পৃষ্ঠাসমূহ

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

সুপারস্ট্রিং থিয়োরির ইতিকথা


১।পদার্থবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও সুপারস্ট্রিং তত্ব (Superstring Theory) এর অপরিহার্যতাঃ 
সুপারস্ট্রিং তত্বের কথা বলতে গেলে  ‘বলের একীভূত’ (unification of force) করার প্রসঙ্গটি এসেই যায়। পদার্থবিজ্ঞানের অগ্রগতির ইতিহাস হলো ‘একীভূত’ করার ইতিহাস। সবচাইতে বড় ‘একীভূত’ করার অন্যতম ঘটনাটি ঘটেছিল ঊনবিংশ শতাব্দিতে। সেটা হলো বিদ্যুত আর চুম্বকের একত্বীকরণ। বিদ্যুত আর চুম্বকের যাত্রা হয়েছিল আলাদা আলাদাভাবে। এই দুটি বাস্তব প্রপঞ্চ (physical phenomenon)এর মধ্যে যে গভীর সম্পর্ক আছে তা শুরুতে মানুষের জানা ছিল না। যদিও স্থির বিদ্যুত আর চুম্বকের বিষয়ে মানুষ জানে খ্রিস্টের জন্মের আগে থেকেই। তবুও অস্টাদশ শতাব্দিতে ক্যাভেন্ডিস, কুলম্ব প্রভৃতি বিজ্ঞানীর গবেষণার হাত ধরে স্থির বিদ্যুত (static electricity)গবেষণালব্ধ ভিত্তি পায়। এর মধ্য দিয়ে স্থির বিদ্যুতের সুসংগত (consistent) তত্ব তৈরী হয়।সমসাময়িককালেই স্থির চুম্বকের তত্বও বিভিন্ন গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রাথমিক ভিত্তি পায়।কিন্তু  ঊনবিংশ শতাব্দির শুরুতেই ওয়েরস্টড, বায়োট-স্যাভার্ট, এম্পিয়ার, ফ্যারাডে প্রভৃতি জগৎ বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের কাজের মধ্য দিয়ে চুম্বক আর বিদ্যুতের অঙ্গাংগী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।সবার শেষে এই দু’টি প্রপঞ্চকে তাত্বিকভাবে পরিপূর্ণ মিলনের কাজটি সমাধান করেন ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল ১৮৬৫ সালে তাঁর সুবিখ্যাত তড়িত-চুম্বকীয় সমীকরনের মাধ্যমে। পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম সুন্দর তত্ব হিসেবে অভিহিত এই সমীকরণটি আলোর সংগে বিদ্যুত-চুম্বকের অসাধারণ সম্পর্কটিও স্পষ্ট করে দেয়। আলো যে আসলে  একটি বিদ্যুত-চুম্বকীয় তরংগ তাও এই তত্বের মাধ্যমেই আমরা জানি।এই অনন্যসাধারণ তত্বটি বল ‘একীভূতকরণ’ এর প্রথম সোপান। বিদ্যুত-চুম্বকের এই অসাধারণ মেল-বন্ধন শুধু পদার্থবিজ্ঞান নয়, সামগ্রিক বিজ্ঞানেও এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।ম্যাক্সওয়েলের কাজের একশ বছর পর আর একটি যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার যা বিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে – তাহলো বিদ্যুত-চুম্বকীয় বল ও দূর্বল বলের (weak force) ঐক্য বা একীভূতকরণ। এর আগে ঊনবিংশ শতাব্দির শুরুতেই আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিটি তত্ব আর একটি ঘরানা তৈরি করে এবং আর এক ধরণের ঐক্যের  সন্ধান দেয়।এ ঐক্য হলো স্থান ও কালের।আইনস্টাইনের আগে স্থান ও কাল ছিল বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আলাদা সত্তা। আইনস্টাইন দেখালেন, না-স্থান ও কালকে একই ভূমিতে দাঁড় করাতে হবে।বিশ্বজগতের সকল ঘটনাই স্থান ও  কালের সম্মিলনে সংঘটিত হয়।
পদার্থবিজ্ঞান যখন আনুবিক্ষনিক (microscopic) স্তরে অনু, পরমানু এবং  তারচাইতেও ক্ষুদ্র মৌলকণার যুগে প্রবেশ করলো, তখন চিরায়ত গতিবিদ্যা (Classical Mechanics) আর তাদের গতিপ্রকৃতি ব্যাখ্যা করতে পারে না। তখন একে ব্যাখ্যা করার জন্য আবিষ্কার হয়, আর এক তত্বের-যার নাম কোয়ান্টাম মেকানিক্স বা কোয়ান্টাম গতিবিদ্যা (Quantum mechanics)। কোয়ান্টাম মেকানিক্স সকল পুরোনো পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপের ধারণাই পালটে দিল।বলা হলো-সকল পর্যবেক্ষণই আসলে এক একটি ‘অপারেটর’ বা করক।পাশাপাশি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র উপপারমাণবিক (subatomic) স্তরে কতকগুলো বাস্তব স্বত্তা (physical entity) যেমন অবস্থান ও ভরবেগ, শক্তি ও সময় প্রভৃতি যাদের একই সময়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায় না, এই ঘটনাকে যে সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয় তাহলো হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তার সূত্র (uncertainty principle)।কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর অনিশ্চয়তার সূত্র পরস্পর পরিপূরক এবং সংগতিপূর্ণ।কোয়ান্টাম মেকানিক্স তার নানা অবিস্মরণীয় সাফল্য দিয়ে বিংশ শতাব্দি জুড়ে বিজ্ঞানকে প্রভাবিত করে রেখেছে। আবার সফলতার পাশাপাশি জন্ম দিয়েছে শতাব্দির দার্শনিক ও মহাবৈজ্ঞানিক বিতর্কেরও। যার কুশীলব ছিলেন স্বয়ং আইনস্টাইন এবং নিলস বোরের মত বিজ্ঞানীরা।  আইনস্টাইন কোয়ান্টাম মেকানিক্সকে কখনো সম্পূর্ন তত্ব হিসেবে গ্রহণ করেননি। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রভূত সাফল্য তিনি মেনে নিয়েছিলেন, কিন্তু তার মৌলিক ভিত্তি ধারণাকে মেনে নেননি। এই বিতর্কের সিড়ি বেয়ে জন্ম নিয়েছে বিজ্ঞানের আরো বড় পথচলা।তার এই মেনে না নেওয়াটাই জন্ম দিয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের আর এক অধ্যায়ের। সেটা আজকের বিষয়ের সংগে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
এখন পর্যন্ত বিজ্ঞান যতটুকু জেনেছে, তা দিয়ে বলা যায়, মহাবিশ্বে সর্বসাকুল্যে বল চারটি। মহাকর্ষ বল (Gravitational force), তড়িত-চুম্বকীয় বল (Electromagnetic force),দূর্বল বল (Weak force), এবং সবল বা রঙ্গিন বল (Strong force or Clour force)। মহাপ্রতিভাধর আইজাক নিউটন হলেন মহাকর্ষ বলের জনক এবং আর এক ক্ষণজন্মা বিজ্ঞানি একে পরিশীলিত করেন তার জেনারেল রিলেটিভিটির মাধ্যমে-তিনি আর কেউ নন – আলবার্ট আইনস্টাইন। বৃহৎ পরিসরে মহাজাগতিক সকল ঘটনার প্রায় নিখুঁত ব্যাখ্যা এই তত্ব দিতে পারে, কিন্তু এই তত্ব চিরায়ত বা ক্লাসিক্যাল, এটা কোয়ান্টাম তত্ব নয়।ফলে অতি ক্ষুদ্র পরিসরে (~১০-৩৩ সেমিঃ) এই তত্বের সীমাবদ্ধতা থাকাটাই স্বাভাবিক। অনিশ্চয়তা সূত্র তথা কোয়ান্টাম থিয়োরি এবং জেনারেল রিলেটিভিটি দু’টি সফলতম তত্ব যেন দিগন্তবিস্তারী বৃন্তের দু’টি ফুল। তাদের মধ্যে যোগসূত্র যেন বিজ্ঞানে হারিয়ে গেছে।এই দু’টি তত্বের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়াটাই এ  যুগের বিজ্ঞানের আর এক অভিযাত্রা।
প্রসংগক্রমে বলা ভালো, ম্যাক্সওয়েলের তড়িত-চুম্বকীয় তত্ব – বিশেষ আপেক্ষিকতার (special relativity)সংগে সংগতিপূর্ণ-কিন্তু নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র নয়। বিশেষ আপেক্ষিকতার সংগে সংগতিপূর্ণ করতে তাকেও সংস্কার করতে হয়েছে। তড়িত-চুম্বকীয় বলের সংগে বিশেষ আপেক্ষিকতার এই সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই এই বলের সংগে মহাকর্ষ বলের ঐক্যের সাধনায় আইনস্টাইনের জীবনের শেষ প্রায় তিনটি দশক গেছে নিঃসংগতায়।
তৃতীয় দূর্বল বল (weak force)যা বিটা ক্ষয়ের (Beta decay) জন্য দায়ী-যেখানে নিউট্রন ভেংগে প্রোটন, ইলেকট্রন এবং এন্টি-নিউট্রিনো বা তার বিপরীত প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। বিংশ শতাব্দির ষাটের দশকে এই বলকেই তড়িত-চুম্বকীয় বলের সংগে একীভূত করা হয়েছে- যার নাম ইলেকট্রো-উইক বল (Electro-weak force)।
চতুর্থ বল হল হলো-সবল বা রঙ্গীন বল (Strong or colour force)। এই বল পরমাণু কেন্দ্রে প্রোটন, নিউট্রন সহ মিউওন ও অন্যান্য বস্তুকণাসমূহের (matter particle)মধ্যেকার অন্তঃক্রিয়ার জন্য দায়ী।
এই চারটি বলের একীভূত করার প্রক্রিয়াই আজকের পদার্থবিজ্ঞানের বড় চ্যালেঞ্জ।
আগেই বলা হয়েছে- বিংশ শতাব্দির ষাটের দশকের শেষ দিকে সালাম-ওয়েনবার্গদের হাত ধরে তড়িত-চুম্বকীয় বল ও দূর্বল বল একীভূত হয়। এই প্রক্রিয়াটি দূর্বল বলকে ব্যাখ্যা করার অবধারিত পরিণতি হিসেবেই এসেছে, এটি কোন ধরে নেওয়া প্রক্রিয়া নয়।এই তত্বে চারটি কণা বলের বাহক হিসেবে কাজ করে-সেগুলি হলো W+, W-, Z0 এবং ফোটন। প্রথম তিনটি কণা স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিসাম্য ভাংগার (spontaneous symmetry breaking) মধ্য দিয়ে ভর পেয়ে দূর্বল বলের বাহক হিসেবে কাজ করে। আর স্থায়ীভরহীন কণা ফোটন হয় তড়িত-চুম্বকীয় বলের বাহক।
ম্যাক্সওয়েলের তড়িত-চুম্বকীয় তত্ব কোয়ান্টাম তত্ব নয়, ক্ল্যাসিক্যাল বা চিরায়ত তত্ব। এই সুন্দর তত্বের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ক্ল্যাসিক্যাল তড়িত-গতিবিদ্যা (classical electrodynamics)ব্যবহারিক জীবনের তড়িৎ সঞ্চালন প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বেতার তরংগের ব্যবহারবিধি প্রভৃতি অনেক কিছুই প্রয়োজনীয় শুদ্ধতায় ব্যাখ্যা করতে পারে। কিন্তু ঘটনা যখন আনুবীক্ষণিক পর্যায়ে  যায়, তখন তা প্রয়োজনীয় সঠিকতা দিতে পারে না। তখন প্রয়োজন পড়ে কোয়ান্টাম তত্বের।তড়িত-চুম্বকীয় প্রপঞ্চের কোয়ান্টাম তত্বই হলো-কোয়ান্টাম তড়িত-গতিবিদ্যা (Quantum Electrodynamics, QED)। ফোটন এই কোয়ান্টাম ফিল্ডের কোয়ান্টাম কণা। দূর্বল বলের তত্বও একটি কোয়ান্টাম তত্ব। একীভূত তত্ব হিসেবে তাই তড়িত-দূর্বল তত্বের বিকাশ। উল্লেখ্য যে, পরীক্ষাগারে এই তত্বের দ্বারা পাওয়া ফলাফল অতি আশ্চর্যমাত্রায় সঠিক।
এই সংখ্যায়ন বা কোয়ান্টাইজেশন (quantization) প্রক্রিয়া-সফলভাবে প্রয়োগ হয়েছে সবল বল বা রঙীন বলের (Strong force or clour force) ক্ষেত্রেও।  এই তত্বের নাম কোয়ান্টাম ক্রমোডাইনামিক্স (Quantum chromodynamics, QCD)। সবল বা রঙীন বলের বাহক হলো আটটি ভরহীন কণা, যাদেরকে রঙীন (colour) গ্লুয়ন (gluon) বলা হয়।কোয়ার্কদের মত এদেরকেও আলাদাভাবে দেখা যায় না। কোয়ার্ক কণা  গ্লুয়নএর ক্রিয়ায় সাড়া দেয়, কারণ কোয়ার্কও রঙ বা কালার বহন করে। কোয়ার্কের তিনটি রঙ থাকতে পারে।
তড়িত-দুর্বল তত্ব ও কোয়ান্টাম ক্রমোডাইনামিক্স (quantum chromodynamics) মিলে তৈরী হয়-স্ট্যান্ডার্ড মডেল।স্ট্যান্ডার্ড মডেলে  তড়িত-দুর্বল তত্ব এবং কোয়ান্টাম ক্রমোডাইনামিক্স উভয় তত্বই কাজ করে কারণ কিছু কণা উভয় বলই অনুভব করতে পারে।কিন্তু সমস্যাটি হলো, এই দু’টি বলের মধ্যে স্বাভাবিক গভীর মেলবন্ধন নেই। এই মিলন আরোপিত বললেও ভুল হবে না।তাই অনেক সময় বলা হয়, স্ট্যান্ডার্ড মডেল হলো- পদার্থবিজ্ঞানের সকল পরীক্ষালব্ধ সত্যের ব্যবহারিক সার-সংক্ষেপ।–কিন্তু, মহাকর্ষ থেকে যায় এই মিলনের বাইরে।এই তত্বের কাঠামোতে মহাকর্ষ বলের একীভূত করার আর সুযোগ নাই।
উল্লেখ্য,  স্ট্যান্ডার্ড মডেলে আছে ১২ টি বাহক (carrier) কণা। আটটি গ্লুয়োন, বাকীগুলো হলো W+, W-, Z0 এবং ফোটন।আগেই বলা হয়েছে-এরা সবাই বোসন কণা (Boson particle)। আরো অনেক বস্তুকণা (matter particle) আছে – যারা ফার্মিয়ন কণা। বস্তুকণাকে প্রধানতঃ দুই ভাগে ভাগ করা যায়-লেপটন (Lepton) আর কোয়ার্ক (quark)(যাদের কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে)।
   আদি কণাসমূহের মধ্যে  লেপটনের ঘরানায় আছে ইলেকট্রন (e- ), মিউওন (µ-) এবং টাও (t) এবং তাদের সংগে সম্পর্কিত নিউট্রিনোসমূহ ।বস্তুকণার সংগে সংগে বিপরীত বস্তুকণা ( antiparticle) গুলোও এই সংসারের সদস্য।ফলে, সব মিলিয়ে লেপটনের সংখ্যা হয় ১২ (৬+৬)। আর কোয়ার্করা বহন করে রঙ্গীন এবং বৈদ্যুতিক উভয় প্রকার চার্জ বা আধান, ফলে তারা সবল বলের পাশাপাশি দূর্বল বলের ক্ষেত্রেও সাড়া দেয়। ৬ প্রকারের কোয়ার্ক রয়েছে।এদের নামগুলো সাহিত্যের আদলে রাখা হয়েছে। এরা হলো- আপ (u), ডাউন (d), চার্ম (c ) স্ট্রেঞ্জ (s), টপ (t) এবং বটম (b)। u  এবং  d  কোয়ার্ক বিভিন্ন বৈদ্যুতিক চার্জও বহন করে এবং দূর্বল বলের ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন ভাবে সাড়া দেয়।ছয়টি কোয়ার্ক আবার তিনটি রঙে প্রকাশিত হয়, ফলে কোয়ার্ক কণার সংখ্যা হয়-১৮ টি (৩×৬)। তাদের বিপরীত কণা ( antiparticle ) মিলিয়ে কোয়ার্ক সংখ্যা হলো-৩৬ টি। তাহলে, লেপটন আর কোয়ার্ক মিলিয়ে সর্বমোট আদি কণার সংখ্যা হয় ৪৮ টি।
স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সবচাইতে বড় সাফল্য হলো, এতগুলো মৌলকণার সকল অন্তঃক্রিয়াকে এই মডেল তাত্বিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।পরীক্ষাগারেও এর সফলতা বিস্ময়কর।অতি সম্প্রতি সার্নের LHC তে হিগস বোসন বা ঈশ্বরকণার অস্তিত্বের প্রমান, এই তত্বের জন্য আর একটি মাইল ফলক। কিন্তু, এই তত্বের দু’টি বড় দূর্বলতা হলো, (এক)এই তত্ব মহাকর্ষকে নিজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করতে পারে না, (দুই) এই তত্বে প্রায় ২০ টি প্যারামিটার রয়েছে, যেগুলো আরোপিত। এগুলোকে এর তাত্বিক পরিকাঠামোর মধ্যে তৈরী করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ, মিউওন ও ইলেকিট্রনের ভরের অনুপাত (২০৭) সংখ্যাটিকে তত্বের প্রয়োজনে আরোপ করতে হয়।
অনেকেই মনে করেন, স্ট্যান্ডার্ড মডেল হলো, সম্পূর্ণ তত্ব (complete theory) বিনির্মাণের পথে একটি সফল পদক্ষেপ।তবে মনে রাখতে হবে, এই তত্বে দূর্বল বল এবং সবল বলের একীভূত করাটা আরোপিত, স্বয়ংসিদ্ধ নয়। তবে, আশার কথা হলো, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের আরো সম্পূর্ণ চেহাবায়, অতিপ্রতিসাম্যতা বা সুপারসিমেট্রিকে অন্তর্ভূক্ত করতে পারে, যার মধ্য দিয়ে, বোসন ও ফার্মিয়ন কণাসমূহ একই ঘরানায় অন্তর্ভূক্ত হয়। তবে, প্রকৃতিতে যদি অতিপ্রতিসাম্যতা থাকে, তাহলে, তার স্বতঃস্ফুর্ত ভাংগনের (spontaneous breaking) প্রক্রিয়াও থাকতে হবে যার মধ্য দিয়ে, বোসন ও ফার্মিয়ন কণা সৃষ্টি হতে পারে।তবে, এটা সত্য যে, স্টান্ডার্ড মডেলের আওতায় দূর্বল বল এবং সবল বলের ঐক্য হলেও, যদি মহাকর্ষ বল  দূরেই থাকে, তাহলে, নতুন যাত্রা করতেই হবে।উপ-আনুবীক্ষণিক (subatomic) স্তর থেকে শুরু করে, মহাজাগতিক স্তর সকল ক্ষেত্রেই, মহাকর্ষ হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রপঞ্চ। ব্ল্যাকহোল থেকে মহাবিশ্বের জন্ম রহস্যের মধ্যে মহাকর্ষ হলো ধাত্রী বল।তাকে বাদ দিয়ে কোন তত্বই সম্পূর্ণ হতে পারে না।তাই অনেক সফলতার প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়েও- বিজ্ঞানীদের বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সেই সম্পূর্ণ তত্ব, যা মহাকর্ষকেও অন্তর্ভূক্ত করতে পারে এবং একই ধারায় উপ-আনুবীক্ষনিক ঘটনা থেকে মহাবিস্তৃত মহাবিশ্বের সকল ঘটনা ব্যাখ্যা করতে পারে। এখানেই সুপারস্ট্রিং থিয়োরির যাত্রা শুরু। দেখা যাক সে পথে মানুষ কতদূর এগিয়েছে।
২। সুপারস্ট্রিং তত্ব যে ভাবনার সূচনা করেছেঃ
সাধারণ ভাবে বলা হয়, বিশেষ আপেক্ষিকতাবাদ (Special Relativity) এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মেল বন্ধনে তৈরী হয়-  ‘কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরী’। আর ‘জেনারেল রিলেটিভিটি এবং  কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মিলিত ফল হলো সুপারস্ট্রিং থিয়োরী। কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরীর সাফল্য আর সীমাবদ্ধতা স্বাভাবিকভাবেই আরো সম্পূর্ণ তত্বের দিকে বিজ্ঞানীদের হাতছানি দেয়। কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরীর তাত্বিক আর পরীক্ষাগারের সাফল্য এতটাই বিশাল যে, মানুষ বেশ কিছুকাল এই সাফল্য নিয়ে তৃপ্ত থাকতে পারতো, কিন্তু ঐ যে কথা আছে, মানুষ থামতে পারে না। তার চলার  যেন আর শেষ হয় না। তাইতো মানুষ যুগ যুগ ধরে শুধু খুঁজেই বেড়ায়। চলতে শুরু করে আরো আরো আলোর দিকে।
