির্বাচনী প্রশ্ন
১। এপিস্ট্যাসিসে যে জিনটি বৈশিষ্ট্য
প্রকাশে বাধা পায় তাকে কি বলে?
ক. অ্যালিল জিন
খ. লিথাল জিন
গ. হাইপোস্ট্যাটিক
ঘ. এপিস্ট্যাটিক জিন
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং ২ ও ৩ নম্বর
প্রশ্নের উত্তর দাও :
রহিম মিয়া বর্ণান্ধ পুরুষ এবং তার স্ত্রী
স্বাভাবিক। তারা তাদের সন্তানদের বর্ণান্ধ
রোগ হওয়ার আশঙ্কায় চিন্তিত।
২। উদ্দীপকের দম্পতিদের F1 জনু পাওয়া যাবে
i. স্বাভাবিক পুত্র
ii. বর্ণান্ধবাহক কন্যা
iii. সবাই স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii
খ. i ও iii
গ. ii ও iii
ঘ. i, ii ও iii
৩। রহিম সাহেবের কন্যার সঙ্গে স্বাভাবিক
পুরুষের বিয়ে হলে কোনটি ঘটবে না?
ক. স্বাভাবিক কন্যা হবে
খ. স্বাভাবিক পুত্র হবে
গ. বর্ণান্ধবাহক কন্যা হবে
ঘ. বর্ণান্ধবাহক পুত্র হবে
৪। নিচের কোনটি সেক্সলিংকড বৈশিষ্ট্য?
ক. হিমোফিলিয়া
খ. দৃষ্টিহীনতা
গ. গাত্রবর্ণ
ঘ. অ্যানিমিয়া
৫। সেক্সলিংকড জিনগুলো প্রধানত কোথায়
অবস্থান করে?
ক. X ক্রোমোসোমে
খ. Y ক্রোমোসোমে
গ. অটোসোমে
ঘ. X ও Y উভয় ক্রোমোসোমে
৬। নিচের কোনটি গ্যামিট?
ক. BB
খ. Tt
গ. rr
ঘ. Ry
৭। জীবের প্রকাশিত বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যকে কি
বলে?
ক. জিনোটাইপ
খ. ফিনোটাইপ
গ. হোমোজাইগাস
ঘ. হেটারোজাইগাস
উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও
১. গ ২. ঘ ৩. ঘ ৪. ক ৫. ক ৬. ঘ ৭. খ
Thanks to "MANOBKANTHO"

আবিষ্কার এবং আবিষ্কারক

1.প্লবতা
আর্কিমিডিস
সসিলি
২৮৭ খ্রিস্টপূর্ব
2.বিদ্যুৎ
উইলিয়াম গিলর্বাট
যুক্তরাজ্য
১৫৭০
3.রাডার
এ এইচ টেলর এবং লিও সি ইয়ং
যুক্তরাষ্ট্র
১৯২২
4.ক্যালকুলেটর
গটফ্রাইড উইলহেম লিবানিজ
জার্মানি
১৬৭১
5.যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর
চার্লস ব্যাবেজ
যুক্তরাজ্য
১৮২২
6.উড়োজাহাজ
অরভিল রাইট ও উইলবার রাইট
যুক্তরাষ্ট্র
১৯০৩
7.রকেট
ডব্লিউ কনগ্রিড
যুক্তরাজ্য
১৮০০
8.টেলিস্কোপ
গ্যালিলিও
ইতালি
১৬১০
9.টেলিগ্রাম
এফ. বি. মোর্স
ইতালি
১৮৩২
10.টেলিভিশন
জন এল বেয়ার্ড
যুক্তরাষ্ট্র
১৯২৬
11.টেলিফোন
আলেকজোন্ডার গ্রাহাম বেল
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৭৬
12.মাইক্রোফোন
আলেকজোন্ডার গ্রাহাম বেল
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৭৬
13.রেডিও
জি. মার্কনী
ইতালি
১৮৯৪
14.ফনোগ্রাফ
টমাস আলফা এডিসন
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৭৮
15.বৈদ্যুতিক বাতি
টমাস আলফা এডিসন
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৭৮
16.কম্পিউটার
হাওয়ার্ড আইকেন
যুক্তরাষ্ট্র
১৯৩৯
17.বৈদ্যুতিক কম্পিউটার
ব্রেইড রেড
যুক্তরাষ্ট্র
১৯৪২
18.থার্মোমিটার
গ্যালিলিও
ইতালি
১৫৯৩
19.রেফ্রিজারেটর
জেমস গ্যারিসন
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৫১
20.বাষ্পচালিত ইঞ্জিন
জেমসওয়াট
স্কটল্যান্ড
১৭৬৯
21.রেলওয়ে ইঞ্জিন
স্টিফেনসন
যুক্তরাজ্য
১৮২৫
22.পেট্রোল ইঞ্জিন
নিকোলাস অটো
জার্মানি
১৮৭৬
23.ডিজেল ইঞ্জিন
রুডলফ ডিজেল
জার্মানি
১৮৯৫
24.ডায়নামা
মাইকেল ফ্যারাডে
যুক্তরাজ্য
১৯৩১
25.এক্্ররে
রন্টজেন
জার্মানি
১৮৯৫
26.লেজার
টি এইচ মাইম্যান
যুক্তরাষ্ট্র
১৮৬০
27.তেজস্ক্রিয়তা
হেনরি বেকরেল
ফ্রান্স
১৮৯৬
28.ফিসন
অটোহ্যান
জার্মানি
১৯৩৮
29.পারমানবিক বোমা
ওপেনহেইমার
যুক্তরাষ্ট্র
১৯৪৫
30.আণবিক শক্তি
জুলিও কুরি
ফ্রান্স