পদার্থবিজ্ঞানের ‘একীভূতকরণ তত্বে’র প্রতিদ্বন্দির শেষ নেই, সেই কাফেলায় এসে জোর দাবীদার হয়ে  উঠেছে স্ট্রিং থিয়োরী। সকল বলকে একীভূত করার যে চ্যালেঞ্জ বিজ্ঞানীরা নিয়েছেন, স্ট্রিং থিয়োরী তাকে ফলপ্রসু করবে বলেই বিজ্ঞানীদের ধারণা।সবচাইতে বড় কথা, স্ট্রিং থিয়োরী যেমন একদিকে একটি কোয়ান্টাম তত্ব, তেমনি তা অনায়াসে রিলেটিভিটি তত্বকেও স্বাভাবিক স্বাভাবিকতায় অন্তর্ভূক্ত করে নেয় নিজের প্রয়োজনে, নিজের মধ্যে। তাই আশা করা হয়, কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরী যে বলগুলিকে একীভূত করতে সমর্থ হয়েছে, এই তত্ব সে বলগুলিকে একীভূত করতে তো  সমর্থ হবেই, অধিকন্তু মহাকর্ষ বলকেও তাদের সংগী করে নেবে। অতি ক্ষুদ্র পরিসরে, আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা যে মহাকর্ষকে ব্যাখ্যা করতে পারে না বলে মনে করা হয়, এই তত্ব সেই  মহাকর্ষ বলকেও ব্যাখ্যা করতে সমর্থ হবে বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন এবং সেই আপেক্ষিকতা বা রিলেটিভিটি থিওরী যা বৃহৎ বিস্তারে মহাকর্ষ  বল ব্যাখ্যার সর্বশ্রেষ্ট দাবীদার,  সেই তত্বকে আর বৈরী না ভেবে, পরমাত্মীয় ভাবতে পারবে। তবে তা হবে, পরিপূর্ণ বিকশিত স্ট্রিং থিয়োরীর মাধ্যমেই। প্রশ্নটা তখন আসেই যে, তাহলে এই স্টিং থিয়োরীই কি স্বপ্নের সেই সম্পূর্ণ থিয়োরী, যা বিজ্ঞানীদের অনেক দিনের সাধনা? যে সম্ভাবনার জন্য আইনস্টাইন তাঁর জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন-নিঃসংগ পথিক?
স্ট্রিং থিয়োরীর প্রবক্তারা বলেন, অংকের দৃষ্টিতে, দুরূহ জটিল এই তত্বের একটি অত্যন্ত  সহজ সরল ধারণার ভিত্তি রয়েছে। এই ধারণামতে, যে স্ট্রিংকে সকল বস্তুর আদি হিসেবে ধরা হয়, আসলে বিশ্বের সকল আদিকণা হলো, সেই স্ট্রিং এর কম্পনের এক একটি হারমনিক বা ঐক্যতান সুর। হ্যাঁ, অসাধারণ নান্দনিক ধারণা। এই ভিত্তি ধারণা যদি মিলতে পারে, অসাধারণ কোন সর্বাংগ সুন্দর গানিতিক প্রক্রিয়ার সাথে, তাহলে তার চাইতে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে? এতে হয়ত আবার প্রমান হবে, গোটা প্রকৃতিই হলো আসলে অনেক সুরের ঐক্যতান বা অর্কেস্ট্রা।বিষয়টিকে আর একটু ব্যাখ্যা করে বলা যাক। একটি বেহালা বা গিটার বাজতে পারে বিভিন্ন সুরে। প্রত্যেকটি সুর তৈরী হয় তারের টান এবং দৈর্ঘ্যের  উপর। প্রত্যেকটা সুরই এক একটি ঐক্যতান বা হারমোনিক। ঠিক এই বেহালা বা গিটারের তারের হারমোনিকের মত প্রকৃতির প্রতিটি মৌলকণাই হলো  ষ্ট্রিং এর কম্পনের এক একটি হারমোনিক। বোসন বা ফারমিউওন সবাই, যেমন মহাকর্ষের বাহন গ্র্যাভিটন,  বিদ্যু্ত-চুম্বকীয় বলের বাহন ফোটন তেমনি লেপটন, ব্যারিওন সবাই।  আবার একটি কণা ভেংগে দু’টি কণা হবার প্রক্রিয়াটিও আসলে একটি স্ট্রিং থেকে দু’টি স্ট্রিং হবার সমার্থক।যদিও প্রস্তাবনা অনুসারে এই স্ট্রিংএর দৈর্ঘ্য  এতই ক্ষুদ্র যে পরীক্ষাগারে এর বাস্তব অস্তিত্বের পর্যবেক্ষণ এখনো প্রশ্নবিদ্ধ ও সুদূর পরাহত।
স্ট্রিং থিয়োরী মহাকর্ষের একটি সম্পূর্ণ কোয়ান্টাম থিয়োরী হতে পারে। আইনস্টাইনের জেনারেল রিলেটিভিটিকে কোয়ান্টাইজ করলে যে সকল  বিপত্তি দেখা দেয়, স্ট্রিং থিয়োরীতে তা না হবার যে সম্ভাবনা- তা স্ট্রিং থিয়োরীর সাফল্যের একটি বড় চালিকাশক্তি।
অন্যদিকে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় এই তত্ব একটা দিকে এগিয়ে। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্ট্যান্ডার্ড মডেলের বিরুদ্ধে সবচাইতে বড় সমালোচনা হলো-এই তত্বে বিশটি মাত্রাহীন প্যারামিটার রয়েছে, যাদের সুনির্দিষ্ট মানের সমন্বয় প্রয়োজন হয়। কোন একটি তত্ব যদি এ ধরণের বহু মাত্রাহীন প্যারামিটারের বিশেষ মানের উপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে তাকে একটি একক তত্ব (Unique Theory) বলা যায় না। এর বিপরিতে স্ট্রিং থিয়োরির একটিমাত্র প্যারামিটার-তাহলো স্ট্রিং এর দৈর্ঘ্য।  তাই, স্ট্রিং থিয়োরীকে অন্ততঃ কোন বিশেষ মান নির্ধারিত প্যারামিটারের উপর নির্ভরশীল হতে হবে না-বলেই মনে হয়।
এই তত্বের আর একটি সুবিধা হলো, স্থান-কালের মাত্রার স্থিরতা। এখন আমাদের জানা তত্বের ভিত্তিতে বাস্তব জগতে-স্থান-কালের মাত্রার সংখ্যা চার। তিনটি স্থানের, একটি কালের। স্ট্যান্ডার্ড থিয়োরীতে স্থান-কালের এই মাত্রাকে ধরে নেওয়া হয়-এটা তত্বের লব্ধ ফল নয়। কিন্তু, স্ট্রিং  থিয়োরীতে স্থান-কালের মাত্রা সরাসরি তাত্বিক গণনার মধ্য দিয়ে এসে যায়। যদিও তার সংখ্যা চার নয়, দশ। স্বাভাবিক পরিসরে কিছু মাত্রা লুকিয়ে থাকে। কিভাবে তার ব্যাখ্যা স্ট্রিং থিয়োরি  দিতে পারে বলে-বিজ্ঞানীরা দাবী করেন। যদি স্ট্রিং থিয়োরির  সঠিকতা প্রমানিত হয় তবে, এটাও এই তত্বকে প্রমান করতে হবে যে বস্তুজগতে দৃশ্যমান মাত্রা চারটি-অর্থাৎ একটি বিশেষ শর্তে দশমাত্রা বাস্তবে চারমাত্রা দেখায়। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। প্যারামিটারের মান পরিবর্তন করে স্ট্রিং থিয়োরীর রকমফের হয় না, এটা যেমন তার শক্তি, তেমনি এটার অদ্বিতীয়তা বা অনুপমতা প্রমান করতে পারাটাও আর একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
স্ট্রিং থিয়োরির গড়ে ওঠার মধ্যেই কয়েকটি ভাগ রয়েছে।প্রথমতঃ একে দু’টি প্রধান ধারায় ভাগ করা যায় যেমন খোলা স্ট্রিং এবং বদ্ধ স্ট্রিং তত্ব।দ্বিতীয় যে ধারায় স্ট্রিং থিয়োরীকে ভাগ করা হয় তাহলো বোসনিক স্ট্রিং তত্ব এবং সুপারস্ট্রিং তত্ব। বোসনিক তত্ব শুধুমাত্র বোসন কণাকেই ব্যাখ্যা করতে পারে।এই তত্বে মাত্রার সংখ্যা ২৬টি। কিন্তু এটা সহজেই বোঝা যায় যে, যে তত্ব শুধুমাত্র বোসন কণাকে ব্যবহার করে, ফার্মিয়নকে যুক্ত করতে পারে না, তার সীমাবদ্ধতা আছে। অন্যদিকে, সুপারস্ট্রিং থিয়োরি  বোসন এবং ফার্মিয়ন উভয় কণাকে অন্তর্ভূক্ত করে তত্ব বিনির্মাণ করে এবং তার মাত্রা সংখ্যা ১০।এই তত্ব অনুসারে বোসন এবং ফার্মিয়ন কণাসমূহ আসলে অতিপ্রতিসাম্যতা বা সুপারসিমেট্রি দ্বারা সম্পর্কিত।এখন প্রায় সবাই ধারণা করছেন, সকল বাস্তবসম্মত স্ট্রিং থিয়োরি  সুপারস্ট্রিং দ্বারা গঠিত হতে পারে।আজও অধরা গ্রাভিটন যা মহাকর্ষ বলের ধারক তা একটি বদ্ধ স্ট্রিং থেকে উদ্ভূত হতে পারে।তাই এটা আজ প্রায় সকল পদার্থবিজ্ঞানীকেই আশার আলো দেখাচ্ছে যে, কোয়ান্টাম ফিল্ড থিয়োরি, স্ট্যান্ডার্ড মডেল প্রভৃতি তত্ব ইউনিফায়েড ফিল্ড থিয়োরি গড়ে তোলার পথে যে সকল প্রতিবন্ধকতাকে সামনে নিয়ে এসেছে, সুপারস্ট্রিং থিয়োরি তার সমাধানের পথ দেখানোর আলো দেখাচ্ছে।
এটা বলে নেওয়া ভালো যে, পরীক্ষাগারে যথার্থতা প্রমানের কোন ভবিষ্যত বানী করার মত পর্যায়ে স্ট্রিং থিয়োরি পৌঁছেনি।পরীক্ষাগারে যথার্থতা প্রমান করতে হলে, একটা তত্বের প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যত বানী-এটা সহজ কাজ নয়।স্ট্রিং থিয়োরি এখনো তার শৈশবে রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে তার কাছ থেকে এখনো এত বড় কিছু আশা করা যায় না।কিন্তু সম্ভাবনার কথা আসতেই পারে। দেখা যাক সম্ভাবনাগুলি কি কি? আগেই বলা হয়েছে, সুপারস্ট্রিং থিয়োরির দশটি মাত্রার-একটি কালের, নয়টি স্থানের।স্ট্রিং থিয়োরি সত্য হলে, এই অতিরিক্ত স্থানের মাত্রার বাস্তব অস্তিত্বের প্রমান থাকতে হবে। যদিও এখনো দৃশ্যতঃ এর অস্তিত্বের সরাসরি প্রমান আমাদের সামনে নাই, পরোক্ষভাবে প্রমানের সম্ভাবনা কি আছে? খতিয়ে দেখা যাক। যদি অতিরিক্ত মাত্রার দৈর্ঘ্য প্ল্যাংক দৈর্ঘ্যের (~10-33 cm)কাছাকাছি হয় – তাহলে আমাদের হতাশ হতে হবে হয়ত। কারণ এখনো পার্টিকল এ্যাক্সিলেরেটরে পরিমাপযোগ্য দৈর্ঘ্যের পরিমাণ ১০-১৬ সেমির কাছাকাছি। প্ল্যাংক দৈর্ঘ্য তারচাইতে বহু বহুগুণ ছোট।এই মাত্রার দৈর্ঘ্য আদৌ পরিমাপযোগ্য কিনা সেটাও একটা মৌলিক প্রশ্ন হতে পারে।মনে করা হয়, স্ট্রিং এর দৈর্ঘ্য হবে এই প্ল্যাংক দৈর্ঘ্যের সমমাপের, তাই তত্বানুসারে অতিরিক্ত মাত্রার দৈর্ঘ্যও হবে প্ল্যাংক দৈর্ঘ্যের কাছাকাছি। তাই পরীক্ষাগারে এই মাত্রার অস্তিত্ব পরিমাপযোগ্য কিনা সে প্রশ্ন থেকেই যায়। কিন্তু আশার কথা হলো, স্ট্রিং থিয়োরি অতিরিক্ত  মাত্রার দৈর্ঘ্য এক মিলিমিটারের এক দশমাংশ পর্যন্ত অনুমোদন করে,  তবে সেক্ষেত্রে স্ট্রিং এর দৈর্ঘ্য হতে হয় ~ ১০-১৮ সেমির মত। উপরন্তু, আমাদের তিনমাত্রার স্থান, নয় মাত্রার স্থানের মধ্যে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ বা গ্রথিত থাকতে হবে। এই হাইপারস্পেস বা বেশীমাত্রার তলকে বলে ডি-ব্রেন।ডি-ব্রেনের বাস্তবতা হলো স্ট্রিং থিয়োরির বাস্তবতার ভিত্তি।এই ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত মাত্রার অস্তিত্ব পরিক্ষিত হতে পারে কেবল মহাকর্ষিক পরীক্ষার দ্বারা। যদি এই বৃহৎ স্কেলে অতিরিক্ত মাত্রার অস্তিত্ব পাওয়া সম্ভব হয়, তাহলে তা হবে স্ট্রিং থিয়োরীর যথার্থতার  একটি বড় প্রমান।
অন্য আর একটি সম্ভাবনা হতে পারে সুপারসিমেট্রি বা অতিপ্রতিসাম্যতার পরীক্ষাগারে প্রমান।যদি ১০ মাত্রার সুপারস্ট্রিং থিয়োরিতে ৬ মাত্রা সুপ্ত সংবদ্ধ থাকে, তাহলে বাকী চার মাত্রার তত্ব অতিপ্রতিসাম্যক (supersymmetric)হবে।আর ভবিষ্যত অ্যাক্সিলেরেটরে চারমাত্রিক তত্বের অতিপ্রতিসাম্যতা প্রমানিত হলে তা হবে সুপারস্ট্রিং থিয়োরির জন্য আর একটি বড় মাইলফলক।
স্ট্রিং থিয়োরিকে নতুন কোন মৌলকণা, ঘটনা বা প্রপঞ্চের অস্তিত্বের ভবিষ্যদবানী করতে পারা ছাড়াও আরো একটি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে, তাহলো স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সকল ফলাফলের আত্তীকরণ করতে পারা। যেহেতু, স্ট্রিং থিয়োরি সকল বলের একীভূত করার দাবীদার, সেহেতু কম শক্তির ক্ষেত্রে এই তত্বকে অবশ্যই স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সকল ফলাফলের পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা থাকতে হবে। অর্থাৎ যে শক্তিতে স্ট্যান্ডার্ড মডেল যে সকল মৌলকণার অস্তিত্বএর ভবিষ্যত বানী করতে পারে এবং যে বলগুলির একীভূত করতে পেরেছে-স্ট্রিং থিয়োরিকেও তা পারতে হবে।হ্যাঁ খুশীর খবর হলো, স্ট্রিং থিয়োরির কোন কোন মডেল দাবী করে যে,  তা স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ফলাফলের সংগে অবিকল সাদৃশ্য দেখাতে সমর্থ। আগেই বলা হয়েছে, স্ট্রিং থিয়োরি অনুসারে, আমাদের বাস্তব জগৎ আসলে, স্ট্রিং থিয়োরির ডি-ব্রেনের অংশ বিশেষ। ডি-ব্রেনের অতিরিক্ত মাত্রাগুলি গুটিয়ে যেন লুকিয়ে থাকে সংবদ্ধভাবে এবং স্ট্রিং থিয়োরি মতে খোলা বা মুক্ত স্ট্রিং এর প্রান্তগুলি ডি-ব্রেনের সংগে যুক্ত থাকে। স্ট্যান্ডার্ড মডেল বর্ণিত সকল গেজ বোসন বা ফার্মিয়ন মৌলকণা আসলে ডি-ব্রেনের সংগে সংযুক্ত খোলা বা মুক্ত স্ট্রিং এর কম্পনের সর্বনিম্ন বা মূল হারমোনিক বা ঐক্যতান।
স্ট্রিং থিয়োরি আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্বের সংগে এক অভিনব সম্পর্ক তৈরী করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সমীকরণএর অনেকগুলি সমাধান  হতে পারে, যেগুলি আবার এক একটি মহাজগতের নির্দেশক, তার মধ্যে একটিমাত্র সমাধান আমাদের বাস্তব মহাজগত।এই সকল সমাধানই নির্ভর করে আদি শর্ত (initial condition), প্রতিসাম্যতা(symmetry) এবং সারল্যের (simplicity) উপর।যে তত্বের সমাধান যত কম, সেটা তত বেশী সুনির্দিষ্ট ভবিষ্যদবানী করতে সমর্থ।স্ট্রিং থিয়োরির মজা হলো, এর সমাধানগুলো, বিচ্ছিন্ন (discrete) এবং অবিচ্ছিন্ন (continuous) উভয় ধরণের প্যারামিটারকে সংশ্লিষ্ট করে।এটা এই তত্বের একটি শক্তি। তবে, যদি স্ট্রিং থিয়োরিকে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের পুনরুৎপাদন করতে হয় তাহলে, স্ট্রিং থিয়োরির সমাধানের বিচ্ছিন্ন প্যারামিটার থাকতে হবে, শুধু অবিচ্ছিন্ন প্যারামিটার থাকলে চলবে না, কারণ  তা ভরহীন বস্তুকণার ভবিষ্যৎ বানী করবে, বাস্তবে যার পর্যবেক্ষণ সম্ভব নয়।যদি এমন হয় যে কোনো স্ট্রিং মডেলই স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ভবিষ্যৎ বানীকে পুনরুৎপাদন করতে পারছে না, তখন  সে মডেল ত্যাগ করতে হবে, কারণ পরীক্ষাগারে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ভবিষ্যৎ বানী যতটা সফলভাবে পরীক্ষিত হয়েছে, তাকে উপেক্ষা করা যায় না। এমনটা যদি হয় যে, কোনো একটি স্ট্রিং মডেল দিয়ে স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে পরিপূর্ণভাবে পুনরূৎপাদন করা সম্ভব হলো, অধিকন্তু স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ধরে নেওয়া সকল প্যারামিটারগুলোকেও তত্ব থেকে স্বাভাবিকভাবেই পাওয়া যায়-তাহলে তা হবে সর্বোত্তম।
স্ট্রিং থিয়োরির প্রবক্তারা বলেন, এই তত্বের বড় সফলতা হলো, এই তত্ব মহাকর্ষকে সফলভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে অর্থাৎ মহাকর্ষ বল এই তত্বের একটি স্বাভাবিক ফল। যদি তাই হয় তাহলে এটি  একটি বড় সফলতা। কারণ মহাকর্ষ বলই হলো, জানা বলগুলোর মধ্যে সবচাইতে পুরনো বল, যাকে কোন তত্বই অন্য বলের সংগে একীভূত করতে সমর্থ হয়নি। আর সবচাইতে বড় কথা মহাকর্ষকে স্ট্রিং থিয়োরিতে বাইরে থেকে আরোপ করতে হয়না-এটা এই তত্বে স্বয়ংপ্রকাশিত।সংগে এটাও বলা হয়, স্ট্রিং থিয়োরি হলো, ‘রিলাটিভিস্টিক কোয়ান্টাম থিয়োরি’।ক্লাসিক্যাল বা চিরায়ত রিলেটিভিটিতে স্ট্রিং এর কোনো কম্পনই মহাকর্ষ বলের বাহক গ্র্যাভিটনের সমার্থক নয়, অথচ, কোয়ান্টাম কম্পনে এটা একটা স্বাভাবিক ফল। স্ট্রিং থিয়োরি দিয়ে মহাকর্ষ বলের এই স্বাভাবিক ব্যাখ্যা চিত্তাকর্ষক না বলে পারা যায় না।
স্ট্রিং থিয়োরির আর এক সফলতা হলো- এটা প্রচলিত কণা পদার্থবিজ্ঞানের (particle physics) এর সকল তত্ব বিশেষ করে গেজ থিয়োরি (guage theory)কে পরিপূর্ণভাবে এবং পরিস্কারভাবে বোঝার জন্য শক্তিশালী সহায়ক ভূমিকা রাখে।গেজ থিয়োরির অনেক ফলাফলই পাওয়া যায় স্ট্রিং থিয়োরির ডি-ব্রেন ধারণা থেকে। চারমাত্রার গেজ থিয়োরি এবং বদ্ধ সুপারস্ট্রিং থিয়োরির মধ্যে এক আশ্চর্য সাদৃশ্য রয়েছে।
স্ট্রিং থিয়োরি ব্ল্যাক-হোলের স্ট্যাটিস্টিক্যাল গতিবিদ্যা (statistical mechanics)বিষয়ক ব্যাখ্যাকে নিজেও ব্যাখ্যা করতে পারে, যা আইনস্টাইনের মহাকর্ষ তত্ব দিয়ে পাওয়া সম্ভব নয়।বিভিন্ন প্রাকারের ডি-ব্রেন এবং স্ট্রিং ব্যবহার করে তত্বগত ভাবে ব্ল্যাকহোল তৈরী করা সম্ভব, যার মধ্য দিয়ে, ব্ল্যাকহোলের প্রস্তাবিত এনট্রপি ও তাপমাত্রা ব্যাখ্যা করা যায়।
তাই কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি তত্ব যা একটি স্ট্রিং মডেল তাকে অবশ্যই মহাকর্ষের অন্য সব ঘটনার সংগে সংগে মহাজগতের জন্ম ও আজ পর্যন্ত বিকাশের সকল প্রপঞ্চ (phenomenon)কে সফলভাবে ব্যাখ্যা করতে পারতে হবে। মনে করা হয়, মহাবিশ্বের যে রহস্য ক্ল্যাসিক্যাল মহাকর্ষ তত্ব বা জেনারেল রিলেটিভিটি ব্যাখ্যা করতে পারে না, বুঝতে হবে মহাবিশ্বের বিপুল রহস্য রয়েছে সেখানেই।আর স্ট্রিং থিয়োরির বড় চ্যালেঞ্জ হলো-সেই রহস্যকে উদ্ঘাটন ও ব্যাখ্যা করতে পারা।
৩।উপসংহারঃ সভ্যতা এগিয়ে চলে প্রকৃতির রহস্য উদ্ঘাটন করেই

      শিশু মহাবিশ্বের অপার জন্ম রহস্য থেকে শুরু করে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের অভিনব সাফল্যকে ধারণ করে নিজেকে একটি সম্পূর্ণ ও একক তত্ব হিসেবে সামনে আসার এক বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে সুপারস্ট্রিং থিয়োরি বিজ্ঞানীদের সামনে হাজির হয়েছে।এর সফলতা বিজ্ঞানীদের অপার আনন্দ সাগরে ভাসাবে আর এর ব্যর্থতা আবার বিজ্ঞানীদের নতুন পথ অন্বেষনের শক্তি যোগাবে।স্ট্রিং থিয়োরি তাই এখন অশেষ সম্ভাবনার প্রতীক।নতুন প্রজন্মের পদার্থবিজ্ঞানীদের প্রথম প্রেমের উন্মাদনা আর বৃদ্ধ বিজ্ঞানীদের সংশয়ের দোলাচলে সুপারস্ট্রিং থিয়োরি এগিয়ে চলছে।এর অগ্রগতি মানব সভ্যতার অগ্রগতির সমার্থক।আইনস্টাইনের মত অমিত প্রতিভাবান বিজ্ঞানীরা যাঁরা উনিফায়েড ফিল্ড থিয়োরি সৃষ্টির স্বপ্ন নিয়ে মহাকালের বুকে আশ্রয় নিয়েছেন-তাঁদের অসমাপ্ত কাজের পরিপূর্ণতার পথে সুপারস্ট্রিং থিয়োরির পথ বেয়ে হয়ত জন্ম নেবে অনেক আইনস্টাইন। এক ব্যর্থতা আর এক সফলতার সোপান তৈরী করবে।







by My physic Group..


















Also thanks to #সুশান্ত কুমার দাস For this pist

রবিবার, ১ মে, ২০১৬

বৈজ্ঞানিক নাম ছড়ায় ছড়ায়

1.মেয়েটা ফায়ার কিন্তু পশ্চিমা=Metaphaire posthuma
2.
3.
4.
5.
6.
7.
8.
9.
10.
.
.
.
.
.
.
50.skyতে জ্বলতেছিলাম= Scypha gelatinosum




এরকম আরো জানতে চাইলে just call me: +8801799599642 (or Message me)


For all বৈজ্ঞানিক নাম ছড়ায় ছড়ায় you should Call Me: 01799599642

মানবদেহ- রেচন তন্ত

প্রারম্ভিক আলোচনা: অধ্যায়টা গুরুত্বপূর্ণ।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. দেহের ভেতর গঠিত বিভিন্ন রাসায়নিক
বিক্রিয়ায় দেহে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া,
ইউরিয়া, ইউরিক এসিড প্রভৃতি
নাইট্রোজেনজাত জৈব যৌগ উৎপন্ন হয়। এদের
“রেচন পদার্থ” বলা হয়। যে প্রক্রিয়ায় এই
রেচন পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত করা হয়,
তাকে রেচন বলে।
২. রেচনতন্ত্র যা যা নিয়ে গঠিত:
বৃক্ক
ইউরেটার
মূত্রনালী
মূত্রথলি
৩. রেচনতন্ত্র দ্বারা দেহের ৮০% রেচন পদার্থ
নিষ্কাশিত হয়।
৪. বৃক্ক দেখতে অনেক শিমের বীচির মত, যার
দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেমি, প্রস্থ ৫-৬ সেমি এবং
স্থূলতা ৩ সেমি ।
৫. প্রতিটি বৃক্কের ওজন পুরুষের ক্ষেত্রে
১৫০-১৭০ গ্রাম এবং মহিলার ক্ষেত্রে ১৩০-১৫০
গ্রাম।
৬. সমগ্র বৃক্ক ক্যাপসুল নামক তন্তুময় আবরণে
বেষ্টিত।
৭. বৃক্কের বাইরের অংশকে বলে কর্টেক্স
(কর্টেক্স অর্থ গাছের বাকল) এবং অন্তঃস্ত
অংশকে বলে মেডুলা।
৮. প্রতিটি বৃক্কে ১০ লক্ষ করে ইউরিনিফেরাস
নালিকা থাকে যার কার্যকরী একক হচ্ছে
নেফ্রন। ৮৫% নালিকা থাকে কর্টেক্সে এবং
১৫% নালিকা থাকে মেডুলায়। (অর্থাৎ মোট
নেফ্রনের সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ)
৯. ইউরিনিফেরাস নালিকা দু’টি প্রধান
অংশে বিভক্ত, যথা:
নেফ্রন (যেখানে মূত্র উৎপন্ন হয়)
সংগ্রাহী নালিকা। [রেনাল পেলভিস
(মূত্রনালীর উর্ধ্বপ্রান্তে অবস্থিত
ফানেলাকার অংশ)-এ মূত্র বয়ে নিয়ে যায়]
১০. নেফ্রনকে আবার ২টি প্রধান অংশে ভাগ
করা যায়। যথা:
মালপিজিয়ান কণিকা। এর দুটি অংশ
রয়েছে-
ক) বোম্যান’স ক্যাপসূল (গ্লোমেরুলাসের
অবলম্বন)
খ) গ্লোমেরুলাস (রেনাল পোর্টাল তন্ত্রের
কৈশিক জালিকা)
রেনাল টিউবিউল: এর তিনটি অংশ রয়েছে-
প্রক্সিমাল (কাছাকাছি বোঝাতে) বা
গোড়াদেশীয় প্যাঁচানো নালিকা
হেনলি’স লুপ
ডিস্টাল (দূরবর্তী বোঝাত) বা প্রান্তীয়
প্যাঁচানো নালিকা
১১. রেনাল ধমনী থেকে সৃষ্ট অ্যাফারেন্ট
আর্টারিওল বোম্যান’স ক্যাপসুলের ভেতরে
ঢুকে ৫০ টির মত কৈশিক নালিকা তৈরি করে,
যা পরে ইফারেন্ট আর্টারিওল সৃষ্টি করে
আবার বের হয়ে যায়। (efferent = exit, এভাবে
কনফিউশন দূর করা যায়)
১২. গ্লোমেরুলাস থেকে গোড়াদেশীয়
প্যাঁচানো নালিকা থেকে হেনলি-এর লুপ হয়ে
প্রান্তীয় প্যাঁচানো নালিকা হয়ে সংগ্রাহী
নালিকা এটি মুক্ত হয়।
১৩. বৃক্ক থেকে পেলভিস অঞ্চল থেকে
ইউরেটার নামে একটি নল বেরিয়ে মূত্রথলির
পেছনদিকে প্রবেশ করে। এই নালীতে
পেশীময় কপাটিকা থাকে যা মূত্রের গমন
নিয়ন্ত্রণ করে।
১৪. মূত্রথলি প্রায় ৪৫০ মিলি মূত্র ধারণে সক্ষম।
১৫. ইউরিয়া মানবদেহের প্রধান
নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ।
১৬. মানুষের মূত্র সৃষ্টির প্রক্রিয়া ৩ ধাপে
বিভক্ত (বিজ্ঞানী কুশনীর মতে):
গ্লোমেরুলাস পরিস্রাবণ
দ্রব্যের পুনঃশোষণ
দ্রব্যের সক্রিয় রেচন
১৭. প্রতিদিন দু’বৃক্কের গ্লোমেরুলাসে ১৭০
লিটার পানি পরিস্রুত হয়, (প্রতি বৃক্কে ৮৫
লিটার করে) যার ১৬৮.৫ লিটারই আবার
পুনঃশোষিত হয়, বাকি ১.৫ লিটার মূত্ররূপে
নির্গত হয়।
১৮. যে সব দ্রব্য মূত্রের স্বাভাবিক প্রবাহকে
বাড়িয়ে দেয়, সেগুলোকে ডাই-ইউরেটিক্স
বলে, যেমন – চা, কফি, পানি (লবণাক্ত)
১৯. মূত্রে ৯০% পানি থাকে।
২০. মূত্রের pH 6.0, কিছুটা অম্লীয়।
২১. স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি মিনিটে ১২০
মিলি তরল পদার্থ গ্লোমেরুলাসে পরিস্রুত হয়,
যার ১১৯ মিলি-ই আবার পুনঃশোষিত হয়ে যায়
ও মাত্র ১ মিলি মূত্র হিসেবে নির্গত হয়।
২২. Antidiuretic Hormone (ADH) এর প্রভাবে তরল
পুনঃশোষিত হয়, দেহে পানির পরিমাণ বেড়ে
গেলে ADH এর ক্ষরণের পরিমাণ হ্রাস পায় ও
মূত্র বেশি পরিমাণে নির্গত হয়।
২৩. আবার পানির পরিমাণ কমে গেলে
অ্যাড্রেনাল কর্টেক্স থেকে ক্ষরিত
Aldosteron (অ্যালডোস্টেরন) হরমোন মূত্রে
সোডিয়াম আয়নের রেচন কমিয়ে
পরোক্ষভাবে পানির রেচনও হ্রাস করে।
২৪. কোষে পানির পরিমাণ ২০% কমে গেলে
তা কোষের ক্ষতির কারণ হয়।