Group verbs

1. Act:
Act on or upon(ক্ষতি করা)-such hard work will
act upon your health
Act under(আদেশ অনুসারে কাজ করা)-he
acted under the order of the headmaster
Act up to(অনুসারে কাজ করা)-he always act
up to my advice
2. Ask:
Ask for (চাওয়া)-he asked for a loan of one
thousand rupees.
3. Bear:
Bear away, off(জয় করিয়া লওয়া) -He bore
away four prizes in the annual sports
Bear on(সম্পর্কিত হওয়া)-His remark does not
bear on this subject
Bear out(সমর্থন করা)-His evidence does not
bear out the charge
Bear up(মনের জোর বজায় রাখা)-His patience
bore him up in that crisis
Bear with (সহ্য করা)-I cannot bear with such
insults.
4. Blow:
Blow off (নির্গত)-The engine blows off carbon-
di-oxide.
Blow out (নেভানো)-Blow out the lamp.
5. Break
Break away(ভাঙ্গিয়া বাহির হইয়া আসা)-The
convict broke away from the prison
Break down (দুর্বল হইইয়া পড়া)-His health
broke down for hard work.
Break in, on (বাধা দেওয়া)-You should not
break in our conversation.
Break out(ছড়াইয়া পড়া )-Cholera broke out in
the village
Break up (বন্ধ হওয়া)-Our school breaks up at
4p.m.
6. Bring:
Bring about (ঘটানো)-He tried to bring about a
quarrel between them
Bring down (নিম্নমুখী করা)-The good harvest
brought down the price of rice
Bring in দেওয়া)-His property brings him in Rs.
5000 year.
Bring off (রক্ষা করা)-He brought off the
passengers on the wrecked dhip
Bring out (ছাপাইয়া প্রকাশ করা)-The
publisher has brought out a new book.
Bring through (আরোগ্য লাভ করা)-The new
medicine has brought the patient through
Bring up (প্রতিপালন করা)-She is brought up
by her mother
7. Call:
Call at (কোন যায়গায় যাওয়া)-He called at my
office yesterday.
Call for(চাওয়া)-He called for an explanation
Call forth(কাজে লাগানো )-You have to call
forth all your energy in the ensuing examination
Call in(ডাকা)-please call in a doctor
Call off(উঠাইয়া লওয়া)- The strike was called
off
Call on, upon(কাহারো সহিত দেখা করা)-He
called on me in the office
Call out( আওয়াজ করা)- He called out for help
Call over(ডাকা)-The teacher called over the
names of his pupils in the class
Call up(স্মরণ করা)-I cannot call up your name
8. Carry:
Carry away(স্থানান্তরিত করা)-The wounded
man was carried away to the hospital
Carry away(মৃত্যু ঘটানো)-He was carried away
by the current
Carry off (মৃত্যু ঘটানো)-Cholera has carried off
one hundred people this year in the village
Carry off( জিতিয়া লওয়া)-He carried off all
the prizes
Carry on(চালাইয়া যাওয়া)- He will carry on
the business
Carry out(মান্য করা)-You must carry out my
order
Carry over(হিসাবের জের পর পৃষ্ঠায় লইয়া
যাওয়া)-This amount should be carried over to
the next page
Carry through(ফলপ্রসূ হওয়া)-His hard labor will
carry him through
Carry with( সহমত করা)-He carried the audience
with him
9. Catch:
Catch at (সুযোগ গ্রহণ করা)-A drawing man
catches at a straw.
Catch up (নাগালে ধরা)-India is trying to catch
up with the advanced countries.
10. Come:
Come across (দেখিতে পাওয়া): How did the
accident come about?
Come by (পাওয়া): How did you come by this
picture?
Come of (জন্মগ্রহণ করা):He comes of a
respectable family
Come off (সম্পন্ন হওয়া): Our annual sports
came off yesterday.
Come to (পরিমাণ হওয়া): His income comes
to our expectation.
11. Do:
Do for (কাজে লাগা): This cloth will do for a
flag
Do up (গুছানো): He had to do up many rooms
every day.
Do with (ব্যবহার করা): He has to do with all
sorts of people.
12. Draw:
Draw in (সংকুচিত করা): Try to draw in your
expenditure.
Draw off (টানিয়া ফেলা): She drew off her
gloves.
Draw on (কাছাকাছি হওয়া): The festival is
drawing on.
13. Fall:
Fall from (বাহির হওয়া): Not a word fell from
his lips.
Fall off (কমিয়া যাওয়া): The quality of goods
has fallen off.
Fall on (আক্রমন করা): The robbers fall on the
passer-by.
Fall out (কলহ করা): Do not fall out with your
friend.
14. Find:
Find out (খুঁজিয়া বাহির করা): He is always
busy to find out his faults.
15. Get:
Get at (হাতের নাগালে পাওয়া): The books
are locked up and I can’t get at them.
Get by (পাশ দিয়ে যাওয়া): Please let me get
by.
Get into (উঠা): He got into the train.
Get through (সাফল্য লাভ করা): He got
through the examination.
16. Give:
Give in (বশ্যতা স্বীকার করা): The enemies
give in the last.
Give off (নিঃসৃত করা-The cooking coal gives
off a lot of smoke.
Give up (পরিত্যাগ করা): Try to give up your
bad habit.
17. Go:
Go away (প্রস্থান করা): He has gone away
with all his belonging.
Go against (বিরুদ্ধে যাওয়া): This goes
against the interest of the people.
Go beyond (অতিক্রম করা): You have gone
beyond your limit.
Go by (অনুসারে চলা): I have to go by rules.
Go out (নিভিয়া যাওয়া): The light has gone
out.
Go up (বৃদ্ধি পাওয়া): The cost of living has
gone up.
18. Keep:
Keep in ( সংযত রাখা): They were kept in by
rain.
Keep down (বশে রাখা): He could not keep
down his anger.
Keep off (দূরে থাকা): Keep off the fire.
Keep on (চালাইয়া যাওয়া): He kept on
shouting.
Keep up (বজায় রাখা): he always tries to keep
up his reputation as a good teacher.
19. Look:
Look at (তাকানো): He is looking at the moon.
Look for (খোঁজা): He is looking for a job.
Look on (গণ্য করা): I look on him as my best
friend.
20. Make:
Make away (হত্যা করা): He made away with
himself.
Make off (পালাইয়া যাওয়া): The thief made
off with ornaments.
Make over (হস্তান্তর করা): He has made over
the charge to the secretary.
Make up for (ক্ষতিপূরণ করা): I must make up
for the lost time.
21. Put:
Put by (সঞ্চয় করা): Put by something for your
old age.
Put down (লেখা): Put down your name on the
blackboard.
Put off (মুক্ত হওয়া): Put off your shoes.
Put on (পরিধান করা): Put on your dress.
Put on (ভান করা): He puts on an air of
innocence.
22. run:
Run away (পলায়ন করা): He boys ran away on
seeing the police.
Run into (জড়িত হওয়া): He ran into heavy
debts.
Run on (চলিতে থাকা): The troubles will run
on for few days.
Run over (গাড়ি চাপা পড়া): The old old man
was run over by a car.
23. See:
See off (বিদায় জানাতে যাওয়া): I went to
the station to see my friend off.
See through (বুঝিয়া ফেলা): I have seen
through his plan.
24. Send:
Send for (ডাকিয়া পাঠানো): Please send for
a doctor.
Send up (প্রতিযোগিতার জন্য পাঠানো)
:Fifty candidates have been sent up for
examination.
25. Set:
Set aside (অগ্রাহ্য করা): Let us set aside all
formalities.
Set by (সঞ্চয় করা): Set by something for old
age.
Set in (শুরু করা): The rains have set in.
Set up (প্রতিষ্ঠা করা): The villagers have set
up a school in the village.
26. Take:
Take after (সদৃশ হওয়া): She takes after her
mother.
Take by(ধরা):He took the man by his neck
Take for (গন্য করা): I took him for a saint.
Take to (আসক্ত হওয়া): He has taken to
drinking in his youth.
27. Work:
Work on (কাজ চালিয়ে যাওয়া): He worked
on throughout the night.
Work out(সমাধান করা): He could not work out
the sum.
Work at (সযত্নে কোন কিছুতে নিযুক্ত থাকা)
: He is working at the statue.
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন:
ঢাবি D 08-09
2. 'bank on' in the sentence 'You really can't bank
on the support of this neighbour of yours' means
A. ask for B. appeal to C. ignore D. depend on
3. Choose the appropriate preposition for the
following sentence: 'The behaviour of our politicians
does not accord ____ their stated principles'.
A. with B. for C. to D. into
12. Please don't_____on your payment
A. fall back B. fall bead C. fall on D. fall off