আরো সহজ ভাষায় জানতে/মূখস্ত করতে 

Just call me or Message me: +8801799599642

প্রাথমিক আলোচনা : জ্যামিতি (Initial discussion of geometry)

জ্যামিতিঃ
‘জ্যা’ অর্থ ভূমি, ‘মিতি’ অর্থ পরিমাপ ।
জ্যামিতি হল স্থানভিত্তিক বিজ্ঞান ।
বিন্দুঃ
বিন্দুর শুধু অবস্থান আছে কিন্তু কোন মাত্রা
নেই ।
রেখাঃ
বিন্দুর চলার পথকে রেখা বলে । রেখা দুই
প্রকারঃ ক) সরল রেখা খ) বক্র রেখা
ঘনবস্তুঃ
যে বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা আছে, তাকে
ঘনবস্তু বলে । যেমন, ইট, বই ইত্যাদি ।
কোনঃ
যদি দুইটি সরলরেখা পরস্পরের সাথে কোন
বিন্দুতে মিলিত হয়, তবে মিলন বিন্দুতে কোণ
উৎপন্ন হয় ।
সন্নিহিত কোণঃ
যদি কোন তলে দুইটি কোণের একই শীর্ষবিন্দু
হয় এবং কোনদ্বয় সাধারণ বাহুর বিপরীত পাশে
অবস্থান করে, তবে ঐ কোণদ্বয়কে সন্নিহিত
কোণ বলে ।
বিপ্রতীপ কোণঃ
কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে
কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ
কোণ বলে ।
গোলকঃ
দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ
প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে
সরল কোণ বলে ।
সমকোণঃ
যদি একই রেখার উপর অবস্থিত দুইটি সন্নিহিত
কোণ পরস্পর সমান হয়, তবে কোণ দুইটি
প্রত্যেকটি সমকোণ ।
সূক্ষ্মকোণঃ
এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ
বলে ।
স্থূলকোণঃ
এক সমকোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সমকোণ থেকে
ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলে ।
প্রবৃদ্ধকোণঃ
দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ
থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।
পূরককোণঃ
দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি ৯০°
হলে কোণ দুইটিকে পরস্পরের পূরক কোণ বলা হয়

সম্পূরক কোণঃ
দুইটি কোণের ডিগ্রি পরিমাপের সমষ্টি ১৮০°
হলে, কোণ দুইটিকে সম্পূরক কোণ বলা হয় ।
সমান্তরাল রেখাঃ
একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে
অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল
সরল রেখা বলে ।
ছেদকঃ
যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে
ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।
একান্তর কোণঃ
দুইটি সমান্তরাল সরলরেখাকে অপর একটি
সরলরেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে
ছেদকরেখার বিপরীত পার্শে সমান্তরাল
রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে একান্তর
কোণ বলে ।
অনুরুপ কোণঃ
দুইটি সমান্তরাল সরলরেখাকে অপর একটি
সরলরেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে
ছেদকরেখার একই দিকে সমান্তরাল
রেখাদ্বয়ের অনুরুপ পার্শে যে কোণ উৎপন্ন হয়,
তাকে অনুরুপ কোণ বলে।
ত্রিভুজ( Triangle)
ত্রিভুজঃ
তিনটি রেখাংশ দ্বারা আবদ্ব ক্ষেত্রের
সীমারেখাকে ত্রিভুজ বলে।
অন্তঃকেন্দ্রঃ
ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো
সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।
পরিকেন্দ্রঃ
ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয়
সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।
ভরকেন্দ্রঃ
ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার
বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক
সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের
মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের
ভরকেন্দ্র।
লম্ববিন্দুঃ
ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর
অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের
লম্ববিন্দু।
সমবাহু ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান, তাকে সমবাহু
ত্রিভুজ বলে।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের দুইটি বাহু সমান, তাকে
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ বলা হয় ।
বিষমবাহু ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্যই ভিন্ন
ভিন্ন, তাকে বিষমবাহু ত্রিভুজ বলা হয় ।
সমকোণী ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের একটি কোণ সমকোণ, তাকে
সমকোণী ত্রিভুজ বলা হয় ।
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের তিনটি কোণই সূক্ষ্মকোণ, তাকে
সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ বলে।
স্থুলকোণী ত্রিভুজঃ
যে ত্রিভুজের একটি কোণ স্থুলকোণ, তাকে
স্থুলকোণী ত্রিভুজ বলে।
সর্বসমঃ
দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র
অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় ।
সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।
সদৃশকোণী ত্রিভুজঃ
দুইটি ত্রিভুজের একটির তিনটি কোণ অপরটির
তিনটি কোণের সমান হলে, ত্রিভুজ দুইটিকে
সদৃশকোণী বলা হয় ।
চতুর্ভুজঃ
চারটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে
চতুর্ভুজ বলে ।
কর্ণঃ
চতুর্ভুজের বিপরীত কৌণিক শীর্ষের সংযোজগ
সরলরেখাকে কর্ণ বলে ।
সামন্তরিকঃ
চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান্তরাল হলে
তাকে সামন্তরিক বলে ।
আয়তক্ষেত্রঃ
সামন্তরিকের একটি কোন সমকোণ হলে তাকে
আয়তক্ষেত্র বলে ।
বর্গঃ
আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে
তাকে বর্গ বলে ।
রম্বসঃ
সামন্তরিকের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে
তাকে রম্বস বলে ।
ট্রাপিজিয়ামঃ
যে চতুর্ভুজের কেবলমাত্র দুইটি বাহু
সমান্তরাল, তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে ।
স্পর্শকঃ
একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও
কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে
বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।
সাধারণ স্পর্শকঃ
একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়,
তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয়

আয়তিক ঘনবস্তুঃ
তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা
পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু
বলে ।
ঘনকঃ
আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা
সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।
কোণকঃ
কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে
কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর
চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু
উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।
সিলিন্ডার বা বেলুনঃ
একটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে
স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে
আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয়
তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।
গোলকঃ
কোন অর্ধবৃত্তের ব্যাসকে অক্ষ ধরে
অর্ধবৃত্তটিকে ঐ ব্যাসের চারদিকে ঘুরালে
যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয়, তাকে গোলক বলে ।

ভর সম্পর্কিত (Mass)

দেশীয় পদ্ধতিতে (Local system):
5 তোলা (Tolas) = 1 ছটাক (Chatak)
16 ছটাক (Chataks) = 1 সের (Seer)
40 সের (Seer) = 1 মণ (Mound)
বৃটিশ পদ্ধতিকে (British system):
16 আউন্স (Ounce) = 1 পাউন্ড (Paund or lb)
28 পাউন্ড (Pound) = 1 কোয়ার্টার (Quarter)
4 কোয়ার্টার (Quarter) = 1 হন্দর (Handar)
20 হন্দর (Handar) = 1 বৃটিশ টন (British ton)
মেট্রিক পদ্ধতিত (Metric system):
100 কিলোগ্রাম (kg) = 1 কুইন্টাল (Quintal)
1000 কিলোগ্রাম (kg) = 1 মেট্রিক (Metric)
ওজন পরিমাপের বিভিন্ন এককের মধ্য
সম্পর্কঃ
1 গ্রাম (Gram) = 0.0022 পাউন্ড (Pound) = 0.086
তোলা
1 পাউন্ড (pound) = 0.4536 কেজি (kg)
1 কেজি (kg) = 2.2 পাউন্ড (pound) = 1.07 সের
1 সের (Seer) = 0.93 কিলোগ্রাম (kg)
1 মণ (Mound) = 37.2 কিলোগ্রাম (kg)
1 হন্দর (Handar) = 1মণ 14 সের 7 ছটাক = 50.8
কিলোগ্রাম (kg)
1 বৃটিশ টন (British ton)= 27 মণ 9 সের =1
মেট্রিক টন 16 কিলোগ্রাম
C.G.S পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ C.G.S পদ্ধতির পূর্ণরূপ হল সেন্টিমিটার
গ্রাম সেকেন্ড পদ্ধতি (Centimetre Gram Second
System) । এ পদ্ধতিতে —
দৈর্ঘ্যের একক : সেন্টিমিটার (Centimetre)
ভরের একক : গ্রাম (Gram)
সময়ের একক : সেকেন্ড (Second) ।
M.K.S পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ M.K.S পদ্ধতির পূর্ণরূপ হল মিটার কিলো
গ্রাম সেকেন্ড পদ্ধতি (Metre Kilogram Second
System) । এ পদ্ধতিতে —
দৈর্ঘ্যের একক : মিটার (Metre)
ভরের একক : কিলোগ্রাম (Kilogram)
সময়ের একক : সেকেন্ড (Second) ।
F.P.S পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ F.P.S পদ্ধতির পূর্ণরূপ হল ফুট পাউন্ড
সেকেন্ড পদ্ধতি (Foot Pound Second System) । এ
পদ্ধতিতে —
দৈর্ঘ্যের একক : ফুট (Foot)
ভরের একক : পাউন্ড (Pound)
সময়ের একক : সেকেন্ড (Second) ।
S.I পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ ১৯৬০ সাল থেকে দুনিয়া জোড় বিভিন্ন
রাশির একই রকম একক চালু করার সিদ্ধান্ত হয় ।
এককের এই পদ্ধতিকে বলা হয় আন্তর্জাতিক
পদ্ধতি (International System of Units) বা
সংক্ষেপে এস, আই (S.I) ।