হাইড্রা

হাইড্রার শ্রেণিবিন্যাস:

পর্ব = Cnidaria (দেহে নিডোব্লাস্ট আছে)

শ্রেণী = Hydrozoa

বর্গ = Hydroida

গোত্র = Hydridae (গোত্র-এর নামের শেষে

“idae” থাকে)

গণ = Hydra

প্রজাতি = Hydra vulgaris

১. হাইড্রা নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বের প্রাণী

(এদের নিডোব্লাস্ট আছে, তাই থেকে

নিডারিয়া)।

২. হাইড্রা মাংসাশী। (এর মানে এরা মাংস

খায়, এমন না, বলা যায় এরা অন্য প্রাণীকে

খাদ্যরূপে গ্রহণ করে)

৩. ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন

করে।

৪. হাইড্রা মিঠাপানির প্রাণী। পানিতে

অবস্থিত কোন কঠিন বস্তুর গায়ে এটি লেগে

থাকে।

৫. Hydra –এর দেহের একপ্রান্ত খোলা এবং

অপর প্রান্ত বন্ধ।

৬. হাইড্রার দেহ অরীয় প্রতিসম।

৭. হাইড্রা দ্বিস্তরবিশিষ্ট প্রাণী।

এক্টোডার্ম এবং এন্ডোডার্ম। এক্টোডার্ম

থেকে এপিডার্মিস (ত্বক) এবং এন্ডোডার্ম

থেকে গ্যাস্ট্রোডার্মিস (উৎপন্ন হয়।

 এপিডার্মিস স্তর (এক্টোডার্ম)-এ থাকে =
পেশী-আবরণী কোষ, ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ,
নিডোব্লাস্ট, গ্রন্থি কোষ, স্নায়ূ কোষ, জনন
কোষ।
১১. গ্যাস্ট্রোডার্মিস স্তর (এন্ডোডার্ম)-এ
থাকে = পুষ্টি (নিউট্রিটিভ) কোষ, গ্রন্থি
কোষ, সংবেদী কোষ
১২. অপাচ্য ও বর্জ্য পদার্থ মুখগহ্বর দিয়েই
বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়।
১৩. সিলেন্টেরন বা গ্যাস্ট্রোভাসকুলার গহ্বর-
এ বহিঃকোষীয় ভাবে খাদ্যবস্তু পরিপাক হয়।
১৪. নিডারিয়া পর্বে মোট ২৩ ধরনের
নেমাটোসিস্ট রয়েছে। তবে হাইড্রাতে চার
ধরনের নেমাটোসিস্ট পাওয়া যায়।
১৫. বৃহত্তম নেমাটোসিস্ট = স্টিনোটিল বা
পেনিট্যান্ট
১৬. স্টিনোটিল-এ হিপনোটক্সিন নামক
বিষাক্ত রস থাকে।
১৭. ভলভেল্ট-এর সূত্রক কর্ক-স্ক্রুর মত
অনেকগুলো প্যাঁচের সৃষ্টি করে।
১৮. স্ট্রেপপলিন গ্লুটিন্যান্ট এর দেহ
সর্পিলাকারে সজ্জিত কাঁটাযুক্ত। (স্ট্রেপটো
= প্যাঁচানো)
১৯. স্টেরিওলিন গ্লুটিন্যান্ট ক্ষুদ্রতম
নেমাটোসিস্ট। (স্টেরিও = সলিড; যেহেতু
অস্পষ্ট অতি ক্ষুদ্র কাঁটাযুক্ত)
২০. ভলভেল্ট ও অন্যান্য নেমাটোসিস্ট
শিকারকে ধরে রাখতে সাহায্য করে,
গ্লুটিন্যান্ট নেমাটোস্টি গ্লু বা আঠালো রস
ক্ষরণ করে। তারপর স্টিনোটিল “হিপনোটক্সিন”
দিয়ে শিকারকে অবশ করে। পরে মুখছিদ্র
দিয়ে তা গ্রহণ করে।
২১. একবার নিক্ষিপ্ত হলে নেমাটোসিস্টের
সূত্রককে আর নিডোব্লাস্টে ফিরিয়ে আনা
যায় না।
২২. গ্যাস্ট্রোডার্মিস-এর পুষ্টি কোষ কে
দু’ভাগে ভাগ করা যায়:
· ফ্ল্যাজেলীয় কোষ
· ক্ষণপদীয় কোষ
২৩. হাইড্রার চলন:
· লুপিং = হামাগুড়ি
· সমার-সল্টিং = ডিগবাজী
· গ্লাইডিং = অ্যামিবয়েড চলন
২৪. হাইড্রার প্রধান খাদ্য ক্ষুদ্র ক্রাস্টাসীয়
সন্ধিপদী। খাদ্য তালিকা: পতঙ্গের লার্ভা,
সাইক্লপস ও ড্যাফনিয়া (ক্রাস্টাসীয়
সন্ধিপদী প্রাণী), ছোট ছোট কৃমি, খণ্ডকায়িত
(কেঁচো টাইপ) প্রাণী (Annelids), মাছের ডিম
ইত্যাদি।
২৫. সিলেন্টেরনে বহিঃকোষীয় পরিপাক
ঘটলেও হাইড্রার দেহে দু’প্রকার পরিপাক-ই
ঘটে: বহিঃকোষীয় পরিপাক এবং
অন্তঃকোষীয় পরিপাক।
২৬. যখন দু’টি ভিন্ন প্রজাতিভুক্ত জীব
ঘনিষ্ঠভাবে সহাবস্থানের ফলে পরস্পরের কাছ
থেকে উপকৃত হয়, তখন এই সম্পর্ককে
মিথোজীবিতা বলে।
(যদি একটি প্রজাতি উপকার পায় আর আরেক
প্রজাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন ওই সম্পর্ককে
পরজীবিতা বলে। যেমন, ম্যালেরিয়ার
পরজীবী, Plasmodium vivax )
২৭. Zoochlorella নামক শৈবাল এবং Chlorohydra
virdissima হাইড্রার মাঝে মিথোজীবী সম্পর্ক
দেখতে পাওয়া যায়।
২৮. গ্যাস্ট্রোডার্মাল গ্রন্থিকোষ পরিপাকের
জন্য ক্ষরণ করে = মিউকাস এবং এনজাইম
২৯. দেহের প্রয়োজনে যে কোন কোষ সৃষ্টি হয়
ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ থেকে।
৩০. পরজীবীদের পুষ্টির জন্য এদের দেহের
বিভিন্ন অঙ্গের সামান্য বা আমূল পরিবর্তন
ঘটে। কিন্তু মিথোজীবীদের অঙ্গের তেমন
পরিবর্তন ঘটে না।