Zoology MCQ

১. পারপুরা অবস্থা সৃষ্টি হয় কোন
আক্রান্ত হলে?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) হুপিং কাশি
Ο গ) ডেঙ্গজ্বর
Ο ঘ) ব্লাড ক্যান্সার
সঠিক উত্তর: (গ)
২. কাদের দেহে অনুচক্রিকার সং
বেশি থাকে?
Ο ক) ভ্রূণদেহে
Ο খ) শিশুদেহে
Ο গ) অসুস্থদেহে
Ο ঘ) পরিনতদেহে
সঠিক উত্তর: (গ)
৩. রক্তরসে বিদ্যমান অজৈব পদার্
হলো-
i. সোডিয়াম
ii. পটাসিয়াম
iii. ক্যালসিয়াম
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৪. রক্ত কোষ কতৃক সৃষ্ট পদার্থকে
বলে?
Ο ক) অ্যান্টিবডি
Ο খ) অ্যান্টিজেন
Ο গ) অ্যান্টি টক্সিন
Ο ঘ) গ্লুটিনিন
সঠিক উত্তর: (ক)
৫. হৃদস্পন্দনের ত্রুটিপূর্ণ প্রবাহ হল
তাকে কী বলে?
Ο ক) হার্ট ফেইলওর
Ο খ) হার্ট অ্যাটাক
Ο গ) হার্ট ব্লক
Ο ঘ) হাইপার টেনশন
সঠিক উত্তর: (গ)
৬. LDL এর পূর্ণ রূপ-
Ο ক) Low Density Liporprotein
Ο খ) Low Density Lipid
Ο গ) Low Density Liquid
Ο ঘ) Long Distance Lipid
সঠিক উত্তর: (ক)
৭. কোনটি অনুচক্রিকার প্রধান ক
Ο ক) অক্সিজেন সরবরাহ করা
Ο খ) জীবাণু ভক্ষণ করা
Ο গ) অম্ল-ক্ষারের সমতা রক্ষা কর
Ο ঘ) রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করা
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৮. একজন সুস্থ মানুষের প্রতি মিন
কতবার হৃদস্পন্দন হয়?
Ο ক) ৪০-৮০
Ο খ) ৫০-৯০
Ο গ) ৬০-১০
Ο ঘ) ৭০-১০
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৯. দুই ধরনের অ্যান্টিবডি রক্তনাল
রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে কী ব
Ο ক) সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
Ο খ) করোনারি থ্রম্বোসিস
Ο গ) পারপুরা
Ο ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: (ক)
১০. নিউক্লিয়াসবিহীন পরিণত ল
রক্তকণিকা উপস্থিতি কোন
প্রাণীতে?
Ο ক) মাছ
Ο খ) মানুষ
Ο গ) ব্যাঙ
Ο ঘ) পাখি
সঠিক উত্তর: (খ)
১১. ডায়াবেটিস রোগীদের কোন
হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে?
Ο ক) হার্ট ব্লক
Ο খ) হার্ট ফেলিওর
Ο গ) করোনারি হৃদরোগ
Ο ঘ) প্যারালাইসিস
সঠিক উত্তর: (গ)
১২. হাতের কবজিতে হৃদস্পন্দন অনু
করাকে কী বলে?
Ο ক) পালস
Ο খ) লাব
Ο গ) ডাব
Ο ঘ) ইসিজি
সঠিক উত্তর: (ক)
১৩. অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাব
তুলানায় বেড়ে যাওয়াকে কী
Ο ক) পারপুরা
Ο খ) থ্রম্বোসাইটোসিস
Ο গ) থ্যালসিমিয়া
Ο ঘ) লিউকোমিয়া
সঠিক উত্তর: (গ)
১৪. কোনটি ফ্যাগোসাইটোসিস
প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্ব
করে?
Ο ক) বেসোফিল
Ο খ) মনোসাইট
Ο গ) নিউট্রোফিল
Ο ঘ) বেসোফিল
সঠিক উত্তর: (খ)
১৫. হৃদপিন্ডে ত্রুটিপূর্ণ স্পন্দন প্র
উৎপন্ন হলে তাকে কী বলে?
Ο ক) হার্ট অ্যাটাক
Ο খ) হার্ট ব্লক
Ο গ) হার্টবিট
Ο ঘ) হার্ট ফেলিওর
সঠিক উত্তর: (খ)
১৬. বি গ্রুপের রক্তের অধিকারী
Ο ক) ৯%
Ο খ) ৪৪১২%
Ο গ) ৩%
Ο ঘ) ৪৬%
সঠিক উত্তর: (ক)
১৭. মিলির বাবার ডায়াবেটিস র
আছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
তাকেঁ করতে হবে-
i. খাদ্য নিয়ন্ত্রণ
ii. ওষুধ সেবন
iii. জীবন শৃঙ্খলা মেনে চলা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৮. লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা
পেলে তাকে কী বলে?
Ο ক) পলিসাইথিমিয়া
Ο খ) অ্যানিমিয়া
Ο গ) লিউকোমিয়া
Ο ঘ) পারপুরা
সঠিক উত্তর: (ক)
১৯. পূর্ব বয়স্ক মানুষের দেহের মো
ওজনের কত ভাগ রক্ত?
Ο ক) প্রায় ৮%
Ο খ) প্রায় ৯%
Ο গ) প্রায় ৬%
Ο ঘ) প্রায় ৭%
সঠিক উত্তর: (ক)
২০. মানুষের দেহে থ্যালসিমিয়া
রোগের প্রকাশ ঘটায় কারণ ক
Ο ক) অটোজোম ক্রোমোজোমের প্
জিন
Ο খ) অটোজোম ক্রোমোজোমের প্
জিন
Ο গ) হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবি
Ο ঘ) শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাব
বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর: (খ)
২১. রক্তরসে পানির পরিমাণ শতক
Ο ক) ৮০%
Ο খ) ৮৫%
Ο গ) ৯০%
Ο ঘ) ৯৫%
সঠিক উত্তর: (গ)
২২. কার্বন ডাইঅক্সাইড যুক্ত রক্ত
পরিবহন করে-
Ο ক) পালমোনারি
Ο খ) পালমোনারি ধমনি
Ο গ) অ্যাওর্টা
Ο ঘ) বাম ভেন্ট্রিকল
সঠিক উত্তর: (খ)
২৩. ধমনি ও শিরার মধ্যে সাদৃশ্য
কোনটি?
Ο ক) উভয়ে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পর
করে
Ο খ) উভয়ের প্রাচীর তিন স্তরবিশ
Ο গ) উভয়টিতে কপাটিকা থাকে
Ο ঘ) উভয়ে হৃৎপিন্ড থেকে সারাদ
রক্ত ছড়িয়ে দেয়
সঠিক উত্তর: (খ)
২৪. বহিরাগত অযাচিত প্রোটিন র
কী তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করে?
Ο ক) অ্যান্টিবডি
Ο খ) হরমোন
Ο গ) এনজাইম
Ο ঘ) অ্যান্টিজেন
সঠিক উত্তর: (ক)
২৫. রক্তরস তরল অংশকে কী বলে?
Ο ক) সিরাম
Ο খ) রক্তকণিকা
Ο গ) লসিকা
Ο ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৬. কোনটি রক্তে স্নেহের বাহক
হিসেবে কাজ করে?
Ο ক) কোলেস্টেরল
Ο খ) অ্যামাইনো এসিড
Ο গ) ফ্যাটি এসিড
Ο ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর: (ক)
২৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক
উপায়-
i. সুষম খাবার খাওয়া
ii. নিয়মিত ব্যায়াম করা
iii. ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৮. Rh- বিশিষ্ট রত্কে Rh+ বিশিষ্
দিলে গ্রহীতার রক্তরসে ক্রম
বিপরীত অ্যান্টিবডি গড়ে উঠ
i. Rh- অ্যান্টিজেনের
ii. Rh+ অ্যান্টিজেনের
iii. তার নাম Rh+ অ্যান্টি ফ্যা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
২৯. ডায়াবেটিস কেন হয়?
Ο ক) বংশগত কারণে
Ο খ) ভিটামিনের অভাবে
Ο গ) এক ধরনের ভাইরাসের আক্রমণ
Ο ঘ) অতিরিক্ত দৈহিক পরিশ্রমে
সঠিক উত্তর: (ক)
৩০. রক্তরসে দ্রবীভূত অবস্থায় থা
জৈব ও অজৈব পদার্থের পরিম
কত?
Ο ক) ২০%
Ο খ) ১৫%
Ο গ) ৮০%
Ο ঘ) ১০%
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৩১. প্রতি ডিগ্রী ফারেনহাইট তা
বৃদ্ধির জন্য প্রতি মিনিটে পা
গতি কতবার বাড়ে?
Ο ক) ৮
Ο খ) ১০
Ο গ) ১২
Ο ঘ) ২০
সঠিক উত্তর: (খ)
৩২. পালস রেট এর কম স্বাভাবিক-
i. ঘুমানো অবস্থায়
ii. সুনিদ্রার পর সকালে
iii. ব্যায়ামের পর
নিচের কোনটি সঠিক
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
৩৩. শিরার উৎপত্তি কোথা হতে?
Ο ক) হৃৎপিন্ড
Ο খ) কৈশিক জালিকা
Ο গ) পালমোনারি নালি
Ο ঘ) উপশিরা
সঠিক উত্তর: (খ)
৩৪. সাইটোপ্লাজমের দানার ওপর
ভিত্তি করে শ্বেত কণিকা ক
রকমের?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (ক)
৩৫. রক্তের অ্যান্টিজেনের ভিত্ত
মানুষকে কয়টি গ্রুপে বিভক্ত
যায়?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (গ)
৩৬. করোনারি হৃদরোগের পূর্ব লক্
কোনটি?
Ο ক) ডায়রিয়া
Ο খ) উচ্চ রক্তচাপ
Ο গ) জন্ডিস
Ο ঘ) আমাশয়
সঠিক উত্তর: (খ)
৩৭. লোহিত রক্তকণিকার আকৃতি
Ο ক) দ্বি-অবতল
Ο খ) দ্বি-উত্তল
Ο গ) উত্তল-অবতল
Ο ঘ) অবতল-উত্তল
সঠিক উত্তর: (ক)
৩৮. অ্যান্টিবডি কোথায় থাকে?
Ο ক) রক্তরসে
Ο খ) সিরামে
Ο গ) বৃক্কে
Ο ঘ) লসিকায়
সঠিক উত্তর: (ক)
৩৯. ধমনি ও শিরার পার্থক্য হলো-
i. প্রথমটি বিশুদ্ধ ও দ্বিতীয়টি
রক্ত বহন করে
ii. প্রথমটিতে কপাটিকা আছে
দ্বিতীয়টিতে তা নেই
iii. প্রথমটির প্রাচীর পুরু এবং
দ্বিতীয়টির প্রাচীর পাতলা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
৪০. রক্তরসে দ্রবীভূত অবস্থায় কো
থাকে?
Ο ক) লোহিত রক্তকণিকা
Ο খ) শ্বেত রক্তকণিকা
Ο গ) অনুচক্রিকা
Ο ঘ) জৈব ও অজৈব পদার্থ
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৪১. ইনসুলিন কিসের চিকিৎসায় ব্য
হয়?
Ο ক) লিউকোমিয়া
Ο খ) অ্যানিমিয়া
Ο গ) ডায়াবেটিস
Ο ঘ) পারপুরা
সঠিক উত্তর:
৪২. কোনটি রক্তরসের জৈব পদার্
Ο ক) সোডিয়াম
Ο খ) ক্লোরিন
Ο গ) লৌহ
Ο ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৪৩. যে সব মানুষের রক্তে Rh ফ্যা
উপস্থিত তাদের কী বলে?
Ο ক) Rh + Ve
Ο খ) Rh - Ve
Ο গ) O + Ve
Ο ঘ) O - Ve
সঠিক উত্তর: (ক)
৪৪. গ্রানুলোসাইট শ্বেত কণিকার
অন্তর্ভূক্ত-
i. নিউট্রোফিল
ii. ইওসিনোফিল
iii. বেসোফিল
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৪৫. পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে
পরিমাণ-
Ο ক) ৪-৫ লিটার
Ο খ) ৫-৬ লিটার
Ο গ) ৬-৭ লিটার
Ο ঘ) ৭-৮ লিটার
সঠিক উত্তর: (খ)
৪৬. হৃৎপিন্ডকে ভালো রাখা যায়-
i. শুধু প্রাণিজ প্রোটিন খেয়ে
ii. দেহের ওজন স্বাভাবিক রে
iii. সুষম খাদ্য গ্রহণ করে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
৪৭. সারাদেহে নির্দিষ্ট তাপমাত্
নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
Ο ক) রক্ত
Ο খ) লসিকা
Ο গ) বৃক্ক
Ο ঘ) পাকস্থলি
সঠিক উত্তর: (ক)
৪৮. অণুচক্রিকার আকার-
i. দ্বি-অবতল
ii. গোলাকার ও বড় আকৃতি
iii. ডিম্বাকার, বড় আকার
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
৪৯. লোহিত কণিকার কাজ-
i. দেহের প্রতিটি কোষে অক্
সরবরাহ করা
ii. অ্যান্টিবডি তৈরি করা
iii. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
৫০. পূর্ণবয়স্ক নারীর দেহে লোহি
কণিকার সংখ্যা-
Ο ক) ৪-৫ লাখ
Ο খ) ৪.৫-৫.৫ লাখ
Ο গ) ৬০-৭০ লাখ
Ο ঘ) ৮০-৯০ লাখ
সঠিক উত্তর: (ক)
৫১. মানুষের রক্তের সিরামের কত
অ্যান্টিবডি আছে?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (ক)
৫২. রক্তদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে স
হল-
i. এ গ্রুপের রক্তধারী ভ্যক্তি
এবি গ্রুপের রক্তধারীকে রক্ত
ii. বি গ্রুপের রক্তধারী ব্যক্তি
গ্রুপের রক্তধারীকে রক্ত দিত
iii. ও গ্রুপের রক্তধারী ব্যক্তি
এবি ও এবং ও গ্রুপের রক্তধার
রক্ত দিতে পারবে।
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
৫৩. হৃৎপিন্ডের ওপরের প্রকোষ্ঠ দু
কী বলে?
Ο ক) অ্যাট্রিয়াম
Ο খ) ভেন্ট্রিকল
Ο গ) এন্ডোথেলিয়াম
Ο ঘ) নিলয়
সঠিক উত্তর: (ক)
৫৪. বেসোফিল শ্বেতরক্ত কণিকা
নিঃসৃত হয়-
i. হিস্টারিন
ii. অ্যান্টিবডি
iii. হেপারিন
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
৫৫. Rh �ফ্যাক্টর নামকরণ হয়েছে
অনুসারে।
Ο ক) রেসাস হনুমান
Ο খ) রেসাস বানর
Ο গ) রেসাস বেবুন
Ο ঘ) রেসাস গন্ডার
সঠিক উত্তর: (খ)
৫৬. একটি রক্তনালি X কার্বন
ডাইঅক্সাইডযুক্ত রক্ত দেহের
বিভিন্ন অংশে বাহিত হয়।
এক্ষেত্রে Y নিচের কোনটি?
Ο ক) সিস্টোমিক মহাধমনি
Ο খ) জুগুলার শিরা
Ο গ) পালমোনারি ধমনি
Ο ঘ) সাবক্লেভিয়ান শিরা
সঠিক উত্তর: (ক)
৫৭. বংশগত রোগ কোনটি?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) হুপিং কাশি
Ο গ) থ্যালসিমিয়া
Ο ঘ) পারপুরা
সঠিক উত্তর: (গ)
৫৮. হৃদস্পন্দনে 'ডাব' শব্দের সৃষ্টি
কোন অবস্থায়?
Ο ক) অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল
Ο খ) ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল
Ο গ) অ্যাট্রিয়ামের সিস্টোল
Ο ঘ) ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল
সঠিক উত্তর: (খ)
৫৯. মানবদেহের পাম্প যন্ত্রের অ
অঙ্গাণু কোনটি?
Ο ক) যকৃত
Ο খ) ফুসফুস
Ο গ) হৃৎপিন্ড
Ο ঘ) পাকস্থলী
সঠিক উত্তর: (গ)
৬০. কোনটি অধিক পরিমাণ অক্সি
পরিবহনে সক্ষম?
Ο ক) শ্বেত রক্ত কণিকা
Ο খ) অণুচক্রিকা
Ο গ) থ্রম্বোসাইট
Ο ঘ) লোহিত রক্ত কণিকা
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৬১. ECG- এর পূর্ণরূপ কী?
Ο ক) Electronic cardiogram
Ο খ) Electro cardilgram
Ο গ) Electro cardiology
Ο ঘ) Cardiography Engincering
সঠিক উত্তর: (খ)
৬২. রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন
Ο ক) ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
Ο খ) গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
Ο গ) স্ট্রাচবুর্গার
Ο ঘ) রবার্ট ব্রাউন
সঠিক উত্তর: (ক)
৬৩. রক্ত চাপ বেড়ে গেলে তাকে
বলে?
Ο ক) হাইপো টেনশন
Ο খ) হাইপার টেনশন
Ο গ) টেনশন
Ο ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: (খ)
৬৪. রক্তে অক্সিজেন পরিবাহিত
কোন যৌগ হিসেবে?
Ο ক) কার্বমিনো হিমোগ্লোবিন হ
Ο খ) অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেব
Ο গ) অক্সাইড আয়ন হিসেবে
Ο ঘ) বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে
সঠিক উত্তর: (খ)
৬৫. ইওসিনোফিল ও বেসোফিল ব
কী বোঝায়?
Ο ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট
Ο খ) গ্রানুলোসাইট
Ο গ) প্রেইটলেট
Ο ঘ) থ্রম্বোসাইট
সঠিক উত্তর: (খ)
৬৬. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নি
কোনটি?
Ο ক) হরমোন
Ο খ) এনজাইম
Ο গ) বিলিরুবিন
Ο ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর: (ক)
৬৭. হৃদযন্ত্র ভাল রাখার উপায়-
i. শর্করা বেশি খেতে হবে
ii. অতিভোজন হতে বিরত থাক
iii. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
৬৮. রক্ত চাপ বড়ে গেলে তাকে ক
বলে?
Ο ক) হাইপো টেনশন
Ο খ) হাইপার টেনশন
Ο গ) টেনশন
Ο ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: (খ)
৬৯. রক্ত নাইট্রোজেনজনিত বর্জ্য
পদার্থগুলোকে কোন অঙ্গে প
করে?
Ο ক) যকৃতে
Ο খ) পাকস্থলীতে
Ο গ) বৃক্ষে
Ο ঘ) হৃৎপিন্ডে
সঠিক উত্তর: (গ)
৭০. শিরার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
i. এর প্রাচীর স্তর বিশিষ্ট
ii. কপাটিকা বিদ্যমান
iii. শিরাগুলো মিলে মহাশিরা
করে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৭১. পারপুরা অবস্থার সৃষ্টি হয় কে
Ο ক) RBC-র পরিমাণ স্বাভাবিকের
কমে গেলে
Ο খ) WBC-র পরিমাণ স্বাভাবিকের
বেড়ে গেলে
Ο গ) Platelet-র পরিমাণ স্বাভাবিক
তুলনায় কমে গেলে
Ο ঘ) Platelet-র পরিমাণ স্বাভাবিক
তুলনায় বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তর: (গ)
৭২. কোলেস্টেরলের বৈশিষ্ট্য হল
i. রক্তে স্বাভাবিক মাত্রা ১০
mg/dl
ii. এটি লিপিড এবং স্টেরয়েড
অন্তর্ভুক্ত
iii. এটি ফুসফুসে বেশি পরিমা
থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
৭৩. রক্তরসে দ্রবীভূত জৈব পদার্থ
i. ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউল
অ্যালবুমিন
ii. অক্সিজেন, পটাসিয়াম ও
ম্যাগনেসিয়াম
iii. গ্লুকোজ, কোলেস্টেরল ও
বিলিরুবিন
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
৭৪. হৃদযন্ত্রকে ভাল রাখার জন্য ক
উচিত?
Ο ক) চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া
Ο খ) দেহের ওজন বাড়ানো
Ο গ) ধুমপান ও মদ পান করা
Ο ঘ) শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৭৫. স্বাভাবিক ডায়াস্টোলিক রক্
চাপ-
Ο ক) ৬০-৯০ mm Hg
Ο খ) ৮০-১০০ mm Hg
Ο গ) ১১০-১৪০ mm Hg
Ο ঘ) ১০০-১২৫ mm Hg
সঠিক উত্তর: (ক)
৭৬. ঘন ঘন প্রসাব কোন রোগের
বৈশিষ্ট্য?
Ο ক) ডায়াবেটিস
Ο খ) হার্ট অ্যাটাক
Ο গ) হার্ট ব্লক
Ο ঘ) উচ্চ রক্তচাপ
সঠিক উত্তর: (ক)
৭৭. ভেন্ট্রিকলের প্রাচীর-
Ο ক) পাতলা
Ο খ) পুরু
Ο গ) পেশিবহুল
Ο ঘ) পুরু ও পেশিবহুল
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৭৮. হৃদস্পন্দনে 'লাব' শব্দের সৃষ্টি
কোন অবস্থায়?
Ο ক) অ্যাট্রিয়ামের ডায়াস্টোল
Ο খ) ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল
Ο গ) অ্যান্ট্রিয়ামের সিস্টোল
Ο ঘ) ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল
সঠিক উত্তর: (খ)
৭৯. হৃদপিন্ড প্রাণিদেহে-মতো ক
করে।
Ο ক) হিটারের
Ο খ) জালিকার
Ο গ) পাম্প যন্ত্রের
Ο ঘ) নলের
সঠিক উত্তর: (গ)
৮০. বাম ভেন্ট্রেকলের সঙ্গে কয়ট
পালমোনারি শিরাযুক্ত থাক
Ο ক) চারটি
Ο খ) তিনটি
Ο গ) ছয়টি
Ο ঘ) দুটি
সঠিক উত্তর: (ক)
৮১. হৃৎপিন্ড বেষ্টিত থাকে কোন
দ্বারা?
Ο ক) এপিকার্ডিয়াম
Ο খ) পেরিকার্ডিয়াম
Ο গ) এপিথেলিয়াম
Ο ঘ) এন্ডোকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর: (খ)
৮২. WBC বলা হয় কোনটিকে?
Ο ক) লোহিত রক্ত কণিকা
Ο খ) শ্বেতরক্ত কণিকা
Ο গ) অণুচক্রিকা
Ο ঘ) থ্রম্বোসাইট
সঠিক উত্তর: (খ)
৮৩. আহারের পূর্বে রক্ত শর্করার
স্বাভাবিক সীমা কত?
Ο ক) ৩.৬-৬.০ mmol/L
Ο খ) ২-৪ mmol/L
Ο গ) ৪.২-৩.১ mmol/L
Ο ঘ) ৬-৮ mmol/L
সঠিক উত্তর: (ক)
৮৪. সেন্ট্রিফিউজ রক্তের-
i. উপরের ৫৬% কে প্লাজমা বল
ii. নিচের ৪৫% কে রক্তকণিকা
iii. উপরের ৫৫% কে প্লাজমা ব
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
৮৫. হাইপার টেনশনের কারণ-
Ο ক) অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
Ο খ) অতিরিক্ত ব্যায়াম
Ο গ) বেদবিহীন শরীর
Ο ঘ) কম ওজন
সঠিক উত্তর: (ক)
৮৬. পেরিকার্ডিয়াম পর্দা কম কয়
স্তরবিশিষ্ট?
Ο ক) এক স্তর
Ο খ) দুই স্তর
Ο গ) তিন স্তর
Ο ঘ) স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর: (খ)
৮৭. অ্যান্টিবডি গঠন করে কোনটি
Ο ক) নিউট্রোফিন
Ο খ) বেসোফিল
Ο গ) লিম্ফোসাইট
Ο ঘ) মনোসাইট
সঠিক উত্তর: (গ)
৮৮. পেরিকার্ডিয়াম পর্দা কয় স্ত
বিশিষ্ট?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (ক)
৮৯. রক্ত জমাট বেঁধে রক্তক্ষরণ বন্
কোনটি?
Ο ক) থ্রম্বোপস্টিন
Ο খ) প্রোথ্রম্বিন
Ο গ) ফাইব্রিন
Ο ঘ) নিউট্রোফিল
সঠিক উত্তর: (গ)
৯০. রক্তকে সেন্ট্রিফিউজ করলে
রক্তরস পাওয়া যায় তার বর্ণ
Ο ক) লাল
Ο খ) হলুদ
Ο গ) হলদে লাল
Ο ঘ) সাদা
সঠিক উত্তর: (খ)
৯১. নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদা
বৃক্কে নিয়ে যায়-
Ο ক) ধমনি
Ο খ) শিরা
Ο গ) কৈশিক জালিকা
Ο ঘ) রক্ত
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৯২. ইসিজি এর পূর্ণরূপ-
i. Electro Cardiogram
ii. Eco Cardiogram
iii. Electro Cardiograph
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
৯৩. রক্তের প্রধান উপাদান কয়টি?
Ο ক) 2
Ο খ) 3
Ο গ) 4
Ο ঘ) 5
সঠিক উত্তর: (ক)
৯৪. শ্বেতরক্ত কণিকা প্রধানত কয়
ধরনের?
Ο ক) ২
Ο খ) ৩
Ο গ) ৪
Ο ঘ) ৫
সঠিক উত্তর: (ক)
৯৫. রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় সাহায্
i. ফাইব্রিন
ii. ভিটামিন কে
iii. ক্যালসিয়াম আয়ন
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
৯৬. স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগকে
বলা হয়?
Ο ক) গ্লাইকোলিপিড
Ο খ) গ্লাইকোপ্রোটিন
Ο গ) লাইপোপ্রোটিন
Ο ঘ) কোলেস্টেরল
সঠিক উত্তর: (গ)
৯৭. বিশ্রামে প্রাপ্ত বয়স্কদের প
রেট কত?
Ο ক) ৬০-১০০/মি.
Ο খ) ৩০-৬০/মি.
Ο গ) ১০০-১৪০/মি.
Ο ঘ) ১০০-১২০/মি.
সঠিক উত্তর: (ক)
৯৮. কোন প্রাণীর লোহিত রক্তকণ
নিউক্লিয়াস থাকে?
Ο ক) মুরগি
Ο খ) মানুষ
Ο গ) গরু
Ο ঘ) ছাগল
সঠিক উত্তর: (ক)
৯৯. মানবদেহে পরিণত লোহিত
রক্তকণিকার আকৃতি কেমন?
Ο ক) চ্যাপ্টা
Ο খ) গোলাকার
Ο গ) ডিম্বাকার
Ο ঘ) রড আকৃতি
সঠিক উত্তর: (ক)
১০০. দেহের প্রতিটি কোষে অক্স
সরবরাহ করে কোনটি?
Ο ক) হেপাটোসআটি
Ο খ) লিউকোসাইট
Ο গ) থ্রম্বোসাইট
Ο ঘ) এরিথ্রোসাইট
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১০১. কোনটি বিপাকজনিত রোগ?
Ο ক) ডায়াবেটিস
Ο খ) ডেঙ্গুজ্বর
Ο গ) ম্যালেরিয়া
Ο ঘ) জন্ডিস
সঠিক উত্তর: (ক)
১০২. অ্যাওর্টার উৎপত্তিস্থল কো
Ο ক) ডান ভেন্ট্রেকল
Ο খ) বাম ভেন্ট্রেকল
Ο গ) ডান অ্যাট্রিয়াম
Ο ঘ) বাম অ্যাট্রিয়াম
সঠিক উত্তর: (খ)
১০৩. রক্তের অ্যান্টিজেনের ভিত্
পৃথিবীতে কয় ধরনের মানুষ ব
করছে?
Ο ক) ৬ ধরনের
Ο খ) ৫ ধরনের
Ο গ) ৩ ধরনের
Ο ঘ) ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১০৪. হৃদপেশি নির্মিত ত্রিকোণা
ফাঁপা প্রকোষ্ঠযুক্ত অঙ্গ ক
Ο ক) যকৃত
Ο খ) হৃৎপিন্ড
Ο গ) ফুসফুস
Ο ঘ) পাকস্থলি
সঠিক উত্তর: (খ)
১০৫. অ্যাট্রিয়ামে সিস্টোল হলে
ভেন্টেকলে - হয়।
Ο ক) সিস্টোল
Ο খ) ডায়াস্টোল
Ο গ) লাব
Ο ঘ) ডাব
সঠিক উত্তর: (খ)
১০৬. শ্বেতরক্ত কণিকা কোন প্রক্
জীবাণু ধ্বংস করে?
Ο ক) সাইটোসিস
Ο খ) ফ্যাগোসাইটোসিস
Ο গ) এন্টিজেন
Ο ঘ) ফাইব্রিন
সঠিক উত্তর: (খ)
১০৭. অণুচক্রিকা থেকে নিঃসৃত
পদার্থের নাম কী?
Ο ক) ফাইব্রিনোজেন
Ο খ) থ্রম্বিন
Ο গ) থ্রম্বোপ্লাসটিন
Ο ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর: (গ)
১০৮. কলাকোষকে পুষ্টি দ্রব্য সরব
করে-
i. রক্তকণিকা
ii. শাখা ধমনি
iii. ধমনি
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
১০৯. রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভ
মাত্রা কত?
Ο ক) ৫০-৬০ gm/dl
Ο খ) ৮০-১০০ mg/dl
Ο গ) ১০০-২০০ mg/dl
Ο ঘ) ২০০-৩০০ mg/dl
সঠিক উত্তর: (গ)
১১০. অণুচক্রিকার অস্বাভাবিকতা
রোগ-
i. পারপুরা
ii. থ্রম্বসিসা
iii. অ্যানিমিয়া
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১১১. রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জ
বেঁধে যাওয়াকে - বলে?
Ο ক) অ্যানিমিয়া
Ο খ) লিউকোমিয়া
Ο গ) থ্যালসিমিয়া
Ο ঘ) থ্রম্বোসিস
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১১২. কতগুলো শিরার একত্রে অবস্
কী বলে?
Ο ক) উপশিরা
Ο খ) মহাশিরা
Ο গ) ধমনি
Ο ঘ) উপ-ধমনি
সঠিক উত্তর: (খ)
১১৩. কোনটি অ্যামিবার মতো দে
আকারের পরিবর্তন করে?
Ο ক) লোহিত রক্তকণিকা
Ο খ) শ্বেত রক্তকণিকা
Ο গ) অনুচক্রিকা
Ο ঘ) নিউরন
সঠিক উত্তর: (খ)
১১৪. রক্ত কণিকা অনুপস্থিত কোন
Ο ক) রক্ত রস
Ο খ) প্লাজমা
Ο গ) সিরাম
Ο ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর: (গ)
১১৫. অণুচক্রিকার প্রধান কাজ-
Ο ক) ফ্যাগোসাইটোসিস
Ο খ) রক্ততঞ্চন
Ο গ) এলার্জি প্রতিরোধ
Ο ঘ) অ্যান্টিবডি তৈরি
সঠিক উত্তর: (খ)
১১৬. রক্ত চাপ বলতে বুঝায়-
Ο ক) শিরার রক্তচাপ
Ο খ) কৈশিক জালিকার রক্তচাপ
Ο গ) ধমনির রক্ত চাপ
Ο ঘ) ভেনাক্যাভার রক্ত চাপ
সঠিক উত্তর: (গ)
১১৭. কোন প্রাণীদের
নিউক্লিয়াসবিহীন লোহিত
রক্তকণিকা?
Ο ক) মাছের
Ο খ) সরীসৃপদের
Ο গ) প্লীহাতে
Ο ঘ) হৃৎপিন্ডে
সঠিক উত্তর: (গ)
১১৮. কোন প্রাণীর রক্তের রং লা
Ο ক) তেলাপোকা
Ο খ) ব্যাঙ
Ο গ) ঘাসফড়িং
Ο ঘ) জোঁক
সঠিক উত্তর: (খ)
১১৯. হৃৎপিন্ডের আকৃতি কেমন?
Ο ক) গোলাকার
Ο খ) সর্পিলাকার
Ο গ) ত্রিকোণাকার
Ο ঘ) বর্গাকার
সঠিক উত্তর: (গ)
১২০. রক্ত জমাট বাঁধানো কোনটি
কাজ?
Ο ক) লোহিত কণিকা
Ο খ) অণুচক্রিকা
Ο গ) শ্বেত কণিকা
Ο ঘ) লসিকা কোষ
সঠিক উত্তর: (খ)
১২১. বিশ্রামে থাকা অবস্থায় পা
হার্ট-বিটের স্বাভাবিক গতি
মিনিটে-
i. প্রাপ্তবয়স্ক : ৮০-১১০ বার
ii. ছোটদের : ৮০-১০০ বার
iii. শিশুদের : ১০০-১৪০
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১২২. বহিরাগত অযাচিত যে প্রোট
রক্তে অ্যান্টিবডি তৈরি কর
উদ্বুদ্ধ করে তাকে কী বলে?
Ο ক) অ্যান্টিবডি
Ο খ) হরমোন
Ο গ) এনজাইম
Ο ঘ) অ্যান্টিজেন
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১২৩. হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্ত
নালিকায় রক্ত জমাট বাঁধাক
বলে?
Ο ক) আর্টারিওস্কেলেরোসিস
Ο খ) করোনারি থ্রম্বোসিস
Ο গ) সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
Ο ঘ) মধুমেহ
সঠিক উত্তর: (খ)
১২৪. হার্ট অ্যাটাক কেন হয়?
Ο ক) পালমোনরি শিরা বন্ধ হয়ে গ
Ο খ) পালমোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গ
Ο গ) অ্যাওর্টার প্রাচীর পুরু হয়ে গ
Ο ঘ) করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গে
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১২৫. একটি হৃদস্পন্দন সময় লাগে-
Ο ক) ০.৬ সেকেন্ড
Ο খ) ০.৭ সেকেন্ড
Ο গ) ০.৮ সেকেন্ড
Ο ঘ) ০.৯ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর: (গ)
১২৬. কোনটির নির্দিষ্ট কোন আক
নাই?
Ο ক) লোহিত রক্তকণিকা
Ο খ) শ্বেত রক্তকণিকা
Ο গ) অনুচক্রিকা
Ο ঘ) ডিম্বাণু
সঠিক উত্তর: (খ)
১২৭. হাইপার টেনশন প্রতিরোধে
কত ঘন্টা ঘুমানো উচিত?
Ο ক) ৪-৬ ঘন্টা
Ο খ) ৭-৮ ঘন্টা
Ο গ) ৮-১০ ঘন্টা
Ο ঘ) ১০-১২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর: (খ)
১২৮. �স্নেহ ও প্রোটিনের যৌগ হ
Ο ক) স্নেহ প্রোটিন
Ο খ) লাইপোপ্রোটিন
Ο গ) হাইপো প্রোটিন
Ο ঘ) অযৃগ্ম প্রোটিন
সঠিক উত্তর: (খ)
১২৯. র্থ্যালসিমিয়া রোগীকে প্র
মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের
প্রয়োজন হয়?
Ο ক) দুই মাস
Ο খ) তিন মাস
Ο গ) চার মাস
Ο ঘ) ছয় মাস
সঠিক উত্তর: (খ)
১৩০. ডায়াবেটিস বেশি হয়ে থাক
i. দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতী
সেবন করলে
ii. বাবা অথবা মায়ের ডায়া
থাকলে
iii. শারীরিক পরিশ্রম না কর
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৩১. সারাদেহে রক্ত সংবহিত হও
কারণ-
Ο ক) হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসা
Ο খ) ফুসফুসের সংকোচন ও প্রসারণ
Ο গ) শিরার সংকোচন ও প্রসারণ
Ο ঘ) শিরা ও ধমনীর সংকোচন ও প্
সঠিক উত্তর: (ক)
১৩২. পূর্ণবয়স্ক পুরুষদেহে লোহিত
কণিকা বিদ্যমান-
Ο ক) ৪-৫ লাখ
Ο খ) ৪.৫-৫.৫ লাখ
Ο গ) ৮০-৯০ লাখ
Ο ঘ) ৬০-৭০ লাখ
সঠিক উত্তর: (খ)
১৩৩. রক্তে কোনটির মাত্রা বেড়
গেলে ডায়াবেটিস মেলিটা
Ο ক) কোলেস্টেরল
Ο খ) গ্লুকোজ
Ο গ) অ্যামিনো অ্যাসিড
Ο ঘ) গ্লিসারল
সঠিক উত্তর: (খ)
১৩৪. মানব দেহের প্রতি ঘনি
মিলিমিটার রক্তে শ্বেত কণ
পরিমাণ-
Ο ক) ২-৪ হাজার
Ο খ) ৪-৮ হাজার
Ο গ) ৪-১০ হাজার
Ο ঘ) ৫-১০ হাজার
সঠিক উত্তর: (গ)
১৩৫. রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা ব
যাওযাকে বলে-
Ο ক) অ্যানিমিয়া
Ο খ) লিকোমিয়া
Ο গ) লিউকোসাইটোসিস
Ο ঘ) থ্রম্বোসাইটোসিস
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৩৬. কোন রোগটি মানুষের অটো
অবস্থিত-প্রচ্ছন্ন জিনের দ্ব
ঘটে?
Ο ক) পারপুরা
Ο খ) লিউকোমিয়া
Ο গ) থ্যালাসিমিয়া
Ο ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: (গ)
১৩৭. প্লাজমার কাজ কোনটি?
Ο ক) অক্সিজেন পরিবহন করা
Ο খ) অ্যালার্জি প্রতিরোধ করা
Ο গ) পুষ্টিদ্রব্য পরিবহন করা
Ο ঘ) আয়রনের সমতা রক্ষা করা
সঠিক উত্তর: (গ)
১৩৮. রক্তকণিকা বিদ্যমান-
i. রক্ত রস
ii. প্লাজমাতে
iii. সিরামে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
১৩৯. আঘাতপ্রাপ্ত টিস্যুর অণুচক্র
ভেঙে গঠিত পদার্থ হলো-
Ο ক) থ্রম্বোপ্লাসটিন
Ο খ) থ্রম্বিন
Ο গ) ফাইব্রিন
Ο ঘ) প্রথ্রমবিন
সঠিক উত্তর: (ক)
১৪০. রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার স
বৃদ্ধির ফলে কী কী রোগ সৃষ্ট
পারে?
i. নিউমোনিয়া
ii. হুপিং কাশি
iii. ব্লাড ক্যান্সার
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৪১. রক্তরসের রক্তকণিকাগুলো-
Ο ক) ডুবন্ত
Ο খ) ভাসমান
Ο গ) নিমজ্জিত
Ο ঘ) ঘুমন্ত
সঠিক উত্তর: (খ)
১৪২. রক্তের কাজ-
i. হরমোন পরিবহন
ii. দৈহিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ
iii. শ্বাসকার্য
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৪৩. ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ক
প্রযোজ্য?
Ο ক) শুধু ওষুধ দ্বারা এর নিয়ন্ত্রণ স
Ο খ) দৈহিক পরিশ্রম ক্ষতিকর
Ο গ) শর্করা উপযুক্ত খাদ্য
Ο ঘ) প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য খাওয়া উ
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৪৪. গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্ল
দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থ
অনুসারে শ্বেত কণিকাকে প্
কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
Ο ক) ২ ভাগে
Ο খ) ৩ ভাগে
Ο গ) ৪ ভাগে
Ο ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর: (ক)
১৪৫. রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গ
কী ঘটে?
i. LDL এর উপাদান বেড়ে যায়
ii. LDL এর পরিমাণ কমে যায়
iii. HDL এর পরিবহন কমে যায়
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
১৪৬. ডান অ্যাট্রিয়ামের সাথে ক
যুক্ত থাকে?
Ο ক) ভেনাক্যাভা
Ο খ) পালমোনারি শিরা
Ο গ) পালমোনারি ধমনি
Ο ঘ) অ্যাওর্টা
সঠিক উত্তর: (ক)
১৪৭. রক্তের উপাদানগুলো হলো-
i. রক্তরস
ii. সিরাম
iii. রক্ত কণিকা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
১৪৮. অ্যান্টিজেনের ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য-
i. ইহার অপর নাম অ্যাগ্লুটিন
ii. অ্যাগ্লুটিনিন
iii. ইহার ভিত্তিতে পৃথিবীত
ধরনের মানুষ বিরাজ করছে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৪৯. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত
পদার্থের নাম কী?
Ο ক) কোলেস্টেরল
Ο খ) অ্যামিানিয়া
Ο গ) ইউরিক এসিড
Ο ঘ) হরমোন
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৫০. মানুষের হৃৎপিন্ড কয় প্রকোষ্
বিশিষ্ট?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (গ)
১৫১. কোনো অ্যান্টিজেন নাই - গ্
রক্তে?
Ο ক) এ
Ο খ) বি
Ο গ) ও
Ο ঘ) এবি
সঠিক উত্তর: (গ)
১৫২. রক্তকণিকা প্রধানত কত রকম
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (খ)
১৫৩. মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত
কেমন?
Ο ক) লাল
Ο খ) সাদা
Ο গ) হলুদ
Ο ঘ) বর্ণহীন
সঠিক উত্তর: (ক)
১৫৪. নিচের কোনটিতে কখনোই
নিউক্লিয়াস থাকে না?
Ο ক) লোহিত কণিকা
Ο খ) বেসেফিল
Ο গ) অণুচক্রিকা
Ο ঘ) মনোসাইট
সঠিক উত্তর: (গ)
১৫৫. গুরু মস্তিষ্খের রক্তনালিকায়
জমাটি বাঁধলে তাকে কী বল
Ο ক) সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
Ο খ) করোনারি থ্রম্বোসিস
Ο গ) পারপুরা
Ο ঘ) অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর: (ক)
১৫৬. সিরামের বৈশিষ্ট্য হলো-
i. এটি রক্তরসের অপর নাম
ii. এর বর্ণ হালকা হলুদ
iii. এতে রক্তকণিকা থাকে ন
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
১৫৭. রক্তরসে উপস্থিতি জৈব পদা
কোনটি?
Ο ক) পটাসিয়াম
Ο খ) ভিটামিন
Ο গ) লৌহ
Ο ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর: (খ)
১৫৮. শিশুদের বিশ্রাম অবস্থায় প্
মিনিটে কতবার হৃদস্পন্দন হয়?
Ο ক) ৬০-১০০
Ο খ) ৮০-১০০
Ο গ) ১০০-১২০
Ο ঘ) ১০০-১৪০
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৫৯. স্বাভাবিক রক্তে-
i. নিউট্রোফিল ৪০-৭৫%
ii. ইওসিনোফিল ১-৬%
iii. বেসোফিল ২-১০%
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬০. একজন সুস্থ পুরুষের রক্তে
হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ-
Ο ক) ১৪-১৬ mg/dl
Ο খ) ৬-১০ mg/dl
Ο গ) ১২-১৪ mg/dl
Ο ঘ) ৭-১৩ mg/dl
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬১. ডায়াবেটিস রোগীদের কোন
খাবার সম্পূর্ণ ছাড়তে হবে?
Ο ক) টক খাবার
Ο খ) মিষ্টি খাবার
Ο গ) প্রোটিন খাবার
Ο ঘ) চর্বিযুক্ত খাবার
সঠিক উত্তর: (খ)
১৬২. Rh- মহিলার সঙ্গে Rh+ পুরুষে
বিয়ে হলে তাদের ১ম সন্তান
কোনটি হবে?
Ο ক) Rh-
Ο খ) Rh+
Ο গ) Rh বিহীন
Ο ঘ) Rh+-
সঠিক উত্তর: (খ)
১৬৩. কোন রোগে লিউকোসাইটো
অবস্থার সৃষ্টি হয়?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) রাতকানা
Ο গ) জন্ডিস
Ο ঘ) ডেঙ্গুজ্বর
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬৪. কোনটি বংশগত রোগ?
Ο ক) পলিসাইথিমিয়া
Ο খ) লিউকোসাইটোসিস
Ο গ) থ্রম্বোসাইটোসিস
Ο ঘ) থ্যালাসিমিয়া
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৬৫. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ক
Ο ক) ১-৫
Ο খ) ৫-১০
Ο গ) ১-১৫
Ο ঘ) ১২০
সঠিক উত্তর: (গ)
১৬৬. রক্তচাপ নির্ভর করে-
i. হৃৎপিন্ডের কার্যকারিতার
ii. রক্তের ঘনত্বের উপর
iii. ধমনির দৈর্ঘ্যের উপর
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬৭. দ্রুত সুতার মতো জালিকা ত
করে কোনটি?
Ο ক) ফাইব্রিন
Ο খ) থ্রমবিন
Ο গ) থ্রম্বোপ্লাসটিন
Ο ঘ) গ্রামুলোসাইট
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬৮. শরীরের জন্য ক্ষতিকর-
Ο ক) LDL
Ο খ) HDL
Ο গ) FDL
Ο ঘ) CO2
সঠিক উত্তর: (ক)
১৬৯. হিমোগ্লোবিনের অভাবে ক
রোগ হয়?
Ο ক) রাতকানা
Ο খ) অ্যানিমিয়া
Ο গ) জন্ডিস
Ο ঘ) লিউকেমিয়া
সঠিক উত্তর: (খ)
১৭০. শ্বেতরক্ত কণিকার সংখ্যা ক
নিউমোনিয়া দেখা দেয়?
Ο ক) ১০,০০০-২০,০০০
Ο খ) ২০,০০০-৩০,০০০
Ο গ) ৩০,০০০-৪০,০০০
Ο ঘ) ৩৫,০০০-৪৫,০০০
সঠিক উত্তর: (খ)
১৭১. কোনো অ্যান্টিবডি নাই - গ্
রক্তে?
Ο ক) এ
Ο খ) বি
Ο গ) ও
Ο ঘ) এবি
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৭২. ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকাল
ধমনির প্রাচীরে যে পার্শ্চচ
সৃষ্টি করে তাকে কী বলে?
Ο ক) রক্তচাপ
Ο খ) হার্টবিট
Ο গ) পালস
Ο ঘ) হৃদস্পন্দন
সঠিক উত্তর: (ক)
১৭৩. রক্তরসের কাজগুলো হলো-
i. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজ
উপাদান পরিবহন
ii. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভার
রক্ষা
iii. হরমোন পরিবহন
নিচের কোনটি সঠিক?

Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৭৪. আকার, আকৃতি ও কাজের
ভিত্তিতে রক্তবাহিকা-
Ο ক) ২ ধরনের
Ο খ) ৩ ধরনের
Ο গ) ৪ ধরনের
Ο ঘ) ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর: (খ)
১৭৫. রক্তে হিমোগ্লোবিনের পর
কমে যায় কোন ক্ষেত্রে?
Ο ক) পলিসাইথিমিয়া
Ο খ) অ্যানিমিয়া
Ο গ) লিউকোমিয়া
Ο ঘ) পারপুরা
সঠিক উত্তর: (খ)
১৭৬. অ্যান্টি Rh ফ্যাক্টরের ফলে
রোগ সৃষ্টি হতে পারে?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) হুপিং কাশি
Ο গ) জন্ডিস
Ο ঘ) ক্যান্সার
সঠিক উত্তর: (গ)
১৭৭. রক্তেরক্তকণিকার পরিমাণ শ
Ο ক) ৫৪%
Ο খ) ৫৫%
Ο গ) ৪৪%
Ο ঘ) ৪৫%
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৭৮. ধমনির স্থিতিস্থাপকতা কমে
গেলে তাকে কী বলে?
Ο ক) Arteriosclerosis
Ο খ) Osteoporosis
Ο গ) Anemia
Ο ঘ) Heart attack
সঠিক উত্তর: (ক)
১৭৯. বিয়ের পূর্বে বর ও কনের রক্
পরীক্ষা করা উচিত কেন?
Ο ক) সুস্থতা জানার জন্য
Ο খ) একই রক্তগ্রুপ রাখার জন্য
Ο গ) সঠিক Rh ফ্যাক্টর বজায় রাখ
Ο ঘ) ভিন্ন রক্তগ্রুপ বজায় রাখার
সঠিক উত্তর: (গ)
১৮০. মানুষের রক্তকোষের কয় ধরন
অ্যান্টিজেন আছে?
Ο ক) দুই
Ο খ) তিন
Ο গ) চার
Ο ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর: (ক)
১৮১. কখন রক্তের শ্বেত কণিকার স
বৃদ্ধি পায়?
Ο ক) দেহ সুস্থ থাকা অবস্থায়
Ο খ) জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে
Ο গ) বিশ্রামকালে
Ο ঘ) কঠোর পরিশ্রমের সময়
সঠিক উত্তর: (খ)
১৮২. দেহের প্রতিটি কোষে অক্স
সরবরাহ করে-
Ο ক) রক্তরস
Ο খ) লোহিত কণিকা
Ο গ) শ্বেত কণিকা
Ο ঘ) অণুচক্রিকা
সঠিক উত্তর: (খ)
১৮৩. হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথব
ভেন্ট্রেকলের সংকোচন ক্ষম
লোপকে কী বলা হয়?
Ο ক) হার্ট ব্লক
Ο খ) হার্ট অ্যাটাক
Ο গ) হার্ট ফেলিউর
Ο ঘ) হার্ট উইক
সঠিক উত্তর: (গ)
১৮৪. অ্যানিমিয়া কেন হয়?
Ο ক) লোহিত কণিকার সংখ্যা বেড়
গেলে
Ο খ) শ্বেত কণিকার সংখ্যা কমে গ
Ο গ) অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে গে
Ο ঘ) হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম
গেলে
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৮৫. অণুচক্রিকাকে ইংরেজিতে
বলে?
Ο ক) গ্রানুলোসাইট
Ο খ) অ্যাগ্রানুলোসাইট
Ο গ) থ্রম্বোসাইট
Ο ঘ) প্লেইটলেট
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৮৬. শাহেদের রক্তের গ্রুপ বি। দুর্
তার রক্তের প্রয়োজন সে রক্
করতে পারে-
i. বি রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি থে
ii. এবি রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি থ
iii. ও রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি থে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
১৮৭. কোন রোগে শ্বেত কণিকার
বেড়ে যায়?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) জন্ডিস
Ο গ) টাইফয়েড
Ο ঘ) চর্মরোগ
সঠিক উত্তর: (ক)
১৮৮. হৃৎস্পন্দন পর পর সংঘটিত ঘটন
সমষ্টি-
Ο ক) হার্ট অ্যাটাক
Ο খ) কার্নিয়েক চক্র
Ο গ) কার্ডিয়াক চক্র
Ο ঘ) খাদ্য চক্র
সঠিক উত্তর: (গ)
১৮৯. হৃৎপিন্ড সংকুচিত হলে কোনট
ঘটে?
Ο ক) রক্ত শিরাপথে হৃৎপিন্ড ফিরে
Ο খ) পালমোনারি শিরা বিশুদ্ধ রক্
করে
Ο গ) পালমোনারি পথে সারা দেহ
ছড়িয়ে পড়ে
Ο ঘ) পালমোনারি ধমনি রক্তশূণ্য হ
সঠিক উত্তর: (গ)
১৯০. ডান ভেন্ট্রিকল থেকে কোন
উৎপত্তি হয়?
Ο ক) অ্যাওর্টা
Ο খ) অ্যাট্রিয়াম
Ο গ) পালমোনারী ধমনি
Ο ঘ) কৈশিক জালিকা
সঠিক উত্তর: (গ)
১৯১. রক্তকণিকার ক্ষেত্রে কোনট
সঠিক?
Ο ক) রক্তরসে দ্রবীভূত থাকে
Ο খ) রক্তকণিকা রক্তরস ধারণ করে
Ο গ) সকল রক্তকণিকা অভিন্ন
Ο ঘ) রক্তকণিকা রক্তরসে ভাসমান
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৯২. অ্যামিবার মতো আকার
পরিবর্তনের সক্ষম কোনটি?
Ο ক) রক্তরস
Ο খ) শ্বেতরক্তকণিকা
Ο গ) লোহিত রক্ত কণিকা
Ο ঘ) অণুচক্রিকা
সঠিক উত্তর: (খ)
১৯৩. ধমনি ও শিরার সংযোগস্থল
জালিকাকারে বিন্যস্ত হয়ে
কোনটি গঠন করে?
Ο ক) কৈশিক জালিকা
Ο খ) পালমোনারি ধমনি
Ο গ) রক্তরস
Ο ঘ) পালমোনারি শিরা
সঠিক উত্তর: (ক)
১৯৪. কোনটির নিউক্লিয়াস বৃক্কা
Ο ক) এরিথ্রোসাইট
Ο খ) থ্রম্বোসাইট
Ο গ) মনোসাইট
Ο ঘ) বেসোফিল
সঠিক উত্তর: (গ)
১৯৫. লোহিত রক্ত কণিকার বৈশি
i. হিমোগ্লোবিন নামজক রঞ্
পদার্থ থাকে
ii. অক্সিজেন পরিবহন করে
iii. বিভজিত হয়
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (খ)
১৯৬. হৃৎপিন্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংক
কী বলে?
Ο ক) ডায়াস্টোল
Ο খ) সিস্টোল
Ο গ) লাব
Ο ঘ) ডাব
সঠিক উত্তর: (খ)
১৯৭. জৈব পদার্থের অর্ন্তভূক্ত ক
Ο ক) লিম্ফোসাইট
Ο খ) সিউট্রোফিল
Ο গ) মোনোসাইট
Ο ঘ) সিরাম ইউরিয়া
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৯৮. কোনটি দানাহীন শ্বেত
রক্তকণিকা?
Ο ক) নিউট্রোফিল
Ο খ) ইওসিনোফিল
Ο গ) বেসোফিল
Ο ঘ) মনোসাইট
সঠিক উত্তর: (ঘ)
১৯৯. প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের রক্
প্রতি ঘন মিলিমিটার লোহি
কণিকার সংখ্যা কত?
Ο ক) ৪.৫-৫.৫ লাখ
Ο খ) ৩-৫ লাখ
Ο গ) ৮০-৯০ লাখ
Ο ঘ) ৪-৫ লাখ
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২০০. রক্তের তরল অংশকে কী বল
Ο ক) শ্বেতকণিকা
Ο খ) অণুচক্রিকা
Ο গ) প্লাজমা
Ο ঘ) পানি
সঠিক উত্তর: (গ)
২০১. পালস রেট ৬০ এর কম হয় কোন
রোগের ক্ষেত্রে?
Ο ক) নিউমোনিয়া
Ο খ) হুপিং কাশি
Ο গ) ক্যান্সার
Ο ঘ) জন্ডিস
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২০২. হিমোগ্লোবিনে কোন মৌল
বিদ্যমান?
Ο ক) লৌহ
Ο খ) সোডিয়াম
Ο গ) ম্যাগনেসিয়াম
Ο ঘ) পারদ
সঠিক উত্তর: (ক)
২০৩. মানবদেহের পরিণত লোহিত
রক্তকণিকা কোন আকৃতির?
Ο ক) দ্বি-উত্তল চাকতি
Ο খ) দ্বি-অবতল চাকতি
Ο গ) উত্তলাবতল চাকতি
Ο ঘ) হেপাটোসইট
সঠিক উত্তর: (গ)
২০৪. কোনটি হেপারিন নিঃসৃত ক
Ο ক) বেসোফিল
Ο খ) মনোসাইট
Ο গ) ইওসিনোফিল
Ο ঘ) নিউট্রোফিল
সঠিক উত্তর: (ক)
২০৫. হিস্টাসিন নিঃসৃত করে-
i. নিউট্রোফিল
ii. ইওসিনোফিল
iii. বেসোফিল
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
২০৬. থ্যালসিমিয়া রোগীকে প্রত
মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের
প্রয়োজন হয়?
Ο ক) দুই মাস
Ο খ) তিন মাস
Ο গ) চার মাস
Ο ঘ) ছয় মাস
সঠিক উত্তর: (খ)
২০৭. বিশ্রামে ছোটদের পলিস রে
Ο ক) ৬০-১০০/মি.
Ο খ) ৮০-১০/মি.
Ο গ) ১০০-১৪০/মি.
Ο ঘ) ১০০-১২০/মি.
সঠিক উত্তর: (গ)
২০৮. প্লেগ রোগ সৃষ্টির কারণ-
Ο ক) অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যা
Ο খ) অণুচক্রিকার সংখ্যা বেড়ে য
Ο গ) শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে
যাওয়া
Ο ঘ) লোহিত কণিকার সংখ্যা কম
যাওয়া
সঠিক উত্তর: (গ)
২০৯. সুমীর বাবার রক্তের গ্রুপ এব
অসুস্থ অবস্থায় প্রয়োজন তা
প্রয়োগ করা যাবে-
i. এ,বি গ্রুপের রক্ত
ii. এবি গ্রুপের রক্ত
iii. ও গ্রুপের রক্ত
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২১০. কৈশিক জালিকা থেকে উৎ
Ο ক) উপশিরা
Ο খ) মহাশিরা
Ο গ) ধমনি
Ο ঘ) শাখা ধমনি
সঠিক উত্তর: (ক)
২১১. রক্ত চাপ নির্ণয়ের যন্ত্র-
Ο ক) স্টেথোস্কোপ
Ο খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
Ο গ) ব্যারোমিটার
Ο ঘ) ল্যাকটোমিটার
সঠিক উত্তর: (খ)
২১২. বহিরাগত যে প্রোটিন রক্তে
অ্যান্টিবডি তৈরি করতে উদ্
করে সেই প্রোটিনকে কী বল
Ο ক) অ্যান্টিজেন
Ο খ) সিরাম
Ο গ) রক্তরস
Ο ঘ) পাজমা
সঠিক উত্তর: (ক)
২১৩. রক্তরসের কাজ হলো-
Ο ক) অম্লের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
Ο খ) ক্ষারের পরিমাণ কমিয়ে ফে
Ο গ) অম্ল ক্ষারের ভারসাম্য নষ্ট
Ο ঘ) অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২১৪. লোহিত রক্ত কণিকাগুলো উৎ
কেথায়?
Ο ক) অস্থিমজ্জায়
Ο খ) হৃৎপিন্ডে
Ο গ) ফুসফুসে
Ο ঘ) রক্তরসে
সঠিক উত্তর: (ক)
২১৫. প্লাজমা হতে সিরামের
পার্থক্যকারী বৈশিষ্ট্য-
i. রং হলুদ
ii. রক্তরসে কণিকা থাকে
iii. সিরামে রক্তকণিকা অনুপ
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (গ)
২১৬. কত সালে ডা. কার্ল
ল্যান্ডস্টেইনার রক্তের গ্রুপ
প্রবর্তন করেন?
Ο ক) ১৮০০
Ο খ) ১৮৫০
Ο গ) ১৯০০
Ο ঘ) ১৯৫০
সঠিক উত্তর: (গ)
২১৭. রক্তের সাধারণ কাজ হলো-
i. নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য
পদার্থকে বৃক্কে পডরিবণ কর
ii. দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্
iii. ফুসফুস থেকে টিস্যুকোষে
অক্সিজেন পরিবহণ করা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২১৮. একজন রোগীর রক্তের গ্রুপ এ।
রক্তের প্রয়োজন। সে নিম্নে
গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করবে?
Ο ক) বি+
Ο খ) ও
Ο গ) এবি
Ο ঘ) বি-
সঠিক উত্তর: (খ)
২১৯. কোন কোষে হিমোগ্লোবিন
থাকে?
Ο ক) লিউকোসাইট
Ο খ) থ্রম্বোসাইট
Ο গ) এরিথ্রোসাইট
Ο ঘ) হেপাটোসাইট
সঠিক উত্তর: (গ)
২২০. দানাহীন শ্বেত রক্তকণিকা
বলা হয়?
Ο ক) গ্রানুলোসাইট
Ο খ) অ্যাগ্রানুলোসাইট
Ο গ) উত্তসাইট
Ο ঘ) হেপাটোসাইট
সঠিক উত্তর: (খ)
২২১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য-
i. সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে
ii. চর্বিযুক্ত খাদ্য বর্জন করত
iii. অতিরিক্ত লবণ খেতে হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও ii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
২২২. সর্বজনীন দাতা গ্রুপ কোনটি
Ο ক) এ
Ο খ) বি
Ο গ) ও
Ο ঘ) এবি
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২২৩. রক্তে অ্যান্টিজেন আবিষ্ক
করেন কে?
Ο ক) মাইকেল এডানসন
Ο খ) থমাস হান্ট মর্গান
Ο গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
Ο ঘ) ওয়ালথার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর: (গ)
২২৪. লিম্ফোসাইট কোথায় তৈরি
Ο ক) অস্থিমজ্জায়
Ο খ) পেশীতে
Ο গ) টনসিলে
Ο ঘ) যকৃতে
সঠিক উত্তর: (গ)
২২৫. হৃৎপিন্ডের পেরিকার্ডিয়াম
কয় স্তরবিশিষ্ট?
Ο ক) একস্তর
Ο খ) দ্বিস্তর
Ο গ) ত্রিস্তর
Ο ঘ) চার স্তর
সঠিক উত্তর: (খ)
২২৬. স্টেথোস্কোপের সাহায্য শ
হৃদস্পন্দনের শব্দকে বলা হয়-
Ο ক) হৃদস্পন্দন
Ο খ) হার্ট-বিট
Ο গ) হার্ট-অ্যাটাক
Ο ঘ) হার্ট সাউন্ড
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২২৭. লোহিত কণিকার সংখ্যা
স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি
পাওয়াকে কী বলে?
Ο ক) অ্যানিমিয়া
Ο খ) লিউকোমিয়া
Ο গ) পলিসাইথিমিয়া
Ο ঘ) লিউকোসাইটোসিস
সঠিক উত্তর: (গ)
২২৮. শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু-
Ο ক) ১-৫ দিন
Ο খ) ১-১০ দিন
Ο গ) ১-১৫ দিন
Ο ঘ) ১-২০ দিন
সঠিক উত্তর: (গ)
২২৯. রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতর
জমাট বাঁধতে বাধা দেয় কো
Ο ক) হেপারিন
Ο খ) হিস্টারিন
Ο গ) অ্যান্টিবডি
Ο ঘ) এনজাইম
সঠিক উত্তর: (ক)
২৩০. রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বে
গেলে তাকে কী বলে?
Ο ক) লিউকেমিয়া
Ο খ) অ্যানিমিয়া
Ο গ) ডায়াবেটিস
Ο ঘ) পারপুরা
সঠিক উত্তর: (গ)
২৩১. ফারেনহাইট তাপ বৃদ্ধির জন্য
রেট বাড়ে-
Ο ক) ১০/মি.
Ο খ) ১৫/মি.
Ο গ) ২০/মি.
Ο ঘ) ২৫/মি.
সঠিক উত্তর: (ক)
২৩২. ধমনি পরিবহন করে-
Ο ক) বিশুদ্ধ রক্ত
Ο খ) দূষিত রক্ত
Ο গ) বর্জ্য পদার্থ
Ο ঘ) রক্তরস
সঠিক উত্তর: (ক)
২৩৩. হৃদপিন্ডের করোনারি রক্ত
নালিকায় রক্ত জমাট বাঁধাক
বলে?
Ο ক) আটারিওস্কেলেরোসিস
Ο খ) করোনারি থ্রম্বোসিস
Ο গ) সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস
Ο ঘ) মধুমেহ
সঠিক উত্তর: (খ)
২৩৪. সাধারণত দেহের বিভিন্ন অ
থেকে শিরার মাধ্যমে হৃদপি
ফিসে আসে?
Ο ক) অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত
Ο খ) নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ রক্ত
Ο গ) ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ রক্ত
Ο ঘ) কার্বন ডাইঅক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৩৫. কবিরের রক্তের গ্রুপ এ হলে
রক্তে কোন অ্যান্টিজেন থা
Ο ক) এ
Ο খ) এ, বি
Ο গ) এ
Ο ঘ) কোনো অ্যান্টিজেন থাকবে
সঠিক উত্তর: (গ)
২৩৬. থ্যালসিমিয়া রোগটি সাধা
কখন শনাক্ত হয়?
Ο ক) ভ্রুণ অবস্থায়
Ο খ) শিশু অবস্থায়
Ο গ) পূর্ণাঙ্গ অবস্থায়
Ο ঘ) মৃত্যুর পূর্বে
সঠিক উত্তর: (খ)
২৩৭. রক্ত বাহিকার ভেতরে রক্তক
জমাট বার্ধতে বাধা দেয় ক
Ο ক) নিউট্রোফিল
Ο খ) বেসোফিল
Ο গ) ইওসিনোফিল
Ο ঘ) মনোসাইট
সঠিক উত্তর: (খ)
২৩৮. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত
পদার্তের নাম কী?
Ο ক) কোলেস্টেরল
Ο খ) অ্যামোনিয়া
Ο গ) ইউরিক এসিড
Ο ঘ) হরমোন
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৩৯. রক্ত সংবহন তন্ত্রের অংশসমুহ
i. রক্ত
ii. হৃদপিন্ড
iii. রক্ত বাহিকা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৪০. ও গ্রুপের রক্ত জমাট বাঁধিয়ে
i. এ বি গ্রুপের রক্তকে
ii. বি গ্রুপের রক্তকে
iii. এ গ্রুপের রক্তকে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৪১. কোনটির সংকোচন ও প্রসার
সারাদেহে রক্ত সঞ্চালন ঘট
Ο ক) হৃৎপিন্ড
Ο খ) ধমনি
Ο গ) শিরা
Ο ঘ) ফুসফুস
সঠিক উত্তর: (ক)
২৪২. হৃৎপিন্ডের স্পন্দকে কী বলে
Ο ক) হার্ট বিট
Ο খ) হার্ট অ্যাটাক
Ο গ) হার্ট ফেইলিউর
Ο ঘ) ইসিজি
সঠিক উত্তর: (ক)
২৪৩. ধমনি শাখা-প্রশাখার বিভক্
কী গঠন করে?
Ο ক) অ্যার্টোরিওল
Ο খ) অ্যাওর্টা
Ο গ) অ্যাট্রিয়াম
Ο ঘ) কৈশিক জালিকা
সঠিক উত্তর: (ক)
২৪৪. কোন যন্ত্রের সাহায্য হার্টব
অনুভব করা যায়?
Ο ক) স্টেথোস্কোপ
Ο খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
Ο গ) অলটিমিটার
Ο ঘ) গ্যালভানোমিটার
সঠিক উত্তর: (ক)
২৪৫. একটি হৃদস্পন্দন সম্পন্ন হতে ক
সেকেন্ড সময় লাগে?
Ο ক) ০.৫
Ο খ) ০.৬
Ο গ) ০.৭
Ο ঘ) ০.৮
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৪৬. নিচের কোন ফ্যাগোসাইটো
প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ কর
Ο ক) বেসোফিল
Ο খ) ইওসিনোফিল
Ο গ) নিউট্রোফিল
Ο ঘ) লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর: (গ)
২৪৭. হৃদপিন্ড বেষ্টনকারী পর্দার
কী?
Ο ক) পেরিকার্ডিয়াম
Ο খ) অ্যাট্রিয়াম
Ο গ) ভেন্ট্রিকল
Ο ঘ) ভেনক্যাভা
সঠিক উত্তর: (ক)
২৪৮. ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল অবস্
কোনটি ঘটে?
Ο ক) বাইকাসপিড কপাটিকা বন্ধ থ
Ο খ) ট্রাইকাসপিড কপাটিকা খো
থাকে
Ο গ) সেমিলুনার কপাটিকা বন্ধ থা
Ο ঘ) সেমিলুনার কপাটিকা খোলা
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৪৯. নিচের কোনটি ফ্যাগোসাইট
প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস
Ο ক) এরিথ্রোসাইট
Ο খ) থ্রম্বোসাইট
Ο গ) লিউকোসাইট
Ο ঘ) মনোসাইট
সঠিক উত্তর: (গ)
২৫০. হৃৎপিন্ডকে সংকোচনে সাহা
করে-
Ο ক) অ্যাট্রিয়াম
Ο খ) ভেন্ট্রেকল
Ο গ) অ্যাওর্টা
Ο ঘ) পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৫১. রক্তরস-বর্ণের?
Ο ক) লাল
Ο খ) হলুদ
Ο গ) কমলা
Ο ঘ) গোলাপী
সঠিক উত্তর: (খ)
২৫২. একজন সুস্থ মানুষের রক্তে ক
পরিমাণ বিলিরুবিন থাকে?
Ο ক) ১৫-১০ mg/dl
Ο খ) ০.২-১ mg/dl
Ο গ) ০.৫-১.৫ mg/dl
Ο ঘ) ০-২০০ mg/dl
সঠিক উত্তর: (খ)
২৫৩. কার্ডিয়াক চক্রের ধাপ কয়ট
Ο ক) ২
Ο খ) ৩
Ο গ) ৪
Ο ঘ) ৫
সঠিক উত্তর: (গ)
২৫৪. নিচের কোনটির নির্দিষ্ট আ
নেই?
Ο ক) লোহিত কণিকা
Ο খ) শ্বেত কণিকা
Ο গ) অণুচক্রিকা
Ο ঘ) হৃদপিন্ড
সঠিক উত্তর: (খ)
২৫৫. অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ
Ο ক) ধমনি ও পালমোনারি ধমনি
Ο খ) শিরা ও পালমোনারি শিরা
Ο গ) ধমনি ও পালমোনারি শিরা
Ο ঘ) শিরা ও ধমনি
সঠিক উত্তর: (গ)
২৫৬. রক্তে গ্লুকোজের স্বাভাবি
মাত্রা-
Ο ক) ১০-৪০ mg/dl
Ο খ) ৪০-৮০ mg/dl
Ο গ) ৮০-১২০ mg/dl
Ο ঘ) ১২০-১৪০ mg/dl
সঠিক উত্তর:
২৫৭. হৃদপেশির ক্রিয়া পদ্ধতি লি
করার যন্ত্রকে কী বলে?
Ο ক) ইসিজি
Ο খ) ব্যারোমিটার
Ο গ) থার্মোমিটার
Ο ঘ) ল্যাকটোমিটার
সঠিক উত্তর: (ক)
২৫৮. অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন
i. পালমোনারি শিরা
ii. অ্যাটেরিওল
iii. সাবক্লোভিয়ান শিরা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii
Ο খ) i ও iii
Ο গ) ii ও iii
Ο ঘ) i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: (ক)
২৫৯. শ্বেত কণিকার কাজ কোনটি
Ο ক) এলার্জি প্রতিরোধ করা
Ο খ) আয়রনের সমতা রক্ষা করা
Ο গ) রক্তক্ষরণ রোধ করা
Ο ঘ) অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য নিয়ন্
করা
সঠিক উত্তর: (ক)
২৬০. কোনটির অবস্থান লোহিত ক
প্লাজমা পর্দার বাইরে?
Ο ক) অ্যান্টিবডির
Ο খ) অ্যান্টিজেনের
Ο গ) সিরামের
Ο ঘ) অ্যাগ্লুটিনিনের
সঠিক উত্তর: (খ)
২৬১. কোন যৌগে গঠনের মাধ্যমে
অক্সিজেন পরিবহন করে?

Ο ক) অক্সিগ্লোবিন
Ο খ) অক্সিহিমোগ্লোবিন
Ο গ) হিমোক্সিজেন
Ο ঘ) হিমোক্সিন
সঠিক উত্তর: (ক)
২৬২. কোলেস্টেরলের পরিমাণ ক
বেশি থাকে?
Ο ক) বৃক্কে
Ο খ) পাকস্থলীতে
Ο গ) যকৃতে
Ο ঘ) হৃদপিন্ডে
সঠিক উত্তর: (গ)
২৬৩. গ্লুকোজ কোন ধরনের জৈব প
Ο ক) খাদ্যসার
Ο খ) রেচন পদার্থ
Ο গ) ইউরিক পদার্থ
Ο ঘ) হরমোন
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৬৪. সুমনের রক্তের গ্রুপ O হলে তা
রক্তে কোন অ্যান্টিজেন উপ
Ο ক) এ
Ο খ) বি
Ο গ) এ ও বি উভয়ই
Ο ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: (ঘ)
২৬৫. কোনটি রক্তরসের কাজ?
Ο ক) স্বাস্থ্য ভাল রাখে
Ο খ) রক্তে অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য
করে
Ο গ) দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে
Ο ঘ) দেহে শক্তি উৎপাদনে সাহায্
সঠিক উত্তর: (খ)
২৬৬. উর্ধ্ব ও নিম্ন মহাশিরা কেথ
প্রবেশ করে?
Ο ক) বাম অ্যাট্রিয়াম
Ο খ) ডান ভেন্ট্রিকলে
Ο গ) ডান অ্যাট্রিয়ামে
Ο ঘ) বাম ভেন্ট্রেকলে
সঠিক উত্তর: (গ)
২৬৭. রক্ত চাপ নির্ণয়ে যন্ত্র-
Ο ক) স্টেথোস্কোপ
Ο খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
Ο গ) ব্যারোমিটার
Ο ঘ) ল্যাকটোমিটার
সঠিক উত্তর: (খ)
২৬৮. কৈশিক জালিকা কী দিয়ে
Ο ক) পেরিকার্ডিয়াম
Ο খ) হাইপোথেলিয়াম
Ο গ) এন্ডোথেলিয়াম
Ο ঘ) এপিথেলিয়াম
সঠিক উত্তর: (গ)
২৬৯. পালস রেট দ্বারা নির্ণয় সম্ভ
কোনটি?
Ο ক) যকৃতের সমস্যা
Ο খ) বৃক্ষের সমস্যা
Ο গ) হৃদপিন্ডের সমস্যা
Ο ঘ) পাকস্থলীর সমস্যা
সঠিক উত্তর: (গ)
২৭০. কোনটির লোহিত রক্ত কণিক
নিউক্লিয়াস অনুপস্থিতি?
Ο ক) মানুষ√